মায়ের সঙ্গে দেখা করে, ধারদেনা মিটিয়ে মাদ্রাসাছাত্রের আত্মহত্যা
jugantor
মায়ের সঙ্গে দেখা করে, ধারদেনা মিটিয়ে মাদ্রাসাছাত্রের আত্মহত্যা

  উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি   

১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৪২:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ফাঁসিতে ঝুলে মোজাহিদ হাসান মিলন (১৬) নামে এক দাখিল পরীক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। আত্মহত্যা করার আগে সে তার মায়ের সঙ্গে দেখা করে এবং বাজারে গিয়ে তার ধারদেনা মিটিয়ে আসে।

ঘটনাটি ঘটেছে রোববার ভোরে কামাল খামার গ্রামের ইসলামপুর এলাকায়। এ ঘটনায় পুলিশ ওই দিন বিকালে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে প্রেরণ করেছে।

নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী জানান, উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কামাল খামার গ্রামের ইসলামপুর এলাকার এরশাদুল হকের ছেলে মোজাহিদ হাসান মিলন স্থানীয় কামাল খামার ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থী ছিল। সে রোববার ভোরে শয়ন ঘরের আড়ার সঙ্গে রশিতে ঝুঁলে আত্মহত্যা করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ বিকালে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠায়।

এলাকাবাসী আরও জানান, মিলন এলাকায় সবার কাছে একজন ভালো ছেলে ছিল। সে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ত। ছোটবেলা থেকেই মিলন মা-বাবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দাদির আদর-যত্নে বড় হয়েছে। মিলন যখন ছোট ছিল তখন তার বাবা ও মা বিচ্ছিন্ন হয়ে আলাদাভাবে উভয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন।

মিলন শনিবার বিকালে মা মিনারা বেগমের সঙ্গে দেখা করার জন্য বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের মণ্ডলের হাটে যায়। সেখান থেকে রাতে ফিরে এসে এলাকায় বিভিন্ন দোকানে তার ধারদেনা পরিশোধ করে। এরপর খাওয়া-দাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়ে।

এলাকাবাসীর ধারণা, রোববার ভোরের কোনো এক সময় মিলন ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করে। তবে ঠিক কী কারণে সে আত্মহত্যা করল তা বুঝে উঠতে পারছেন না কেউ।

দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উলিপুর থানার ওসি ইমতিয়াজ কবীর জানান, মরদেহ উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

মায়ের সঙ্গে দেখা করে, ধারদেনা মিটিয়ে মাদ্রাসাছাত্রের আত্মহত্যা

 উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি  
১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ফাঁসিতে ঝুলে মোজাহিদ হাসান মিলন (১৬) নামে এক দাখিল পরীক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। আত্মহত্যা করার আগে সে তার মায়ের সঙ্গে দেখা করে এবং বাজারে গিয়ে তার ধারদেনা মিটিয়ে আসে। 

ঘটনাটি ঘটেছে রোববার ভোরে কামাল খামার গ্রামের ইসলামপুর এলাকায়। এ ঘটনায় পুলিশ ওই দিন বিকালে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে প্রেরণ করেছে। 

নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী জানান, উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কামাল খামার গ্রামের ইসলামপুর এলাকার এরশাদুল হকের ছেলে মোজাহিদ হাসান মিলন স্থানীয় কামাল খামার ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থী ছিল। সে রোববার ভোরে শয়ন ঘরের আড়ার সঙ্গে রশিতে ঝুঁলে আত্মহত্যা করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ বিকালে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠায়। 

এলাকাবাসী আরও জানান, মিলন এলাকায় সবার কাছে একজন ভালো ছেলে ছিল। সে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ত। ছোটবেলা থেকেই মিলন মা-বাবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দাদির আদর-যত্নে বড় হয়েছে। মিলন যখন ছোট ছিল তখন তার বাবা ও মা বিচ্ছিন্ন হয়ে আলাদাভাবে উভয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। 

মিলন শনিবার বিকালে মা মিনারা বেগমের সঙ্গে দেখা করার জন্য বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের মণ্ডলের হাটে যায়। সেখান থেকে রাতে ফিরে এসে এলাকায় বিভিন্ন দোকানে তার ধারদেনা পরিশোধ করে। এরপর খাওয়া-দাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়ে। 

এলাকাবাসীর ধারণা, রোববার ভোরের কোনো এক সময় মিলন ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করে। তবে ঠিক কী কারণে সে আত্মহত্যা করল তা বুঝে উঠতে পারছেন না কেউ। 

দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। 

উলিপুর থানার ওসি ইমতিয়াজ কবীর জানান, মরদেহ উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন