এমপির পিএস পরিচয়ে প্রতারণা 
jugantor
এমপির পিএস পরিচয়ে প্রতারণা 

  পটুয়াখালী ও দক্ষিণ প্রতিনিধি  

৩১ আগস্ট ২০২১, ২২:৫৪:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

সকল দপ্তরের কথিত পিএস লিটন হাওলাদারের স্বেচ্ছাচারীতায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে তার নিজ গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষ। চুন থেকে পান খসলেই প্রতিবেশী অসহায় পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানী করেন তিনি। কথায় কথায় পকেট থেকে বের করেন প্রশাসনের উচ্চ পদস্থদের কার্ড।

বরগুনা-০১ আসনের এমপি ধীরেন্দ্র নাথ শম্ভুর স্বঘোষিত পিএস পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়ানো এই লিটন হাওলাদার (৩৫) মির্জাগঞ্জ উপজেলার কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের সুধাংশু হাওলাদারের ছেলে। নিজেকে সংসদ সদস্যেরপিএসদাবি করলেও সংসদ সদস্যলিটনকে চিনেন না।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২৭ আগস্টবিশ্বনাথ চন্দ্র নামে একজনের কাছ থেকে২২ লাখ ৩০ হাজার টাকা নেয় লিটন। এ ঘটনায় পিরোজপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে লিটনের বিরুদ্ধে মামলা করেন বিশ্বনাথ। এছাড়াও অর্থ কেলেঙ্কাকারীর ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বরগুনার আদালতে পৃথক দুটি মামলা রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, লিটনের বিরুদ্ধে অর্থ কেলেঙ্কারীর একাধিক মামলা রয়েছে।

সকল অভিযোগ অস্বীকার করে লিটন হাওলাদার বলেন, এগুলো মিথ্যা। দেশে আইন আছে, অপরাধ করলে আমার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে। আমি এর কিছুই জানি না। রেকর্ড থাকার কথা বললে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কলটি কেটে দেন তিনি।

এমপির পিএস পরিচয়ে প্রতারণা 

 পটুয়াখালী ও দক্ষিণ প্রতিনিধি 
৩১ আগস্ট ২০২১, ১০:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সকল দপ্তরের কথিত পিএস লিটন হাওলাদারের স্বেচ্ছাচারীতায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে তার নিজ গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষ। চুন থেকে পান খসলেই প্রতিবেশী অসহায় পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানী করেন তিনি। কথায় কথায় পকেট থেকে বের করেন প্রশাসনের উচ্চ পদস্থদের কার্ড। 

বরগুনা-০১ আসনের এমপি ধীরেন্দ্র নাথ শম্ভুর স্বঘোষিত পিএস পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়ানো এই লিটন হাওলাদার (৩৫) মির্জাগঞ্জ উপজেলার কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের সুধাংশু হাওলাদারের ছেলে। নিজেকে সংসদ সদস্যের পিএস দাবি করলেও সংসদ সদস্য লিটনকে চিনেন না। 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২৭ আগস্ট বিশ্বনাথ চন্দ্র নামে একজনের কাছ থেকে ২২ লাখ ৩০ হাজার টাকা নেয় লিটন। এ ঘটনায় পিরোজপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে লিটনের বিরুদ্ধে মামলা করেন বিশ্বনাথ। এছাড়াও অর্থ কেলেঙ্কাকারীর ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বরগুনার আদালতে পৃথক দুটি মামলা রয়েছে। 

 ভুক্তভোগীদের দাবি, লিটনের বিরুদ্ধে অর্থ কেলেঙ্কারীর একাধিক মামলা রয়েছে। 

সকল অভিযোগ অস্বীকার করে লিটন হাওলাদার বলেন, এগুলো মিথ্যা। দেশে আইন আছে, অপরাধ করলে আমার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে। আমি এর কিছুই জানি না। রেকর্ড থাকার কথা বললে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কলটি কেটে দেন তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন