সাপের কামড়ের পর ওঝাঁর কাছে দৌড়ঝাঁপ, অতঃপর...
jugantor
সাপের কামড়ের পর ওঝাঁর কাছে দৌড়ঝাঁপ, অতঃপর...

  মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি  

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৫৪:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

ঝাড়ফুঁক

মাগুরার মহম্মদপুরে সাপের কামড়ে সিরমান শিকদার (৪০) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। সিরমানকে সাপে ছোবল দেওয়ার পর তাকে হাসপাতালে না নিয়ে ওঝাঁর কাছে দৌড়ঝাঁপ করার কারণে রাতে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার রাতে উপজেলা সদরের রায়পুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সিরমান শিকদার রায়পুর গ্রামের মৃত আতা শিকদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। তার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার বিকালে বাড়ির পাশের মাঠে ধানক্ষেতে কীটনাশক দেওয়ার সময় বিষাক্ত সাপ সিরমানের পায়ে কামড় দেয়। পরে তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা এগিয়ে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে বিষ নামানোর জন্য পার্শ্ববর্তী বঙ্গেশ্বর গ্রামের নুরুল মুন্সি নামের এক ওঝাঁকে খবর দিয়ে আনেন। ওঝাঁ কয়েক ঘণ্টা ধরে ঝাড়ফুঁক দেন। ওঝাঁ বিষ নামিয়েছেন দাবি করে তাদের জানিয়ে দেন।

পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে সিরমান আবার অসুস্থ হয়ে পড়ে। স্বজনরা তাকে দ্রুত মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তার অবস্থার আরও অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। তাকে সেখানে নেওয়ার পথে রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোকসেদুল মোমিন জানান, রোগীকে স্থানীয় ওঝাঁকে দিয়ে ঝাড়ফুঁক করে বাঁচাতে ব্যর্থ হয়ে পরে রাতে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তখন রোগীর অবস্থা খুব খারাপ ছিল। সাপে কামড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আনলে রোগীকে বাঁচানো সম্ভব ছিল।

মহম্মদপুর থানার ওসি নাসির উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, সিরমান শিকদার নামে এক কৃষকের সাপের কামড়ে মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছি। তবে কেউ অভিযোগ করেনি।

সাপের কামড়ের পর ওঝাঁর কাছে দৌড়ঝাঁপ, অতঃপর...

 মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি 
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৫৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ঝাড়ফুঁক
প্রতীকী ছবি

মাগুরার মহম্মদপুরে সাপের কামড়ে সিরমান শিকদার (৪০) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। সিরমানকে সাপে ছোবল দেওয়ার পর তাকে হাসপাতালে না নিয়ে ওঝাঁর কাছে দৌড়ঝাঁপ করার কারণে রাতে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার রাতে উপজেলা সদরের রায়পুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সিরমান শিকদার রায়পুর গ্রামের মৃত আতা শিকদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। তার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার বিকালে বাড়ির পাশের মাঠে ধানক্ষেতে কীটনাশক দেওয়ার সময় বিষাক্ত সাপ সিরমানের পায়ে কামড় দেয়। পরে তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা এগিয়ে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে বিষ নামানোর জন্য পার্শ্ববর্তী বঙ্গেশ্বর গ্রামের নুরুল মুন্সি নামের এক ওঝাঁকে খবর দিয়ে আনেন। ওঝাঁ কয়েক ঘণ্টা ধরে ঝাড়ফুঁক দেন। ওঝাঁ বিষ নামিয়েছেন দাবি করে তাদের জানিয়ে দেন। 

পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে সিরমান আবার অসুস্থ হয়ে পড়ে। স্বজনরা তাকে দ্রুত মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তার অবস্থার আরও অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। তাকে সেখানে নেওয়ার পথে রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। 

মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোকসেদুল মোমিন জানান, রোগীকে স্থানীয় ওঝাঁকে দিয়ে ঝাড়ফুঁক করে বাঁচাতে ব্যর্থ হয়ে পরে রাতে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তখন রোগীর অবস্থা খুব খারাপ ছিল। সাপে কামড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আনলে রোগীকে বাঁচানো সম্ভব ছিল। 

মহম্মদপুর থানার ওসি নাসির উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, সিরমান শিকদার নামে এক কৃষকের সাপের কামড়ে মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছি। তবে কেউ অভিযোগ করেনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন