মেহেদী নিয়ে হাতে ফোসকা, জরিমানার ২৫% পেল নারী
jugantor
মেহেদী নিয়ে হাতে ফোসকা, জরিমানার ২৫% পেল নারী

  যুগান্তর প্রতিবেদন, মানিকগঞ্জ  

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:২৪:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

মানিকগঞ্জ জেলা শহরের একটি কসমেটিকস দোকান থেকে ২৭ আগস্ট হাতে মেহেদী দিয়ে রাঙাতে স্মার্ট অ্যাকটিভ কোণ নামের মেহেদী ক্রয় করেন অনন্যা আলম নামের এক নারী। সেটি ব্যবহারের পরদিন তার দুই হাত ফুলে যায় ও ফোসকা পড়ে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা সেবা নিতে থাকেন।

পরে ৩১ আগস্ট জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মানিকগঞ্জ কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী নারী অনন্যা আলম।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ সেপ্টেম্বর মেহেদীর বিক্রেতা, পরিবেশকসহ অভিযোগকারীর উপস্থিতিতে প্রথম দফায় শুনানি গ্রহণ করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মানিকগঞ্জ জেলার সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল। পরে ভোক্তা অধিকারের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক (উপসচিব) মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারের নির্দেশে মেহেদীর উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান তাসমিয়া কসমেটিকস অ্যান্ড টয়লেট্রিসকে মঙ্গলবার দুপুরে শুনানির জন্য ডাকা হয়। শুনানিতে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি এ অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ভুক্তভোগীর চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে সম্মত হন।

ওই কোণ মেহেদীর মোড়কে পণ্যের উপাদান এবং ব্যবহারবিধি উল্লেখ না করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মানিকগঞ্জের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী অভিযোগকারী অনন্যা আলম আরোপিত জরিমানার ২৫% অর্থ জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফের মাধ্যমে গ্রহণ করেন।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মানিকগঞ্জ জেলার সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, ক্ষতিকারক এ ধরনের মেহেদী কেনা ও ব্যবহার বিধি মেনে চলতে হবে ভোক্তাদের। তিনি পণ্য বা সেবা ক্রয়ে প্রতারিত হলে প্রমাণসহ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করার অনুরোধ করেন। এছাড়া বিস্তারিত জানতে ১৬১২১ নম্বরে কল করে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন তিনি।

মেহেদী নিয়ে হাতে ফোসকা, জরিমানার ২৫% পেল নারী

 যুগান্তর প্রতিবেদন, মানিকগঞ্জ 
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মানিকগঞ্জ জেলা শহরের একটি কসমেটিকস দোকান থেকে ২৭ আগস্ট হাতে মেহেদী দিয়ে রাঙাতে স্মার্ট অ্যাকটিভ কোণ নামের মেহেদী ক্রয় করেন অনন্যা আলম নামের এক নারী। সেটি ব্যবহারের পরদিন তার দুই হাত ফুলে যায় ও ফোসকা পড়ে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা সেবা নিতে থাকেন।

পরে ৩১ আগস্ট জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মানিকগঞ্জ কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী নারী অনন্যা আলম।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ সেপ্টেম্বর মেহেদীর বিক্রেতা, পরিবেশকসহ অভিযোগকারীর উপস্থিতিতে প্রথম দফায় শুনানি গ্রহণ করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মানিকগঞ্জ জেলার সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল। পরে ভোক্তা অধিকারের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক (উপসচিব) মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারের নির্দেশে মেহেদীর উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান তাসমিয়া কসমেটিকস অ্যান্ড টয়লেট্রিসকে মঙ্গলবার দুপুরে শুনানির জন্য ডাকা হয়। শুনানিতে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি এ অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ভুক্তভোগীর চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে সম্মত হন।

ওই কোণ মেহেদীর মোড়কে পণ্যের উপাদান এবং ব্যবহারবিধি উল্লেখ না করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মানিকগঞ্জের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী অভিযোগকারী অনন্যা আলম আরোপিত জরিমানার ২৫% অর্থ জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফের মাধ্যমে গ্রহণ করেন।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মানিকগঞ্জ জেলার সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, ক্ষতিকারক এ ধরনের মেহেদী কেনা ও ব্যবহার বিধি মেনে চলতে হবে ভোক্তাদের। তিনি পণ্য বা সেবা ক্রয়ে প্রতারিত হলে প্রমাণসহ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করার অনুরোধ করেন। এছাড়া বিস্তারিত জানতে ১৬১২১ নম্বরে কল করে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন