মেয়ের সামনে যুবলীগ নেতাকে পেটালেন আওয়ামী নেতা
jugantor
মেয়ের সামনে যুবলীগ নেতাকে পেটালেন আওয়ামী নেতা

  হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৩৯:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার হোমনায় মেয়ের সামনে উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল সরকারকে (মেম্বার) মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম সিদ্দিকুর রহমান আবুলের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা যুবলীগ।

মঙ্গলবার ১২টার দিকে স্থানীয় সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন শেষে অফিসের সামনে মানববন্ধন করা হয়। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে থানার সামনে গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল সরকার বলেন, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে তার মেয়ের অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে স্কুলে যাচ্ছিলেন। তার মেয়েদের সামনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম সিদ্দিকুর রহমান আবুল ও তার ভাই ইউপি চেয়ারম্যান নাজিরুল হক ভূঁইয়া লোকজন নিয়ে আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। মেয়েদের সামনে আমাকে মারধর করেন। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা যুবলীগের সভাপতি খন্দকার নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কায়সার আহম্মেদ বেপারী,সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মেহেদী হাসান, মো. জয়নাল আবেদীন প্রমুখ।

এ সময় অতিথি হিসেবে উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. মহাসিন সরকার, পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিনুজ্জামান খোকন, মহিউদ্দিন খন্দকার, যুগ্ম সম্পাদক গাজী ইলিয়াছসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে হোমনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম সিদ্দিকুর রহমান আবুল মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে জানান, মাইনুল মেম্বার আমার ছোটভাইয়ের পরিষদের মেম্বার। তাকে মারধর করার প্রশ্নই আসে না। আমাকে সবাই চিনে, আমার হাতেগড়া দলের কর্মীকে শাসন করতে পারি কিন্তু মারধর করতে পারি না। শুনেছি আবুল কালামের সঙ্গে পাওনা টাকা নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়েছে।

তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচনের পর থেকে একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে কাজ করছে। সামনে ইউপি নির্বাচন ও কমিটি গঠন নিয়ে একটি মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের লক্ষ্যে তাকে ব্যবহার করার অপচেষ্টা করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।

এ ব্যাপারে হোমনা থানার ওসি আবুল কায়েস আকন্দ বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মেয়ের সামনে যুবলীগ নেতাকে পেটালেন আওয়ামী নেতা

 হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার হোমনায় মেয়ের সামনে উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল সরকারকে (মেম্বার) মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম সিদ্দিকুর রহমান আবুলের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা যুবলীগ।

মঙ্গলবার ১২টার দিকে স্থানীয় সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন শেষে অফিসের সামনে মানববন্ধন করা হয়। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে থানার সামনে গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল সরকার বলেন, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে তার মেয়ের অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে স্কুলে যাচ্ছিলেন। তার মেয়েদের সামনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম সিদ্দিকুর রহমান আবুল ও তার ভাই ইউপি চেয়ারম্যান নাজিরুল হক ভূঁইয়া লোকজন নিয়ে আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। মেয়েদের সামনে আমাকে মারধর করেন। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। 

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা যুবলীগের সভাপতি খন্দকার নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কায়সার আহম্মেদ বেপারী,সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মেহেদী হাসান, মো. জয়নাল আবেদীন প্রমুখ।

এ সময় অতিথি হিসেবে উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. মহাসিন সরকার, পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিনুজ্জামান খোকন, মহিউদ্দিন খন্দকার, যুগ্ম সম্পাদক গাজী ইলিয়াছসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে হোমনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম সিদ্দিকুর রহমান আবুল মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে জানান, মাইনুল মেম্বার আমার ছোটভাইয়ের পরিষদের মেম্বার। তাকে মারধর করার প্রশ্নই আসে না। আমাকে সবাই চিনে, আমার হাতেগড়া দলের কর্মীকে শাসন করতে পারি কিন্তু মারধর করতে পারি না। শুনেছি আবুল কালামের সঙ্গে পাওনা টাকা নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়েছে।

তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচনের পর থেকে একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে কাজ করছে। সামনে ইউপি নির্বাচন ও কমিটি গঠন নিয়ে একটি মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের লক্ষ্যে তাকে ব্যবহার করার অপচেষ্টা করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।

এ ব্যাপারে হোমনা থানার ওসি আবুল কায়েস আকন্দ বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন