তিন সপ্তাহেও সন্ধান মেলেনি সেই মাথাটির
jugantor
তিন সপ্তাহেও সন্ধান মেলেনি সেই মাথাটির

  নেত্রকোনা প্রতিনিধি  

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:১৩:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ১৯ আগস্ট মাথাবিচ্ছিন্ন গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের ২১ দিন চলে গেলেও বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত মাথাটি উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এছাড়া লাশটির পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এতে গলিত লাশটি নারীর না পুরুষের তা-ও এখনো নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ আগস্ট সন্ধ্যায় স্থানীয় এক ব্যক্তি নপাই বিলে মাছ ধরতে গিয়ে কচুরিপানার নিচে একটি গলিত লাশ দেখতে পান। পরে তিনি ভয়ে দৌড়ে ডাঙায় এসে বিষয়টি স্থানীয়দের জানান। খবর পেয়ে পুলিশ রাতে মাথাবিচ্ছিন্ন লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। লাশ উদ্ধারের ঘটনার ২১ দিন চলে গেলেও এখনো মাথাটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

মৃতদেহটি নারী না পুরুষের তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া দেহটির বয়সও অনুমান করা যাচ্ছে না। তবে পুলিশের ধারণা, গলিত ওই লাশটি এক মাসের অধিক সময় হবে।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন মাথাটি উদ্ধারসহ পরিচয় শনাক্তে পুলিশ সব ধরনের চেষ্টা চালাচ্ছে। লাশটি সম্পূর্ণভাবে গলে যাওয়ায় এটি পুরুষের না নারীর তা শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে ধারণা করা হচ্ছে, লাশটি কোনো নারীর হবে। কারণ লাশটি উদ্ধার হওয়ার স্থান থেকে নারীদের ব্যবহৃত একটি স্কার্ফ পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ সংগৃহীত বিভিন্ন নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর রহস্য নারী না পুরুষ তা উন্মোচিত হবে।

এ ব্যাপারে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মো. একরামুল হাসান জানান, মাথাবিচ্ছিন্ন গলিত লাশটির ভেতরের সব অর্গান নষ্ট হয়ে যাওয়ায় নারী না পুরুষ তা বুঝা যায়নি। ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের প্রতিবেদন পেলে তা বুঝা যাবে।

তিন সপ্তাহেও সন্ধান মেলেনি সেই মাথাটির

 নেত্রকোনা প্রতিনিধি 
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ১৯ আগস্ট মাথাবিচ্ছিন্ন গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের ২১ দিন চলে গেলেও বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত মাথাটি উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এছাড়া লাশটির পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এতে গলিত লাশটি নারীর না পুরুষের তা-ও এখনো নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ আগস্ট সন্ধ্যায় স্থানীয় এক ব্যক্তি নপাই বিলে মাছ ধরতে গিয়ে কচুরিপানার নিচে একটি গলিত লাশ দেখতে পান। পরে তিনি ভয়ে দৌড়ে ডাঙায় এসে বিষয়টি স্থানীয়দের জানান। খবর পেয়ে পুলিশ রাতে মাথাবিচ্ছিন্ন লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। লাশ উদ্ধারের ঘটনার ২১ দিন চলে গেলেও এখনো মাথাটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

মৃতদেহটি নারী না পুরুষের তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া দেহটির বয়সও অনুমান করা যাচ্ছে না। তবে পুলিশের ধারণা, গলিত ওই লাশটি এক মাসের অধিক সময় হবে।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন মাথাটি উদ্ধারসহ পরিচয় শনাক্তে পুলিশ সব ধরনের চেষ্টা চালাচ্ছে। লাশটি সম্পূর্ণভাবে গলে যাওয়ায় এটি পুরুষের না নারীর তা শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে ধারণা করা হচ্ছে, লাশটি কোনো নারীর হবে। কারণ লাশটি উদ্ধার হওয়ার স্থান থেকে নারীদের ব্যবহৃত একটি স্কার্ফ পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ সংগৃহীত বিভিন্ন নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর রহস্য নারী না পুরুষ তা উন্মোচিত হবে।

এ ব্যাপারে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মো. একরামুল হাসান জানান, মাথাবিচ্ছিন্ন গলিত লাশটির ভেতরের সব অর্গান নষ্ট হয়ে যাওয়ায় নারী না পুরুষ তা বুঝা যায়নি। ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের প্রতিবেদন পেলে তা বুঝা যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন