চাকরির সন্ধানে জন্মগত প্রতিবন্ধী শিক্ষিত নারী সেউতি
jugantor
চাকরির সন্ধানে জন্মগত প্রতিবন্ধী শিক্ষিত নারী সেউতি

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৪১:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

একটি চাকরির সন্ধানে মাঠে নেমেছেন জন্মগতভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষিত নারী শাহিমা সুলতানা সেউতি।

বাবা-মা ও ভাইয়ের কোলে কাঁধে উঠে লেখাপড়া করে ইতিহাস বিষয়ে অনার্স শেষে প্রথম শ্রেণি পাওয়া এমএ পাস করা সেউতি চলাফেরা করতে না পারায় একরকম বন্দি অবস্থায় ছিলেন।

তাকে নিয়ে পত্রিকায় লেখার পর সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন সেউতিকে একটি চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্র প্রস্তুত করার আশ্বাস দিয়ে একটি গৃহনির্মাণ করে দেন। তাকে একটি ল্যাপটপও দেন সাবেক জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল।

যুগান্তরের সুরঞ্জনা পাতায় ‘আমার দরকার একটি চাকরি’ শিরোনামে প্রতিবেদন এবং একই পত্রিকায় আরও একটি সচিত্র রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা ইউনিয়নের ছনকা গ্রামের শাহিমা সুলতানা সেউতিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডেকে পাঠানো হয়।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা তুজ জোহরা বলেন, সেউতিকে আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মিলনায়তনে ‘মুজিববর্ষে গ্রামীণ বেকার যুবক-যুবতীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ই-কমার্স ও ই-লার্নিং’ এর আওতায় দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. হুমায়ুন কবির। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা তুজ জোহরা ও ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনূর ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা নিজেদের কর্মক্ষেত্র প্রস্তুত করে নিতে পারবেন। এ ব্যাপারে সরকার তাদের সহায়তা দেবে বলে উল্লেখ করেন জেলা প্রশাসক।

বাবা আব্দুর রকিব ও মাকে সঙ্গে নিয়ে প্রশিক্ষণে আসা সেউতি বলেন, আমি একটি অন্ধকারময় অবস্থা থেকে নতুন আলো দেখতে পাচ্ছি। যথাযথ প্রশিক্ষণ পেলে আমি সমাজে স্বনির্ভর হয়ে টিকে থাকতে পারব বলে আশা করছি।

চাকরির সন্ধানে জন্মগত প্রতিবন্ধী শিক্ষিত নারী সেউতি

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

একটি চাকরির সন্ধানে মাঠে নেমেছেন জন্মগতভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষিত নারী শাহিমা সুলতানা সেউতি।

বাবা-মা ও ভাইয়ের কোলে কাঁধে উঠে লেখাপড়া করে ইতিহাস বিষয়ে অনার্স শেষে প্রথম শ্রেণি পাওয়া এমএ পাস করা সেউতি চলাফেরা করতে না পারায় একরকম বন্দি অবস্থায় ছিলেন।

তাকে নিয়ে পত্রিকায় লেখার পর সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন সেউতিকে একটি চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্র প্রস্তুত করার আশ্বাস দিয়ে একটি গৃহনির্মাণ করে দেন। তাকে একটি ল্যাপটপও দেন সাবেক জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল। 

যুগান্তরের সুরঞ্জনা পাতায় ‘আমার দরকার একটি চাকরি’ শিরোনামে প্রতিবেদন এবং একই পত্রিকায় আরও একটি সচিত্র রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা ইউনিয়নের ছনকা গ্রামের শাহিমা সুলতানা সেউতিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডেকে পাঠানো হয়।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা তুজ জোহরা বলেন, সেউতিকে আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মিলনায়তনে ‘মুজিববর্ষে গ্রামীণ বেকার যুবক-যুবতীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ই-কমার্স ও ই-লার্নিং’ এর আওতায় দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. হুমায়ুন কবির। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা তুজ জোহরা ও ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনূর ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা নিজেদের কর্মক্ষেত্র প্রস্তুত করে নিতে পারবেন। এ ব্যাপারে সরকার তাদের সহায়তা দেবে বলে উল্লেখ করেন জেলা প্রশাসক।

বাবা আব্দুর রকিব ও মাকে সঙ্গে নিয়ে প্রশিক্ষণে আসা সেউতি বলেন, আমি একটি অন্ধকারময় অবস্থা থেকে নতুন আলো দেখতে পাচ্ছি। যথাযথ প্রশিক্ষণ পেলে আমি সমাজে স্বনির্ভর হয়ে টিকে থাকতে পারব বলে আশা করছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন