ব্রহ্মপুত্র-ধরলার পানি বিপৎসীমার উপরে, অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি
jugantor
ব্রহ্মপুত্র-ধরলার পানি বিপৎসীমার উপরে, অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি

  কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি  

০১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:২০:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

সপ্তাহ ধরে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে চর, দ্বীপচরসহ নদ-নদী অববাহিকার নিচু এলাকার অন্তত ৫০ হাজার পানিবন্দি মানুষ। এসব এলাকার কাঁচাসড়ক তলিয়ে যাওয়ায় ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।

বুধবার বিকালে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে চিলমারী পয়েন্টে ৪৩ ও ধরলা নদীর পানি ব্রিজ পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। টানা বন্যার কারণে জেলায় ২১ হাজার ৫০৫ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে রোপা আমন ২১ হাজার ১২৫ হেক্টর, শাকসবজি ২৭৫ হেক্টর এবং বীজতলা ১০৫ হেক্টর।

এদিকে ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধির ফলে চিলমারী উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ১২টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বসতবাড়িতে পানি ওঠায় এখানে প্রায় ২০ হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে।

প্লাবিত গ্রামগুলো হলো- রমনা ইউনিয়নের বাসন্তী গ্রাম ও টোনগ্রাম, চিলমারী ইউনিয়নের কড়াই বরিশাল, মনতোলা ও চর শাখাহাতি, নয়ারহাট ইউনিয়নের ঠাকুরের চর ও উত্তর খাউরিয়া, অষ্টমীরচর ইউনিয়নের মুদাফৎ কালিকাপুর, ছালিপাড়া, খারুভাজ, খোদ্দ বাঁশপাতারি, খামার বাঁশপাতারি ও নটারকান্দি এবং রানীগঞ্জ ইউনিয়নের চর উদনা ও চর বড়ভিটাসহ আরও কিছু নিম্নাঞ্চলের বাড়িঘর।

অপরদিকে তিস্তায় পানি কমার ফলে ঘরিয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নে প্রচণ্ড ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত এক সপ্তাহে এখানে নদীভাঙনে ৫টি বাড়ি ভেঙেছে। নদী গ্রাস করেছে বিঘার পর বিঘা আবাদি জমি। হুমকিতে রয়েছে আবাদি জমি, গাছপালাসহ বসতবাড়ি।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসন থেকে বন্যা কবলিতদের জন্য ২৮০ মেট্রিক টন চাল ও ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

ব্রহ্মপুত্র-ধরলার পানি বিপৎসীমার উপরে, অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি

 কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 
০১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সপ্তাহ ধরে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে চর, দ্বীপচরসহ নদ-নদী অববাহিকার নিচু এলাকার অন্তত ৫০ হাজার পানিবন্দি মানুষ। এসব এলাকার কাঁচাসড়ক তলিয়ে যাওয়ায় ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।

বুধবার বিকালে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে চিলমারী পয়েন্টে ৪৩ ও ধরলা নদীর পানি ব্রিজ পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। টানা বন্যার কারণে জেলায় ২১ হাজার ৫০৫ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে রোপা আমন ২১ হাজার ১২৫ হেক্টর, শাকসবজি ২৭৫ হেক্টর এবং বীজতলা ১০৫ হেক্টর।

এদিকে ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধির ফলে চিলমারী উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ১২টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বসতবাড়িতে পানি ওঠায় এখানে প্রায় ২০ হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে।

প্লাবিত গ্রামগুলো হলো- রমনা ইউনিয়নের বাসন্তী গ্রাম ও টোনগ্রাম, চিলমারী ইউনিয়নের কড়াই বরিশাল, মনতোলা ও চর শাখাহাতি, নয়ারহাট ইউনিয়নের ঠাকুরের চর ও উত্তর খাউরিয়া, অষ্টমীরচর ইউনিয়নের মুদাফৎ কালিকাপুর,  ছালিপাড়া, খারুভাজ, খোদ্দ বাঁশপাতারি, খামার বাঁশপাতারি ও নটারকান্দি এবং রানীগঞ্জ ইউনিয়নের চর উদনা ও চর বড়ভিটাসহ আরও কিছু নিম্নাঞ্চলের বাড়িঘর।

অপরদিকে তিস্তায় পানি কমার ফলে ঘরিয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নে প্রচণ্ড ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত এক সপ্তাহে এখানে নদীভাঙনে ৫টি বাড়ি ভেঙেছে। নদী গ্রাস করেছে বিঘার পর বিঘা আবাদি জমি। হুমকিতে রয়েছে আবাদি জমি, গাছপালাসহ বসতবাড়ি।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসন থেকে বন্যা কবলিতদের জন্য ২৮০ মেট্রিক টন চাল ও ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন