সাতকানিয়ায় ২ হাজার মিটার বেহুন্দি জাল ধ্বংস
jugantor
সাতকানিয়ায় ২ হাজার মিটার বেহুন্দি জাল ধ্বংস

  সাতকানিয়া প্রতিনিধি  

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৫০:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। বৃহস্পতিবার দুপুরে চালানো এ অভিযানে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশ ঘেঁষে যাওয়া নয়াখাল থেকে প্রায় ২ হাজার মিটার নিষিদ্ধ বেহুন্দি জাল জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো ধ্বংস করা হয়।

তবে নিষিদ্ধ এ জাল পাতার সঙ্গে কাউকে ধরতে পারেননি তারা। জব্দ করা হয়নি নিষিদ্ধ জাল পাততে ব্যবহৃত ছোট ছোট নৌকাগুলোও।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত শর্মার নেতৃত্বে সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, পুলিশের এএসআই শাখাওয়াত হোসেন চৌধুরী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে নয়াখালের এ অংশে নিষিদ্ধ জাল পেতে মাছ শিকারের কারণে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তি নিয়ে গত ৩০ আগস্ট দৈনিক যুগান্তরে প্রিন্ট ও অনলাইন ভার্সনে ‘সাতকানিয়ায় নিষিদ্ধ জালে অবাধে মাছ শিকার’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

ওই সময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত শর্মা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ জোহরা নিষিদ্ধ জাল বন্ধে অভিযান পরিচালনা করার কথা জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে উপজেলার বিভিন্ন খাল-বিলে নিষিদ্ধ জালে মাছ শিকারের কারণে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আর পোনা মারা পড়ার তথ্য তুলে আনা হয়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত শর্মা বলেন, দেশীয় মাছের প্রজনন বাড়াতে মৎস্য বিভাগ বদ্ধপরিকর। আমরা আমাদের নিজস্ব সোর্সের পাশাপাশি, সাংবাদিক ও স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায় নিষিদ্ধ জাল ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছি। নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার ও বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাতকানিয়ায় ২ হাজার মিটার বেহুন্দি জাল ধ্বংস

 সাতকানিয়া প্রতিনিধি 
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। বৃহস্পতিবার দুপুরে চালানো এ অভিযানে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশ ঘেঁষে যাওয়া নয়াখাল থেকে প্রায় ২ হাজার মিটার নিষিদ্ধ বেহুন্দি জাল জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো ধ্বংস করা হয়।

তবে নিষিদ্ধ এ জাল পাতার সঙ্গে কাউকে ধরতে পারেননি তারা। জব্দ করা হয়নি নিষিদ্ধ জাল পাততে ব্যবহৃত ছোট ছোট নৌকাগুলোও। 

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত শর্মার নেতৃত্বে সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, পুলিশের এএসআই শাখাওয়াত হোসেন চৌধুরী এ সময় উপস্থিত ছিলেন। 

এর আগে নয়াখালের এ অংশে নিষিদ্ধ জাল পেতে মাছ শিকারের কারণে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তি নিয়ে গত ৩০ আগস্ট দৈনিক যুগান্তরে প্রিন্ট ও অনলাইন ভার্সনে ‘সাতকানিয়ায় নিষিদ্ধ জালে অবাধে মাছ শিকার’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। 

ওই সময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত শর্মা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ জোহরা নিষিদ্ধ জাল বন্ধে অভিযান পরিচালনা করার কথা জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে উপজেলার বিভিন্ন খাল-বিলে নিষিদ্ধ জালে মাছ শিকারের কারণে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আর পোনা মারা পড়ার তথ্য তুলে আনা হয়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত শর্মা বলেন, দেশীয় মাছের প্রজনন বাড়াতে মৎস্য বিভাগ বদ্ধপরিকর। আমরা আমাদের নিজস্ব সোর্সের পাশাপাশি, সাংবাদিক ও স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায় নিষিদ্ধ জাল ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছি। নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার ও বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন