উপহারের দোকান পেয়েও বিপাকে রহিম গাজী
jugantor
উপহারের দোকান পেয়েও বিপাকে রহিম গাজী

  যুগান্তর প্রতিবেদন ও বাউফল প্রতিনিধি  

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:১৬:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

দোকান

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে উপহারের একটি দোকান পেয়েছেন পটুয়াখালীর বাউফল সদর ইউনিয়নের গোসিংগা গ্রামের হতদরিদ্র রহিম গাজী। কিন্তু দোকানটি স্থাপনের জন্য কেউ তাকে জমি দিচ্ছে না। এ কারণে ৪ দিন ধরে দোকানটি পুকুরের পাশে পড়ে আছে।

রহিম গাজী ৪ সন্তান, স্ত্রী ও বৃদ্ধ মাকে নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ভিক্ষা করে সংসার চালাতেন। ভিক্ষা না করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাকে আর্থিক সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।

শনিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন ভিক্ষুক পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় রহিম গাজীকে ৫০ হাজার টাকা মূল্যমানের খাদ্যপণ্যসহ একটি দোকান উপহার দেন।

রহিম গাজী বলেন, ইউএনও স্যার আমাকে দোকান উপহার দেওয়ার পর দোকানটি নিয়ে আমি বাড়ির পাশে আমিন মোল্লা বাজারে যাই। ওই বাজারে আমার জমি নেই। স্থানীয় এক জমির মালিক আমার কাছে দোকানটি স্থাপনের জন্য মাসে ২০০ টাকা ভাড়া দাবি করেন। আমি রাজি হই। কিছুক্ষণ পর স্ট্যাম্পে লিখিত দেওয়ার শর্ত জুড়ে আবার তিনি৫০০ টাকা ভাড়া দাবি করেন। এতে আমি রাজি হইনি। এরপর দোকানটি আমি বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে রেখে দেই। আর মালামাল ঘরে তুলে রেখে দিয়েছি।

রহিম গাজীর স্ত্রী হোসনে আরা বেগম বলেন, আমাকে দোকান না দিয়ে একটি গাভী কিনে দিলে এই সমস্যা হতোনা। ইউএনও স্যার আমাকে সহায়তা দিলেও আমি ব্যবসা করতে পারছি না।

বাউফল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসীম উদ্দিন খান বলেন, আমি অনেক চেষ্টা করেছি। কিন্তু রহিমকে ওই বাজারের কেউ দোকানের জন্য জমি দিতে রাজী হচ্ছে না। এরপর আমি বিলবিলাস বাজারে একটি জায়গা ঠিক করেছি। কিন্তু বাড়ি থেকে বিলবিলাস বাজারের দূরত্ব বেশি হওয়ায় রহিম সেখানে যেতে চাচ্ছে না।

বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, রহিমের সমস্যাটি দ্রুত সমাধান করা হবে।

উপহারের দোকান পেয়েও বিপাকে রহিম গাজী

 যুগান্তর প্রতিবেদন ও বাউফল প্রতিনিধি 
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দোকান
দোকান উপহার পেলেও কেউ দোকানটি বসানোর জায়গা দিচ্ছে না। ছবি: যুগান্তর

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে উপহারের একটি দোকান পেয়েছেন পটুয়াখালীর বাউফল সদর ইউনিয়নের গোসিংগা গ্রামের হতদরিদ্র রহিম গাজী। কিন্তু দোকানটি স্থাপনের জন্য কেউ তাকে জমি দিচ্ছে না। এ কারণে ৪ দিন ধরে দোকানটি পুকুরের পাশে পড়ে আছে।

রহিম গাজী ৪ সন্তান, স্ত্রী ও বৃদ্ধ মাকে নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ভিক্ষা করে সংসার চালাতেন। ভিক্ষা না করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাকে আর্থিক সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।

শনিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন ভিক্ষুক পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় রহিম গাজীকে ৫০ হাজার টাকা মূল্যমানের খাদ্যপণ্যসহ একটি দোকান উপহার দেন।

রহিম গাজী বলেন, ইউএনও স্যার আমাকে দোকান উপহার দেওয়ার পর দোকানটি নিয়ে আমি বাড়ির পাশে আমিন মোল্লা বাজারে যাই। ওই বাজারে আমার জমি নেই। স্থানীয় এক জমির মালিক আমার কাছে দোকানটি স্থাপনের জন্য মাসে ২০০ টাকা ভাড়া দাবি করেন। আমি রাজি হই। কিছুক্ষণ পর স্ট্যাম্পে লিখিত দেওয়ার শর্ত জুড়ে আবার তিনি ৫০০ টাকা ভাড়া দাবি করেন। এতে আমি রাজি হইনি। এরপর দোকানটি আমি বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে রেখে দেই। আর মালামাল ঘরে তুলে রেখে দিয়েছি।

রহিম গাজীর স্ত্রী হোসনে আরা বেগম বলেন, আমাকে দোকান না দিয়ে একটি গাভী কিনে দিলে এই সমস্যা হতো না। ইউএনও স্যার আমাকে সহায়তা দিলেও আমি ব্যবসা করতে পারছি না। 

বাউফল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসীম উদ্দিন খান বলেন, আমি অনেক চেষ্টা করেছি। কিন্তু রহিমকে ওই বাজারের কেউ দোকানের জন্য জমি দিতে রাজী হচ্ছে না। এরপর আমি বিলবিলাস বাজারে একটি জায়গা ঠিক করেছি। কিন্তু বাড়ি থেকে বিলবিলাস বাজারের দূরত্ব বেশি হওয়ায় রহিম সেখানে যেতে চাচ্ছে না। 

বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, রহিমের সমস্যাটি দ্রুত সমাধান করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন