মডেল মসজিদে নিম্নমানের ইট, কাজ বন্ধ করলেন ইউএনও
jugantor
মডেল মসজিদে নিম্নমানের ইট, কাজ বন্ধ করলেন ইউএনও

  মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি  

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩১:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

মডেল মসজিদে নিম্নমানের ইট, কাজ বন্ধ করলেন ইউএনও

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা সদরে মডেল মসজিদ নির্মাণে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। চারতলার এ মসজিদের গ্রাউন্ড ফ্লোরে নিম্নমানের ইটের সলিং বিছানোর অভিযোগে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছেন মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রামানন্দ পাল।

উপজেলা পরিষদের সামনে এবং শহরের প্রাণকেন্দ্রে এ মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু হয় গত বছরে।

এলাকাবাসী জানান, গত বছর মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হলেও তেমন কোনো অগ্রগতি নেই। দীর্ঘদিন নির্মাণ বন্ধ থাকার কারণে প্রতিটি রডে মরিচা পড়ে গেছে। এভাবে নির্মাণকাজ বন্ধ থাকার ফলে এসব রডের স্থায়িত্ব কমে যাচ্ছে। ঠিকাদারকে কাজ করতে তাড়া দেবে এ রকম কোনো মানুষ নেই বা কোনো কর্মকর্তারও দেখা মেলে না।

তবে সম্প্রতি আবার কাজ শুরু হয় মসজিদের গ্রাউন্ড ফ্লোরে নিম্নমানের ইট দিয়ে। পরে স্থানীয় এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে খরব দিলে তিনি নির্মাণাধীন কাজ বন্ধ করে দেন। চলতি বছরের মধ্যেই মসজিদ নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কাজের অগ্রগতিতে তার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা ৪৩২যায়, চারতলা এ মডেল মসজিদের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ কোটি ১১ লাখ ৯৬ হাজার ৯৭৩ টাকা। গত বছরের জুলাই মাসে ঝিনাইদহের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমএস লিটন ট্রেডাস এই নির্মাণকাজ শুরু করে। প্রায় এক বছর পার হলেও কাজের অগ্রগতি মাত্র ১৫ শতাংশ। ১৮ মাসে মডেল মসজিদের নির্মাণ সময়সীমা দেওয়া হলেও এমন ধীর গতিতে কাজ চললে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নির্মাণ শেষ করা যাবে না। এতে মসজিদটির নির্মাণ কাজ অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।

এ বিষয়ে ঠিকাদার মিজানুর রহমান লিটনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের পর সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে বারবার ফোনের চেষ্টা করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

প্রকল্প বাস্তবায়ন সংস্থা মাগুরা গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রসেনজিৎ পাল জানান, মহম্মদপুর মডেল মসজিদে নির্মাণ মানের ব্যবহারের বিষয়টি সাংবাদিকের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রামানন্দ পাল বলেন, নিম্নমানের ইট ব্যবহারের বিষয়টি জানতে পেরে প্রাথমিকভাবে কাজ স্থগিত রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে সরেজমিন আসতে বলা হয়েছে। তিনি আসলে ইট পরীক্ষার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মডেল মসজিদে নিম্নমানের ইট, কাজ বন্ধ করলেন ইউএনও

 মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি 
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মডেল মসজিদে নিম্নমানের ইট, কাজ বন্ধ করলেন ইউএনও
ছবি: যুগান্তর

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা সদরে মডেল মসজিদ নির্মাণে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।  চারতলার এ মসজিদের গ্রাউন্ড ফ্লোরে নিম্নমানের ইটের সলিং বিছানোর অভিযোগে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছেন মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রামানন্দ পাল।

উপজেলা পরিষদের সামনে এবং শহরের প্রাণকেন্দ্রে এ মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু হয় গত বছরে।

এলাকাবাসী জানান, গত বছর মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হলেও তেমন কোনো অগ্রগতি নেই। দীর্ঘদিন নির্মাণ বন্ধ থাকার কারণে প্রতিটি রডে মরিচা পড়ে গেছে। এভাবে নির্মাণকাজ বন্ধ থাকার ফলে এসব রডের স্থায়িত্ব কমে যাচ্ছে।  ঠিকাদারকে কাজ করতে তাড়া দেবে এ রকম কোনো মানুষ নেই বা কোনো কর্মকর্তারও দেখা মেলে না।

তবে সম্প্রতি আবার কাজ শুরু হয় মসজিদের গ্রাউন্ড ফ্লোরে নিম্নমানের ইট দিয়ে। পরে স্থানীয় এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে খরব দিলে তিনি নির্মাণাধীন কাজ বন্ধ করে দেন। চলতি বছরের মধ্যেই মসজিদ নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কাজের অগ্রগতিতে তার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা ৪৩২যায়, চারতলা এ মডেল মসজিদের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ কোটি ১১ লাখ ৯৬ হাজার ৯৭৩ টাকা। গত বছরের জুলাই মাসে ঝিনাইদহের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমএস লিটন ট্রেডাস এই নির্মাণকাজ শুরু করে। প্রায় এক বছর পার হলেও কাজের অগ্রগতি মাত্র ১৫ শতাংশ। ১৮ মাসে মডেল মসজিদের নির্মাণ সময়সীমা দেওয়া হলেও এমন ধীর গতিতে  কাজ চললে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নির্মাণ শেষ করা যাবে না। এতে মসজিদটির নির্মাণ কাজ অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।

এ বিষয়ে ঠিকাদার মিজানুর রহমান লিটনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের পর সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে বারবার ফোনের চেষ্টা করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

প্রকল্প বাস্তবায়ন সংস্থা মাগুরা গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রসেনজিৎ পাল জানান, মহম্মদপুর মডেল মসজিদে নির্মাণ মানের ব্যবহারের বিষয়টি সাংবাদিকের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রামানন্দ পাল বলেন, নিম্নমানের ইট ব্যবহারের বিষয়টি জানতে পেরে প্রাথমিকভাবে কাজ স্থগিত রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে সরেজমিন আসতে বলা হয়েছে। তিনি আসলে ইট পরীক্ষার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন