গ্রাম আদালত ভাংচুর করলেন যুবলীগ নেতা
jugantor
গ্রাম আদালত ভাংচুর করলেন যুবলীগ নেতা

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৪১:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় প্রত্যয়নপত্র পেতে দেরি হওয়ায় গ্রাম আদালত ভাংচুর করে আদালত সহকারীকে পিটিয়েছে এক যুবলীগ নেতা। হামলার শিকার গ্রাম আদালত সহকারী নিজাম উদ্দিন মাহমুদ (৪০) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মামুনুর রশীদ কিরণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

অভিযুক্ত মো. রাসেল আলম আমানউল্যাহপুর ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা ও একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের গাজীবাড়ির লিয়ায়ত হোসেনের ছেলে।

বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার ১নং আমানউল্যাপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার দুপুরে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে এমন অভিযোগ করেন আমানউল্যাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও বেগমগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি মো.আরিফুর রহমান।

তিনি জানান, গ্রাম আদালত সহকারী তার কক্ষের সামনে বসেছিলেন। বুধবার দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন বইয়া গাজীবাড়ির রাসেল কার্যালয়ে আসে একটি প্রত্যয়নপত্রের জন্য। এ সময় আদালত সহকারী তাকে বলেন আমার হাতে একটু কাজ আছে, আমাকে একটু সময় দেন। এরপর আপনার প্রত্যয়নপত্রটা দিয়ে দেব।

তিনি বলেন, একপর্যায়ে এটা নিয়ে দুইজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এ সময় আমি গিয়ে দুইপক্ষকে দুই দিকে সরিয়ে দিয়ে আমার ব্যক্তিগত কাজে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বাহিরে চলে যাই। আমি কিছু দূর যাওয়ার পর রাসেল তার অনুসারী মেহেদী ও রাজনসহ ৪ জন যুবক পুনরায় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এসে আদালত সহকারীকে বেধড়ক মারধর করে এবং গ্রাম আদালতের এজলাস ভাংচুর করে। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সচিব ছাড়া কেউ ছিলেন না। এরপর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। একই দিন বিকালে এসে তারা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি জানান, লোকমুখে ঘটনা তিনি শুনেছেন। এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মো. রাসেল আলমের বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি মোবাইল ফোনে বারবার কল করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

গ্রাম আদালত ভাংচুর করলেন যুবলীগ নেতা

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় প্রত্যয়নপত্র পেতে দেরি হওয়ায় গ্রাম আদালত ভাংচুর করে আদালত সহকারীকে পিটিয়েছে এক যুবলীগ নেতা। হামলার শিকার গ্রাম আদালত সহকারী নিজাম উদ্দিন মাহমুদ (৪০) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মামুনুর রশীদ কিরণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

অভিযুক্ত মো. রাসেল আলম আমানউল্যাহপুর ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা ও একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের গাজীবাড়ির লিয়ায়ত হোসেনের ছেলে।

বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার ১নং আমানউল্যাপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার দুপুরে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে এমন অভিযোগ করেন আমানউল্যাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও বেগমগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি মো.আরিফুর রহমান।

তিনি জানান, গ্রাম আদালত সহকারী তার কক্ষের সামনে বসেছিলেন। বুধবার দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন বইয়া গাজীবাড়ির রাসেল কার্যালয়ে আসে একটি প্রত্যয়নপত্রের জন্য। এ সময় আদালত সহকারী তাকে বলেন আমার হাতে একটু কাজ আছে, আমাকে একটু সময় দেন। এরপর আপনার প্রত্যয়নপত্রটা দিয়ে দেব।

তিনি বলেন, একপর্যায়ে এটা নিয়ে দুইজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এ সময় আমি গিয়ে দুইপক্ষকে দুই দিকে সরিয়ে দিয়ে আমার ব্যক্তিগত কাজে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বাহিরে চলে যাই। আমি কিছু দূর যাওয়ার পর রাসেল তার অনুসারী মেহেদী ও রাজনসহ ৪ জন যুবক পুনরায় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এসে আদালত সহকারীকে বেধড়ক মারধর করে এবং গ্রাম আদালতের এজলাস ভাংচুর করে। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সচিব ছাড়া কেউ ছিলেন না। এরপর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। একই দিন বিকালে এসে তারা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি জানান, লোকমুখে ঘটনা তিনি শুনেছেন। এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মো. রাসেল আলমের বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি মোবাইল ফোনে বারবার কল করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন