দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর ব্যবসায়ীকে হত্যা করে দোকান লুট
jugantor
দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর ব্যবসায়ীকে হত্যা করে দোকান লুট

  সেনবাগ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৫৫:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকার পলোকোয়ানে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে হত্যা করেছে কৃষ্ণাঙ্গ সন্ত্রাসীরা। এরপর প্রতিষ্ঠানে থাকা টাকা-পয়সা ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায় তারা।

নিহত সফিকুল ইসলাম (৫৪) নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নের পশ্চিম ইটবাড়িয়া গ্রামের চৌধুরী মিয়ার নতুন বাড়ির মৃত আবদুল বারিকের ছেলে। তিনি তিন সন্তানের জনক।

মঙ্গলবার দেশটির স্থানীয় সময় সকাল সড়ে ৯টার দিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মৃত্যুর খবর নিজ এলাকা সেনবাগের গ্রামের বাড়িতে পৌঁছলে পরিবারের সদস্যদের মাঝে শুরু হয় শোকের মাতম।

বুধবার সকালে নিহত সফিকুল ইসলামের বাড়িতে গেলে নিহতের ভাতিজা ইমরাম ও মেয়ে প্রমি আক্তার বলেন, তিনি জীবিকার সন্ধানে ৭ বছর পূর্বে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান। সেখানে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় তেমন কাজ-কর্ম করতে পারেননি। সম্প্রতি তিনি কাগজপত্র ঠিক করে দক্ষিণ আফ্রিকার পলোকোয়ান এলাকায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যবসা শুরু করেন।

দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী ও নিহতের প্রতিবেশী দেলোয়ার হোসেন জানান, অন্যদিনের মতো সফিকুল দোকান খোলার সময় স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পেছন দিক থেকে আফ্রিকান কয়েকজন কৃষ্ণাঙ্গ সন্ত্রাসী তাকে আঘাত করে। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা সফিকুল ইসলামকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এ সময় কৃষাঙ্গ সন্ত্রাসীরা প্রতিষ্ঠান থেকে নগদ অর্থ ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

নিহত সফিকুলের লাশ বাংলাদেশে আনার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীসহ সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর ব্যবসায়ীকে হত্যা করে দোকান লুট

 সেনবাগ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকার পলোকোয়ানে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে হত্যা করেছে কৃষ্ণাঙ্গ সন্ত্রাসীরা। এরপর প্রতিষ্ঠানে থাকা টাকা-পয়সা ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায় তারা।

নিহত সফিকুল ইসলাম (৫৪) নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নের পশ্চিম ইটবাড়িয়া গ্রামের চৌধুরী মিয়ার নতুন বাড়ির মৃত আবদুল বারিকের ছেলে। তিনি তিন সন্তানের জনক।

মঙ্গলবার দেশটির স্থানীয় সময় সকাল সড়ে ৯টার দিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মৃত্যুর খবর নিজ এলাকা সেনবাগের গ্রামের বাড়িতে পৌঁছলে পরিবারের সদস্যদের মাঝে শুরু হয় শোকের মাতম।

বুধবার সকালে নিহত সফিকুল ইসলামের বাড়িতে গেলে নিহতের ভাতিজা ইমরাম ও মেয়ে প্রমি আক্তার বলেন, তিনি জীবিকার সন্ধানে ৭ বছর পূর্বে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান। সেখানে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় তেমন কাজ-কর্ম করতে পারেননি। সম্প্রতি তিনি কাগজপত্র ঠিক করে দক্ষিণ আফ্রিকার পলোকোয়ান এলাকায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যবসা শুরু করেন।

দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী ও নিহতের প্রতিবেশী দেলোয়ার হোসেন জানান, অন্যদিনের মতো সফিকুল দোকান খোলার সময় স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পেছন দিক থেকে আফ্রিকান কয়েকজন কৃষ্ণাঙ্গ সন্ত্রাসী তাকে আঘাত করে। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা সফিকুল ইসলামকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এ সময় কৃষাঙ্গ সন্ত্রাসীরা প্রতিষ্ঠান থেকে নগদ অর্থ ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

নিহত সফিকুলের লাশ বাংলাদেশে আনার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীসহ সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন