গণপিটুনিতে ডাকাতের মৃত্যু
jugantor
গণপিটুনিতে ডাকাতের মৃত্যু

  নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:৪৭:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ডাকাতি শেষ করে পালানোর সময় অজ্ঞাত এক ডাকাতকে আটক করে গণপিটুনি দিয়েছে এলাকাবাসী। এতে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়।

উপজেলার জোড্ডা পশ্চিম ইউনিয়নের রাজাপাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। সোমবার পুলিশ ওই ডাকাতের লাশ উদ্ধার করেছে।

জানা যায়, রোববার রাত ৩টার দিকে অস্ত্রশস্ত্র একদল ডাকাত ওই ইউপির রাজাপাড়া গ্রামের সাবেক সেনা সদস্য আব্দুস সাত্তারের বাড়িতে নিয়ে হানা দেয়। ঘরের বারান্দার গ্রিল ভাঙ্গার সময় টের পায় পার্শ্ববর্তী লোকজন। সাত্তারের ঘরে ডুকে ডাকাত সদস্যরা তার স্ত্রী মালেকা বেগমকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মালামাল ও নগদ টাকা লুট করে। ভয়ে চিৎকার করায় মালেকা বেগমকে বেধড়ক মারধর করে।

এ সময় কয়েকজন লোক মসজিদের মাইকে ডাকাতির বিষয়টি বলায় তাৎক্ষনিক গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে ডাকাত সদস্যদের ধাওয়া করে একজনকে আটক করে গণপিটুনি দেয়, এতে সে মারা যায়। বাকিরা গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে কান্না জড়িত কণ্ঠে মালেকা বেগম বলেন, রাতে হঠাৎ দেখি চারজন লোক মুখোশ পড়ে আমার রুমে অস্ত্র হাতে দাড়িয়ে আছে। ভয়ে চিৎকার করায় তারা আমাকে মারধর করেছে। ঘরে থাকা নগদ ২ লাখ টাকা ও বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র লুট করে করে নিয়ে যায়। আমার ছেলেকে মারার জন্য পাশের রুমে দরজা ভাঙ্গার চেষ্টা করেছে। তারা মাইকের শব্দ পেয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

নাঙ্গলকোট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রকিবুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সকালের দিকে শুনেছি। তাৎক্ষণিকে ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ডাকাতের লাশ উদ্ধার করে কুমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেছি। তবে এটি ডাকাতি নয়, সংঘবদ্ধ চুরি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গণপিটুনিতে ডাকাতের মৃত্যু

 নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ডাকাতি শেষ করে পালানোর সময় অজ্ঞাত এক ডাকাতকে আটক করে গণপিটুনি দিয়েছে এলাকাবাসী। এতে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়।

উপজেলার জোড্ডা পশ্চিম ইউনিয়নের রাজাপাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। সোমবার পুলিশ ওই ডাকাতের লাশ উদ্ধার করেছে।

জানা যায়, রোববার রাত ৩টার দিকে অস্ত্রশস্ত্র একদল ডাকাত ওই ইউপির রাজাপাড়া গ্রামের সাবেক সেনা সদস্য আব্দুস সাত্তারের বাড়িতে নিয়ে হানা দেয়। ঘরের বারান্দার গ্রিল ভাঙ্গার সময় টের পায় পার্শ্ববর্তী লোকজন। সাত্তারের ঘরে ডুকে ডাকাত সদস্যরা তার স্ত্রী মালেকা বেগমকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মালামাল ও নগদ টাকা লুট করে। ভয়ে চিৎকার করায় মালেকা বেগমকে বেধড়ক মারধর করে।

এ সময় কয়েকজন লোক মসজিদের মাইকে ডাকাতির বিষয়টি বলায় তাৎক্ষনিক গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে ডাকাত সদস্যদের ধাওয়া করে একজনকে আটক করে গণপিটুনি দেয়, এতে সে মারা যায়। বাকিরা গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে কান্না জড়িত কণ্ঠে মালেকা বেগম বলেন, রাতে হঠাৎ দেখি চারজন লোক মুখোশ পড়ে আমার রুমে অস্ত্র হাতে দাড়িয়ে আছে। ভয়ে চিৎকার করায় তারা আমাকে মারধর করেছে। ঘরে থাকা নগদ ২ লাখ টাকা ও বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র লুট করে করে নিয়ে যায়। আমার ছেলেকে মারার জন্য পাশের রুমে দরজা ভাঙ্গার চেষ্টা করেছে। তারা মাইকের শব্দ পেয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

নাঙ্গলকোট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রকিবুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সকালের দিকে শুনেছি। তাৎক্ষণিকে ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ডাকাতের লাশ উদ্ধার করে কুমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেছি। তবে এটি ডাকাতি নয়, সংঘবদ্ধ চুরি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন