মেঘনায় গণডাকাতি, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি
jugantor
মেঘনায় গণডাকাতি, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি

  মেঘনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

০২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:০৬:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় এক রাতে স্বর্ণালঙ্কারের দোকানসহ আট দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার রামপুরা বাজারে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উপজেলায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১২-১৪ জনের একটি ডাকাত দল স্পিডবোটে করে এসে রামদা ও জুইতাসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাজারে হানা দেয়।

এ সময় বাজারের পাহারাদারদের আটক করে মারধর করে একটি দোকানের তালা ভেঙে সবাইকে রশি দিয়ে বেঁধে চারটি স্বণালঙ্কারের দোকানসহ আটটি দোকান ভাঙচুর করে স্বর্ণালঙ্কারসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয় ডাকাত দল।

রামপুরা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ জানান, রামপুরা বাজারে মানিকবাবু, নাসির উদ্দিন ও আলামিনসহ ছয়জন পাহারাদার রয়েছে। এদের মারধর করে একটি দোকানে বেঁধে রেখে নির্বিঘ্নে ডাকাতি করে চলে যায় ডাকাত দল।

পরে এলাকাবাসীর চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এসে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

এলাকাবাসী জানান, রামপুরা বাজারে রয়েছে নৌপুলিশ ফাঁড়ি ও এক কিলোমিটার দূরে মেঘনা থানা, তার পরও কিছু দিন পর পর এখানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে থাকে।

এ উপজেলায় গত এক মাসে ১০টি ডাকাতি ও ভাওরখোলার বৈদ্যনাথপুর, উপজেলা পরিষদের মূল গেটের সামনের দোকানসহ ৩০টি চুরির ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার ওমরাকান্দা ব্রিজের নিচে ডাকাত দলের অভয় আশ্রম হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে এলাকাটি।

ভাওরখোলা মহেশখালীর মধ্যখানে ৮০ মিটার ব্রিজের নিচে ওঁৎপেতে থাকা ডাকাত দল রামদা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে পথচারী ও যানবাহন থামিয়ে যাত্রীদের স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে অসংখ্যবার।

ডাকাতদের ভয়ে সন্ধ্যা ৭টার পর মেঘনার প্রধান রাস্তাটিতে চলাচল করতে পারে না লোকজন। বিভিন্ন স্থানে মারামারি সংঘাতে গত কয়েক মাসে প্রায় দুই শতাধিক মানুষ আহত ও তিনজন খুন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নিখোঁজ রয়েছে কয়েকজন। নিখোঁজের পর লাশ পাওয়ার ঘটনাও রয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এত কিছুর পরও থানা পুলিশ নির্বিকার।

মেঘনা থানার অফিসার্স ইনচার্জ আব্দুল মজিদ জানান, রামপুরা বাজারে কয়েকজনকে বেঁধে মালামাল নেওয়ার ঘটনা শুনে ঘটনাস্থলে গেছি, অপরাধীদের ধরার চেষ্টা চালাচ্ছি।

এ ব্যাপারে হোমনা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ইস্পিনা রানী প্রামাণিক যুগান্তরকে জানান, ওমরাকান্দা ব্রিজ এলাকায় পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে, ঘটনাস্থল রামপুরা বাজারে পরিদর্শনে গিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

মেঘনায় গণডাকাতি, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি

 মেঘনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
০২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় এক রাতে স্বর্ণালঙ্কারের দোকানসহ আট দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার রামপুরা বাজারে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উপজেলায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১২-১৪ জনের একটি ডাকাত দল স্পিডবোটে করে এসে রামদা ও জুইতাসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাজারে হানা দেয়।  

এ সময় বাজারের পাহারাদারদের আটক করে মারধর করে একটি দোকানের তালা ভেঙে সবাইকে রশি দিয়ে বেঁধে চারটি স্বণালঙ্কারের দোকানসহ আটটি দোকান ভাঙচুর করে স্বর্ণালঙ্কারসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয় ডাকাত দল।

রামপুরা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ জানান, রামপুরা বাজারে মানিকবাবু, নাসির উদ্দিন ও আলামিনসহ ছয়জন পাহারাদার রয়েছে। এদের মারধর করে একটি দোকানে বেঁধে রেখে নির্বিঘ্নে ডাকাতি করে চলে যায় ডাকাত দল।

পরে এলাকাবাসীর চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এসে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

এলাকাবাসী জানান, রামপুরা বাজারে রয়েছে নৌপুলিশ ফাঁড়ি ও এক কিলোমিটার দূরে মেঘনা থানা, তার পরও কিছু দিন পর পর এখানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে থাকে।

এ উপজেলায় গত এক মাসে ১০টি ডাকাতি ও ভাওরখোলার বৈদ্যনাথপুর, উপজেলা পরিষদের মূল গেটের সামনের দোকানসহ ৩০টি চুরির ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার ওমরাকান্দা ব্রিজের নিচে ডাকাত দলের অভয় আশ্রম হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে এলাকাটি।

ভাওরখোলা মহেশখালীর মধ্যখানে ৮০ মিটার ব্রিজের নিচে ওঁৎপেতে থাকা ডাকাত দল রামদা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে পথচারী ও যানবাহন থামিয়ে যাত্রীদের স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে অসংখ্যবার।

ডাকাতদের ভয়ে সন্ধ্যা ৭টার পর মেঘনার প্রধান রাস্তাটিতে চলাচল করতে পারে না  লোকজন। বিভিন্ন স্থানে মারামারি সংঘাতে গত কয়েক মাসে প্রায় দুই শতাধিক মানুষ আহত ও তিনজন খুন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নিখোঁজ রয়েছে কয়েকজন।  নিখোঁজের পর লাশ পাওয়ার ঘটনাও রয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এত কিছুর পরও থানা পুলিশ নির্বিকার।

মেঘনা থানার অফিসার্স ইনচার্জ আব্দুল মজিদ জানান, রামপুরা বাজারে কয়েকজনকে বেঁধে মালামাল নেওয়ার ঘটনা শুনে ঘটনাস্থলে গেছি, অপরাধীদের ধরার চেষ্টা চালাচ্ছি।

এ ব্যাপারে হোমনা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ইস্পিনা রানী প্রামাণিক যুগান্তরকে জানান, ওমরাকান্দা ব্রিজ এলাকায় পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে, ঘটনাস্থল রামপুরা বাজারে পরিদর্শনে গিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন