স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
jugantor
স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

  পাবনা ও সাঁথিয়া প্রতিনিধি  

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:০১:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনার সাঁথিয়ায় দুই সন্তানের মা তাজরিন খাতুন (২৮) হত্যা মামলার রায়ে স্বামী আলমগীর হোসেনকে (৪৫) মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম এ রায় প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী তাজরিনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে লাশ বিকৃত করার অভিযোগে তাজরিনের ভাইয়ের দায়ের করা মামলার ৪ বছর পর এ রায় হলো।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর হোসেন সাঁথিয়া উপজেলার বাউসগাড়ি গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের পর থেকেই আলমগীর তার স্ত্রী তাজরিনকে যৌতুকের জন্য মারধর করতেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে যৌতুকের দাবি করা টাকা না পেয়ে আলমগীর স্ত্রী তাজরিনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর কেরোসিন ঢেলে গায়ে আগুন দিয়ে তার চেহারা বিকৃত করে দেয়।

খবর পেয়ে তাজরিনের ভাই সবুজ হোসেন সাঁথিয়া থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করেন। এর একদিন পর ১৮ সেপ্টেম্বর নিহত তাজরিনের ভাই সবুজ হোসেন বাদী হয়ে সাঁথিয়া থানায় স্বামী আলমগীরসহ ৮ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে আসামি আলমগীরকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে রোববার স্বামী আলমগীরকে মৃত্যুদণ্ড এবং আরও ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া অন্য আসামিদের বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়।

এ সময় সরকারপক্ষের আইনজীবী শিশু ও নারী নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বাচ্চু উপস্থিত ছিলেন।

স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

 পাবনা ও সাঁথিয়া প্রতিনিধি 
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনার সাঁথিয়ায় দুই সন্তানের মা তাজরিন খাতুন (২৮) হত্যা মামলার রায়ে স্বামী আলমগীর হোসেনকে (৪৫) মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম এ রায় প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী তাজরিনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে লাশ বিকৃত করার অভিযোগে তাজরিনের ভাইয়ের দায়ের করা মামলার ৪ বছর পর এ রায় হলো।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর হোসেন সাঁথিয়া উপজেলার বাউসগাড়ি গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের পর থেকেই আলমগীর তার স্ত্রী তাজরিনকে যৌতুকের জন্য মারধর করতেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে যৌতুকের দাবি করা টাকা না পেয়ে আলমগীর স্ত্রী তাজরিনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর কেরোসিন ঢেলে গায়ে আগুন দিয়ে তার চেহারা বিকৃত করে দেয়।

খবর পেয়ে তাজরিনের ভাই সবুজ হোসেন সাঁথিয়া থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করেন। এর একদিন পর ১৮ সেপ্টেম্বর নিহত তাজরিনের ভাই সবুজ হোসেন বাদী হয়ে সাঁথিয়া থানায় স্বামী আলমগীরসহ ৮ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে আসামি আলমগীরকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে রোববার স্বামী আলমগীরকে মৃত্যুদণ্ড এবং আরও ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া অন্য আসামিদের বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়।

এ সময় সরকারপক্ষের আইনজীবী শিশু ও নারী নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বাচ্চু উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন