বাড়ি ফিরে নববধূর ঝুলন্ত লাশ দেখলেন স্বামী
jugantor
বাড়ি ফিরে নববধূর ঝুলন্ত লাশ দেখলেন স্বামী

  গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি  

১০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:১৩:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে দাম্পত্য কলহের জেরে রুমা খাতুন (১৮) নামে এক নববধূ আত্মহত্যা করেছেন।

বৃহস্পতিবার উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের শাখারিয়া নয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নিহতের স্বামী টাকিন খানকে (২৬) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, চার মাস আগে সিরাজগঞ্জের রফিকুল ইসলামের মেয়ে রুমা খাতুনের সঙ্গে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের শাখারিয়া নয়াপাড়ার ইমান আলী খানের ছেলে টাকিন খানের বিয়ে হয়। উভয়ের এটি দ্বিতীয় বিয়ে ছিল।

রুমার মামা দুলাল হোসেন জানান, বিয়ের পর থেকে স্বামী টাকিন খান স্ত্রীকে সামাজিকভাবে হেয়পতিপন্ন করাসহ শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন। তাদের দাম্পত্য কলহে ৪ সেপ্টেম্বর টাকিন খান স্ত্রীকে মৌখিক তালাক দিয়ে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেন। ৬ সেপ্টেম্বর টাকিন খান অনুতপ্ত হয়ে শ্বশুরবাড়ি স্ত্রীর কাছে চলে যান। সেখানে আবার তাদের বিয়ে পড়ানো। পরে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি শাখারিয়া নিজ বাড়িতে চলে যান।

তিনি বলেন, ৮ সেপ্টেম্বর তাদের মধ্যে আবার ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে টাকিন খান মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে চলে যান। রাতে বাড়ি ফিরে ঘরের দরজা বন্ধ পেয়ে স্ত্রীকে ডাকতে শুরু করেন। ঘরের ভেতর থেকে কোনো শব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে টাকিন স্ত্রীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

পরে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভূক্রাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

গোপালপুর থানার ওসি মো. মোশাররফ হোসেন জানান, নিহত রুমার মামা পাঁচজনকে আসামি করে আত্মহত্যার প্ররোচণায় মামলা করেছেন। প্রধান আসামি টাকিন খানকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

বাড়ি ফিরে নববধূর ঝুলন্ত লাশ দেখলেন স্বামী

 গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 
১০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে দাম্পত্য কলহের জেরে রুমা খাতুন (১৮) নামে এক নববধূ আত্মহত্যা করেছেন। 

বৃহস্পতিবার উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের শাখারিয়া নয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নিহতের স্বামী টাকিন খানকে (২৬) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

জানা গেছে, চার মাস আগে সিরাজগঞ্জের রফিকুল ইসলামের মেয়ে রুমা খাতুনের সঙ্গে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের শাখারিয়া নয়াপাড়ার ইমান আলী খানের ছেলে টাকিন খানের বিয়ে হয়। উভয়ের এটি দ্বিতীয় বিয়ে ছিল।

রুমার মামা দুলাল হোসেন জানান, বিয়ের পর থেকে স্বামী টাকিন খান স্ত্রীকে সামাজিকভাবে হেয়পতিপন্ন করাসহ শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন। তাদের দাম্পত্য কলহে ৪ সেপ্টেম্বর টাকিন খান স্ত্রীকে মৌখিক তালাক দিয়ে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেন। ৬ সেপ্টেম্বর টাকিন খান অনুতপ্ত হয়ে শ্বশুরবাড়ি স্ত্রীর কাছে চলে যান। সেখানে আবার তাদের বিয়ে পড়ানো। পরে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি শাখারিয়া নিজ বাড়িতে চলে যান। 

তিনি বলেন, ৮ সেপ্টেম্বর তাদের মধ্যে আবার ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে টাকিন খান মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে চলে যান। রাতে বাড়ি ফিরে ঘরের দরজা বন্ধ পেয়ে স্ত্রীকে ডাকতে শুরু করেন। ঘরের ভেতর থেকে কোনো শব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে টাকিন স্ত্রীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। 

পরে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভূক্রাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

গোপালপুর থানার ওসি মো. মোশাররফ হোসেন জানান, নিহত রুমার মামা পাঁচজনকে আসামি করে আত্মহত্যার প্ররোচণায় মামলা করেছেন। প্রধান আসামি টাকিন খানকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন