গভীর রাতে বাবা-মায়ের কবরের পাশে কাঁদলেন শামীম ওসমান
jugantor
গভীর রাতে বাবা-মায়ের কবরের পাশে কাঁদলেন শামীম ওসমান

  রাজু আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ  

১০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:৪৬:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টা। নগরীর কেন্দ্রীয় কবরস্থানের সামনে একটি কালো গাড়ির সামনে কয়েকজন কৌতূহলী মানুষের ভিড়। কয়েকজন দূর থেকে কবরস্থানের ভিতরে কোনো একজন মোনাজাতরত মানুষের ছবি তুলতে ব্যস্ত।

গভীর রাতে সেই ছবি চলে যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আর শুক্রবার দিনভর সেই ছবি রীতিমতো ভাইরাল হয়ে উঠে। ছবিটি একজন এতিম সন্তানের, যিনি তার বাবা মায়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কাঁদছিলেন।

তিনি আর কেউ নন, বহুল আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা ও এমপি একেএম শামীম ওসমান। যিনি প্রায়শই গভীর রাতে ছুটে আসেন বাবা মায়ের কবরের পাশে। যেখানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন তার পরিবারের আরও সদস্যরা।

শুক্রবার প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানালেন, বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১১টা কিংবা সাড়ে ১১টার দিকে কবরস্থানের বাইরে একটি গাড়ি এসে থামল। অনেকেই রাতে আসেন তাদের মৃত স্বজনদের জন্য দোয়া করেন। স্বাভাবিক ব্যাপার ভেবেই আমরা খুব একটা খেয়াল করিনি। কিন্তু গাড়ি থেকে নেমে কবরস্থানের ছোট দরজা দিয়ে যিনি প্রবেশ করলেন তার উচ্চতা দেখে আমরা বুঝে ফেলি তিনি শামীম ওসমানই হবেন। অনেকক্ষণ ছিলেন সেখানে তিনি। বাচ্চাদের মতো হাউমাউ করে কেঁদেছেন। হয়তো দিনের বেলায় তিনি এলে পেছনে অনেক লোকজন হয়ে যায়, তাই একাকীত্বে দোয়া করতেই রাতে আসেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানালেন, বের হয়ে আসার পর ছবি তুলতে গিয়েছিলাম। তিনি খুব শান্ত গলায় বললেন- জিয়ারত করতে এসেছি। দোয়া করতে এসেছি। আপনারাও দোয়া কইরেন। এটাই আমাদের শেষ ঠিকানা। সবাইকে একদিন এই ঠিকানায় যেতে হবে।

গভীর রাতে বাবা-মায়ের কবরের পাশে কাঁদলেন শামীম ওসমান

 রাজু আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ 
১০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টা। নগরীর কেন্দ্রীয় কবরস্থানের সামনে একটি কালো গাড়ির সামনে কয়েকজন কৌতূহলী মানুষের ভিড়। কয়েকজন দূর থেকে কবরস্থানের ভিতরে কোনো একজন মোনাজাতরত মানুষের ছবি তুলতে ব্যস্ত।

গভীর রাতে সেই ছবি চলে যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আর শুক্রবার দিনভর সেই ছবি রীতিমতো ভাইরাল হয়ে উঠে। ছবিটি একজন এতিম সন্তানের, যিনি তার বাবা মায়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কাঁদছিলেন।

তিনি আর কেউ নন, বহুল আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা ও এমপি একেএম শামীম ওসমান। যিনি প্রায়শই গভীর রাতে ছুটে আসেন বাবা মায়ের কবরের পাশে। যেখানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন তার পরিবারের আরও সদস্যরা।

শুক্রবার প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানালেন, বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১১টা কিংবা সাড়ে ১১টার দিকে কবরস্থানের বাইরে একটি গাড়ি এসে থামল। অনেকেই রাতে আসেন তাদের মৃত স্বজনদের জন্য দোয়া করেন। স্বাভাবিক ব্যাপার ভেবেই আমরা খুব একটা খেয়াল করিনি। কিন্তু গাড়ি থেকে নেমে কবরস্থানের ছোট দরজা দিয়ে যিনি প্রবেশ করলেন তার উচ্চতা দেখে আমরা বুঝে ফেলি তিনি শামীম ওসমানই হবেন। অনেকক্ষণ ছিলেন সেখানে তিনি। বাচ্চাদের মতো হাউমাউ করে কেঁদেছেন। হয়তো দিনের বেলায় তিনি এলে পেছনে অনেক লোকজন হয়ে যায়, তাই একাকীত্বে দোয়া করতেই রাতে আসেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানালেন, বের হয়ে আসার পর ছবি তুলতে গিয়েছিলাম। তিনি খুব শান্ত গলায় বললেন- জিয়ারত করতে এসেছি। দোয়া করতে এসেছি। আপনারাও দোয়া কইরেন। এটাই আমাদের শেষ ঠিকানা। সবাইকে একদিন এই ঠিকানায় যেতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন