ইয়াবাসহ আটকের ৩০ ঘণ্টা পর মুক্ত স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা, রহস্য
jugantor
ইয়াবাসহ আটকের ৩০ ঘণ্টা পর মুক্ত স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা, রহস্য

  কুড়িগ্রাম ও ভুরুঙ্গামারী প্রতিনিধি  

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:৫০:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

আটক

কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারীতে ২শ পিস ইয়াবাসহ আটকের ৩০ ঘণ্টা পর সাবেকএক স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাকে ছেড়ে দিয়ে দিয়েছে ডিবি পুলিশ। এই ঘটনায় অন্য দুইজনের নামে মামলা দেওয়ায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল সোনাহাট ইউনিয়নের বানুর কুঠি গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি সোনাহাট ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি।

সূত্র জানায়, রোববার সন্ধ্যায় সোনাহাট বাজারে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলকে সাদা পোশাকে ডিবি পুলিশ চ্যালেঞ্জ করলে তিনি মোটরসাইকেল ফেলে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করা হয়। তার মোটরসাইকেল থেকে বিশেষ কায়দায় রাখা ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আব্দুর রাজ্জাককে ঘটনাস্থল থেকে কুড়িগ্রাম ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

ঘটনার ৩০ ঘণ্টা পর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আব্দুর রাজ্জাককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় সোমবার রাতে ডিবির এসআই মোস্তফা বাদী হয়ে মিজানুর রহমান মিজু এবং রাজু আহমেদকে আসামি করে ভুরুঙ্গামারী থানায় মাদক আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

ভুরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, এই মামলার তদন্ত করবে ডিবি।

ঘটনার বিষয়ে ডিবির ওসি আতিকুর রহমান বলেন, তদন্তে আমরা জান‌তে পেরেছিআব্দুর রাজ্জাক‌কে ঝা‌মেলায় ফেলতে পূর্ব প‌রিকল্পনা করে তা‌কে মাদক দি‌য়ে ফাঁসা‌নোর চেষ্টা করা হ‌য়ে‌ছে। সোমবার রাতে ঘটনায় মিজানুর রহমান মিজু এবং রাজুর সংশিষ্টতাপেয়ে তাদের বিরু‌দ্ধে মাদক আইনে মামলা করে রাজ্জাককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মিজানুর রহমান মিজু, রাজু মন্ডল ও আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় কিন্তু তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। নিজ বাড়িতেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রুহুল আমিন বলেন, তদন্তের কারণে আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলকে ছেড়ে দিতে বিলম্ব হয়েছে। ডিবি পুলিশের ২ জনকে আসামি করে মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্তের স্বার্থে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।

ইয়াবাসহ আটকের ৩০ ঘণ্টা পর মুক্ত স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা, রহস্য

 কুড়িগ্রাম ও ভুরুঙ্গামারী প্রতিনিধি 
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আটক
প্রতীকী ছবি

কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারীতে ২শ পিস ইয়াবাসহ আটকের ৩০ ঘণ্টা পর সাবেক এক স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাকে ছেড়ে দিয়ে দিয়েছে ডিবি পুলিশ। এই ঘটনায় অন্য দুইজনের নামে মামলা দেওয়ায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল সোনাহাট ইউনিয়নের বানুর কুঠি গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি সোনাহাট ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি।

সূত্র জানায়, রোববার সন্ধ্যায় সোনাহাট বাজারে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলকে সাদা পোশাকে ডিবি পুলিশ চ্যালেঞ্জ করলে তিনি মোটরসাইকেল ফেলে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করা হয়। তার মোটরসাইকেল থেকে বিশেষ কায়দায় রাখা ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আব্দুর রাজ্জাককে ঘটনাস্থল থেকে কুড়িগ্রাম ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

ঘটনার ৩০ ঘণ্টা পর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আব্দুর রাজ্জাককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় সোমবার রাতে ডিবির এসআই মোস্তফা বাদী হয়ে মিজানুর রহমান মিজু এবং রাজু আহমেদকে আসামি করে ভুরুঙ্গামারী থানায় মাদক আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

ভুরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, এই মামলার তদন্ত করবে ডিবি।

ঘটনার বিষয়ে ডিবির ওসি আতিকুর রহমান বলেন, তদন্তে আমরা জান‌তে পেরেছি আব্দুর রাজ্জাক‌কে ঝা‌মেলায় ফেলতে পূর্ব প‌রিকল্পনা করে তা‌কে মাদক দি‌য়ে ফাঁসা‌নোর চেষ্টা করা হ‌য়ে‌ছে। সোমবার রাতে ঘটনায় মিজানুর রহমান মিজু এবং রাজুর সংশিষ্টতা পেয়ে তাদের বিরু‌দ্ধে মাদক আইনে মামলা করে রাজ্জাককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মিজানুর রহমান মিজু, রাজু মন্ডল ও আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় কিন্তু তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। নিজ বাড়িতেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রুহুল আমিন বলেন, তদন্তের কারণে আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলকে ছেড়ে দিতে বিলম্ব হয়েছে। ডিবি পুলিশের ২ জনকে আসামি করে মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্তের স্বার্থে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন