তালাক দেওয়ায় স্ত্রী ছুরিকাহত
jugantor
তালাক দেওয়ায় স্ত্রী ছুরিকাহত

  ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:০৬:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বখাটে স্বামীকে তালাক দেওয়ায় জেসমিন নামে এক সন্তানের জননীকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেসমিনকে (২১) ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। তার বুকে ও পিঠে একাধিক ছুরিকাঘাত করা হয়েছে।

সোমবার রাত ১২টায় ফতুল্লার পশ্চিম লামাপাড়া এলাকায় আব্দুল রফিকের ভাড়াটিয়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে জেসমিনের তালাক দেয়া স্বামী আসলাম প্রামাণিক (৩০), শাশুড়ি মর্জিনা (৬৫) ও ননদের স্বামী রবিউলকে (৩০) গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ জানায়, পাবনা জেলার আতাইকোলা থানার ছোটমঙ্গল গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে বখাটে আসলাম প্রামাণিক প্রেমের সম্পর্কে ৭ বছর আগে ভোলা জেলার রামদাসপুরের মৃত নাজির আহমেদের মেয়ে জেসমিনকে বিয়ে করেন। বিয়ের ৬ বছর পর তাদের একটি পুত্রসন্তান হয়েছে। আর বিয়ের পর থেকেই তাদের দুজনের মধ্যে কারণে অকারণে পারিবারিক অশান্তি চলে আসছে।

সম্প্রতি জেসমিন তার স্বামীকে তালাক দিয়ে শিশুসন্তান নিয়ে ফতুল্লার পশ্চিম লামাপাড়া এলাকায় মামা জব্বার বেপারীর কাছে চলে আসেন। সোমবার রাতে এ বাড়িতে স্বামী শাশুড়িসহ ৩ জন এসে জেসমিনকে মারধর করতে থাকে।

একপর্যায়ে সঙ্গে নিয়ে আসা ছুরি দিয়ে আসলাম জেসমিনকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। এ সময় চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে আসলাম ও তার মা এবং বোনজামাইকে আটক করে জেসমিনকে হাসপাতালে পাঠান।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, জেসমিন ভোলা থেকে ফতুল্লায় বেড়াতে আসে। তার স্বামী আসলাম খবর পেয়ে পাবনা থেকে এসে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটায়। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

তালাক দেওয়ায় স্ত্রী ছুরিকাহত

 ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বখাটে স্বামীকে তালাক দেওয়ায় জেসমিন নামে এক সন্তানের জননীকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেসমিনকে (২১) ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। তার বুকে ও পিঠে একাধিক ছুরিকাঘাত করা হয়েছে।

সোমবার রাত ১২টায় ফতুল্লার পশ্চিম লামাপাড়া এলাকায় আব্দুল রফিকের ভাড়াটিয়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে জেসমিনের তালাক দেয়া স্বামী আসলাম প্রামাণিক (৩০), শাশুড়ি মর্জিনা (৬৫) ও ননদের স্বামী রবিউলকে (৩০) গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ জানায়, পাবনা জেলার আতাইকোলা থানার ছোটমঙ্গল গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে বখাটে আসলাম প্রামাণিক প্রেমের সম্পর্কে ৭ বছর আগে ভোলা জেলার রামদাসপুরের মৃত নাজির আহমেদের মেয়ে জেসমিনকে বিয়ে করেন। বিয়ের ৬ বছর পর তাদের একটি পুত্রসন্তান হয়েছে। আর বিয়ের পর থেকেই তাদের দুজনের মধ্যে কারণে অকারণে পারিবারিক অশান্তি চলে আসছে।

সম্প্রতি জেসমিন তার স্বামীকে তালাক দিয়ে শিশুসন্তান নিয়ে ফতুল্লার পশ্চিম লামাপাড়া এলাকায় মামা জব্বার বেপারীর কাছে চলে আসেন। সোমবার রাতে এ বাড়িতে স্বামী শাশুড়িসহ ৩ জন এসে জেসমিনকে মারধর করতে থাকে।

একপর্যায়ে সঙ্গে নিয়ে আসা ছুরি দিয়ে আসলাম জেসমিনকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। এ সময় চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে আসলাম ও তার মা এবং বোনজামাইকে আটক করে জেসমিনকে হাসপাতালে পাঠান।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, জেসমিন ভোলা থেকে ফতুল্লায় বেড়াতে আসে। তার স্বামী আসলাম খবর পেয়ে পাবনা থেকে এসে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটায়। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন