বাগান ভাড়া নিয়ে মধু চাষ
jugantor
বাগান ভাড়া নিয়ে মধু চাষ

  মো. মহসিন হাবিব, তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:০৬:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার তিতাসে ফসলি জমির পাশে বাগান ভাড়া নিয়ে মৌ-বাক্স স্থাপন করে মধুর চাষ করেছেন টাঙ্গাইলের বাসিন্দা হাফিজুর রহমান (৪২)।

উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের শেম্ভুপুর গ্রামের ইসলাম মিয়ার পনেরো শতকের একটি আমবাগান তিন মাসের জন্য চার হাজার টাকায় ভাড়া নিয়ে তিনশ মৌ-বাক্স স্থাপন করেছেন মৌ চাষী হাফিজুর রহমান। মৌমাছির মাধ্যমে সরিষাসহ বিভিন্ন গাছের ফুল থেকে শীতের ছয় মাস মধু আহরণ করে মৌমাছি।

বর্ষার তিন মাস কোনো গাছে ফুল না থাকায় মৌমাছি মধু আহরণ করতে পারে না বিধায় মৌমাছিগুলো বাঁচিয়ে রাখতে টাঙ্গাইল থেকে ২০ হাজার টাকায় দুইটি ট্রাক ভাড়া করে ৩০০ বক্স নিয়ে তিতাসের শেম্ভুপুর গ্রামে আসেন মৌ চাষী।

মৌ চাষী হাফিজুর বলেন, বর্ষার তিন মাস ফুলের সংখ্যা কম থাকায় আমি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মাইষমারা গ্রাম থেকে ২০ হাজার টাকায় দুটি ট্রাক ভাড়া করে ৩০০ বক্স নিয়ে তিতাসে আসি মৌমাছিগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য। এখানে এসে শেম্ভুপুর গ্রামের ইসলাম মিয়ার পনেরো শতকের একটি আমবাগান ভাড়া নিয়ে ৩০০ মৌ-বক্স স্থাপন করি। ইতোমধ্যে দুই মাস শেষ হয়েছে, আগামী মাসের ৫ তারিখে চলে যাব।

এক প্রশ্নের জবাবে মৌ চাষী হাফিজুর বলেন, এখন ফুল না থাকায় মৌমাছির খাবার হিসেবে প্রতিদিন এক বস্তা চিনি কিনতে হয়। অগ্রহায়ণ মাস থেকে বিভিন্ন গাছে ফুল ফুটতে শুরু করবে, তখন থেকে বক্সপ্রতি সপ্তাহে এক কেজি করে মধু সংগ্রহ করতে পারব।

তিনি আরও বলেন, ২০১১ সালে আমি প্রথম ১০টি বক্স নিয়ে মৌচাষ শুরু করি। বর্তমানে আমার ৩০০ বক্স হয়েছে। এখন বছরে এক দেড় লাখ টাকা আয় করতে পারি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন বলেন, আমাদের তিতাসে বাণিজ্যিকভাবে মৌ চাষী নেই। তবে আমাদের একটা তেল-ডাল প্রকল্প আছে। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ওই প্রকল্পের আওতায় যারা সরিষা ও তিল চাষ করেন তাদের একটি মৌ বক্স দিয়ে থাকি।

বাগান ভাড়া নিয়ে মধু চাষ

 মো. মহসিন হাবিব, তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার তিতাসে ফসলি জমির পাশে বাগান ভাড়া নিয়ে মৌ-বাক্স স্থাপন করে মধুর চাষ করেছেন টাঙ্গাইলের বাসিন্দা হাফিজুর রহমান (৪২)।

উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের শেম্ভুপুর গ্রামের ইসলাম মিয়ার পনেরো শতকের একটি আমবাগান তিন মাসের জন্য চার হাজার টাকায় ভাড়া নিয়ে তিনশ মৌ-বাক্স স্থাপন করেছেন মৌ চাষী হাফিজুর রহমান। মৌমাছির মাধ্যমে সরিষাসহ বিভিন্ন গাছের ফুল থেকে শীতের ছয় মাস মধু আহরণ করে মৌমাছি।

বর্ষার তিন মাস কোনো গাছে ফুল না থাকায় মৌমাছি মধু আহরণ করতে পারে না বিধায় মৌমাছিগুলো বাঁচিয়ে রাখতে টাঙ্গাইল থেকে ২০ হাজার টাকায় দুইটি ট্রাক ভাড়া করে ৩০০ বক্স নিয়ে তিতাসের শেম্ভুপুর গ্রামে আসেন মৌ চাষী।

মৌ চাষী হাফিজুর বলেন, বর্ষার তিন মাস ফুলের সংখ্যা কম থাকায় আমি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মাইষমারা গ্রাম থেকে ২০ হাজার টাকায় দুটি ট্রাক ভাড়া করে ৩০০ বক্স নিয়ে তিতাসে আসি মৌমাছিগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য। এখানে এসে শেম্ভুপুর গ্রামের ইসলাম মিয়ার পনেরো শতকের একটি আমবাগান ভাড়া নিয়ে ৩০০ মৌ-বক্স স্থাপন করি। ইতোমধ্যে দুই মাস শেষ হয়েছে, আগামী মাসের ৫ তারিখে চলে যাব।

এক প্রশ্নের জবাবে মৌ চাষী হাফিজুর বলেন, এখন ফুল না থাকায় মৌমাছির খাবার হিসেবে প্রতিদিন এক বস্তা চিনি কিনতে হয়। অগ্রহায়ণ মাস থেকে বিভিন্ন গাছে ফুল ফুটতে শুরু করবে, তখন থেকে বক্সপ্রতি সপ্তাহে এক কেজি করে মধু সংগ্রহ করতে পারব।

তিনি আরও বলেন, ২০১১ সালে আমি প্রথম ১০টি বক্স নিয়ে মৌচাষ শুরু করি। বর্তমানে আমার ৩০০ বক্স হয়েছে। এখন বছরে এক দেড় লাখ টাকা আয় করতে পারি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন বলেন, আমাদের তিতাসে বাণিজ্যিকভাবে মৌ চাষী নেই। তবে আমাদের একটা তেল-ডাল প্রকল্প আছে। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ওই প্রকল্পের আওতায় যারা সরিষা ও তিল চাষ করেন তাদের একটি মৌ বক্স দিয়ে থাকি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন