জামাইয়ের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে শ্বশুর-শাশুড়ি ক্ষতবিক্ষত
jugantor
জামাইয়ের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে শ্বশুর-শাশুড়ি ক্ষতবিক্ষত

  চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি   

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:৩০:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

শ্বশুর

চুয়াডাঙ্গায় মেয়ের জামাইয়ের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়েছেন শ্বশুর-শাশুড়ি।

বুধবার রাত ৯টার দিকে সদর উপজেলার জাফরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- আবদুল মান্নান ও তার স্ত্রী রিক্তা খাতুন। তাদেরকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার পর অভিযুক্ত আরিফ হোসেন গা ঢাকা দিয়েছেন।

আহত আবদুল মান্নান যুগান্তরকে বলেন, বছর দুয়েক আগে আমার মেয়ে মিম খাতুনকে জাফরপুরের জাহিদুল ইসলামের ছেলে ব্যবসায়ী আরিফ হোসেনের সঙ্গে বিয়ে দিই। প্রায়ই জামাই আরিফ হোসেন আমার মেয়েকে মারধর করে। কয়েক দিন আগেও সে মিমকে মারধর করে।

তিনি বলেন, বিষয়টি মীমাংসার জন্য আমরা বুধবার সন্ধ্যায় জামাই আরিফের বাড়িতে যাই। কথাবার্তার এক পর্যায়ে রাত ৯টার দিকে ধারালো ছুরি নিয়ে জামাই আমাদের ওপর হামলে পড়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত ডা. সাজিদ হাসান যুগান্তরকে বলেন, তাদের দুজনের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এর মধ্যে রিক্তা খাতুনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুজনের শরীরে ১৫-২০টা সেলাই দেওয়া হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি আবু জিহাদ খান যুগান্তরকে বলেন, জামাইয়ের চুরিকাঘাতে শ্বশুর-শাশুড়ি জখম হয়েছে বলে জেনেছি। এখনও মামলা হয়নি। মামলা হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জামাইয়ের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে শ্বশুর-শাশুড়ি ক্ষতবিক্ষত

 চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি  
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শ্বশুর
ছবি-যুগান্তর

চুয়াডাঙ্গায় মেয়ের জামাইয়ের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়েছেন শ্বশুর-শাশুড়ি। 

বুধবার রাত ৯টার দিকে সদর উপজেলার জাফরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

আহতরা হলেন- আবদুল মান্নান ও তার স্ত্রী রিক্তা খাতুন। তাদেরকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

ঘটনার পর অভিযুক্ত আরিফ হোসেন গা ঢাকা দিয়েছেন।

আহত আবদুল মান্নান যুগান্তরকে বলেন, বছর দুয়েক আগে আমার মেয়ে মিম খাতুনকে জাফরপুরের জাহিদুল ইসলামের ছেলে ব্যবসায়ী আরিফ হোসেনের সঙ্গে বিয়ে দিই। প্রায়ই জামাই আরিফ হোসেন আমার মেয়েকে মারধর করে। কয়েক দিন আগেও সে মিমকে মারধর করে। 

তিনি বলেন, বিষয়টি মীমাংসার জন্য আমরা বুধবার সন্ধ্যায় জামাই আরিফের বাড়িতে যাই। কথাবার্তার এক পর্যায়ে রাত ৯টার দিকে ধারালো ছুরি নিয়ে জামাই আমাদের ওপর হামলে পড়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত ডা. সাজিদ হাসান যুগান্তরকে বলেন, তাদের দুজনের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এর মধ্যে রিক্তা খাতুনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুজনের শরীরে ১৫-২০টা সেলাই দেওয়া হয়েছে। 

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি আবু জিহাদ খান যুগান্তরকে বলেন, জামাইয়ের চুরিকাঘাতে শ্বশুর-শাশুড়ি জখম হয়েছে বলে জেনেছি। এখনও মামলা হয়নি। মামলা হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন