মোবাইলে গেমস খেলেই দিন পার
jugantor
মোবাইলে গেমস খেলেই দিন পার

  চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি  

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:০৩:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

মোবাইলে গেমস খেলেই দিন পার

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে না শিক্ষার্থীদের। আর অনলাইনে ক্লাস হওয়ায় পড়াশোনার চাপও থাকে কম। ফলে বেশিরভাগ সময় মোবাইলে বিভিন্ন ধরনের গেমস খেলেই দিন কাটছে তাদের।

অনলাইনে স্কুলক-লেজের ভিডিও ক্লাস করার নামে অভিভাবকদের কাছ থেকে কিনে নিচ্ছে স্মার্টফোন। অথচ শিক্ষার্থীরা ক্লাসের চেয়ে সময় দিচ্ছে মোবাইল ফোনের ভিডিও গেমসে। ভিডিও গেমসে সাধারণ গেমের পাশাপাশি ফ্রি-ফেয়ার, পাবজির মতো মারাত্মক বিপজ্জনক গেমেও আসক্ত হচ্ছে তারা।

সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার রণপাগলিরতর ব্রিজ, মজাইডাঙ্গা মোড়, কাচকোল মোড়, ভরট বাঁধের মোড়, পুটিমারী ঈদগাহ মাঠ মোড়সহ বিভিন্ন নির্জন জায়গায় স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা মোবাইল গেমে আসক্ত হয়ে দিন কাটাচ্ছে।

শুক্রবার পুটিমারী এলাকায় দেখা যায়, ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত ঘরের চার দেয়ালে বসে শিক্ষার্থীরা মোবাইলে ফ্রি-ফায়ার গেম খেলছে। এ সময় দেয়ালে বসার ছবি তুলতেই সেখান থেকে সবাই উঠে পালিয়ে যায়।

উপজেলায় একাধিক সচেতন ব্যক্তি জানান, উঠতি বয়সি শিক্ষার্থী ও তরুণরা নেশার মতো বিভিন্ন মোবাইল গেমসে আসক্ত হয়ে পড়ছে। যে সময়ে তাদের ব্যস্ত থাকার কথা পড়ালেখা ও খেলার মাঠে ক্রীড়া চর্চার মধ্যে, সেখানে তারা মোবাইল গেমসে আসক্ত হয়ে দিন কাটাচ্ছে। আর এসব গেম খেলার জন্য খরচ জোগাতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থী বিপদগামী হয়ে যাচ্ছে।

ফ্রি-ফায়ার গেমে আসক্ত রবি দাস জানায়, বন্ধুদের দেখাদেখি খেলতে গিয়ে এখন সেও এই গেমে আসক্ত হয়ে পড়েছে। এখন এই খেলা ছেড়ে দেওয়া তার কাছে অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে।

এ বিষয়ে গোলাম হাবিব মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেন জানান, দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকায় মোবাইল গেমসে আসক্ত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এই বদঅভ্যাসে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে তারা। উপজেলার সব শিক্ষার্থীকে এ গেমস থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

মোবাইলে গেমস খেলেই দিন পার

 চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি 
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মোবাইলে গেমস খেলেই দিন পার
ছবি: যুগান্তর

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে না শিক্ষার্থীদের। আর অনলাইনে ক্লাস হওয়ায় পড়াশোনার চাপও থাকে কম। ফলে বেশিরভাগ সময় মোবাইলে বিভিন্ন ধরনের গেমস খেলেই দিন কাটছে তাদের।

অনলাইনে স্কুলক-লেজের ভিডিও ক্লাস করার নামে অভিভাবকদের কাছ থেকে কিনে নিচ্ছে স্মার্টফোন। অথচ শিক্ষার্থীরা ক্লাসের চেয়ে সময় দিচ্ছে মোবাইল ফোনের ভিডিও গেমসে। ভিডিও গেমসে সাধারণ গেমের পাশাপাশি ফ্রি-ফেয়ার, পাবজির মতো মারাত্মক বিপজ্জনক গেমেও আসক্ত হচ্ছে তারা।

সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার রণপাগলিরতর ব্রিজ, মজাইডাঙ্গা মোড়, কাচকোল মোড়, ভরট বাঁধের মোড়, পুটিমারী ঈদগাহ মাঠ মোড়সহ বিভিন্ন নির্জন জায়গায় স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা মোবাইল গেমে আসক্ত হয়ে দিন কাটাচ্ছে।

শুক্রবার পুটিমারী এলাকায় দেখা যায়, ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত ঘরের চার দেয়ালে বসে শিক্ষার্থীরা মোবাইলে ফ্রি-ফায়ার গেম খেলছে। এ সময় দেয়ালে বসার ছবি তুলতেই সেখান থেকে  সবাই উঠে পালিয়ে যায়।

উপজেলায় একাধিক সচেতন ব্যক্তি জানান, উঠতি বয়সি শিক্ষার্থী ও তরুণরা নেশার মতো বিভিন্ন মোবাইল গেমসে আসক্ত হয়ে পড়ছে। যে সময়ে তাদের ব্যস্ত থাকার কথা পড়ালেখা ও খেলার মাঠে ক্রীড়া চর্চার মধ্যে, সেখানে তারা মোবাইল গেমসে আসক্ত হয়ে দিন কাটাচ্ছে। আর এসব গেম খেলার জন্য খরচ জোগাতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থী বিপদগামী হয়ে যাচ্ছে।

ফ্রি-ফায়ার গেমে আসক্ত রবি দাস জানায়, বন্ধুদের দেখাদেখি খেলতে গিয়ে এখন সেও এই গেমে আসক্ত হয়ে পড়েছে। এখন এই খেলা ছেড়ে দেওয়া তার কাছে অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে।

এ বিষয়ে গোলাম হাবিব মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেন জানান, দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকায় মোবাইল গেমসে আসক্ত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এই বদঅভ্যাসে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে তারা। উপজেলার সব শিক্ষার্থীকে এ গেমস থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন