ব্যান্ড বাজিয়ে ছাত্রীদের বরণ, উপস্থিতি ৮০ শতাংশ
jugantor
ব্যান্ড বাজিয়ে ছাত্রীদের বরণ, উপস্থিতি ৮০ শতাংশ

  বগুড়া ব্যুরো  

১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৫৫:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

টানা ১৭ মাস ২৪ দিন পর শিক্ষার্থীদের পাদচারণায় প্রাণ ফিরেছে বগুড়ার বিদ্যালয়গুলোতে। বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ব্যান্ড বাজিয়ে ও ফুল দিয়ে শিক্ষার্থীদের বরণ করা হয়েছে। প্রথম দিনে জেলার স্কুলগুলোতে ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল বলে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে।

বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কাউট দলের সদস্যরা ব্যান্ড বাজিয়ে ও ফুল দিয়ে শিক্ষার্থীদের বরণ করেছে। প্রধান ফটকে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও শরীরে তাপমাত্রা পরীক্ষা করে ঢুকতে দেওয়া হয়। সকাল পৌনে ৮টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর শিক্ষকরা পাঠদান শুরু করেন।

টানা ১৭ মাস ২৪ দিন পর শিক্ষার্থীদের বরণ করতে এ প্রতিষ্ঠানে নানা আয়োজন ছিল। প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খাতুন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে দেন। এ সময় ব্যান্ড দলের সদস্যরা ব্যান্ড বাজিয়ে ও স্কাউটরা করতালি দিয়ে তাদের স্বাগত জানায়।

দুটি ক্লাস শেষে বিদ্যালয় মাঠে সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন- জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হযরত আলী, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মাহবুব মোর্শেদ, প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খাতুন প্রমুখ।

প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খাতুন জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ছাত্রীদের পাঠদানের সকল প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থী অসুস্থ থাকলে তার জন্য আইসোলেশন কক্ষও প্রস্তুত করা হয়।

বগুড়া জিলা স্কুলে সকাল সাড়ে ৭টায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পাঠদান শুরু হয়। প্রবেশ গেটে হ্যান্ড স্যানিটাইজার স্প্রে ও তাপমাত্রা পরিমাপের পর সব শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। প্রধান শিক্ষক শ্যামপদ মুস্তফী শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হযরত আলী জানান, এ জেলায় তালিকাভুক্ত মোট ৮৬২টি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩৯টি, কলেজ ৮২টি, স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২৮টি এবং মাদ্রাসা ৩১৩টি। এর বাহিরেও বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। সব প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মনে পাঠদান নিশ্চিত করতে ১৯ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব নির্দেশনা মানার জন্য তদারকি চলছে। শিক্ষার্থী উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অধিকাংশ বিদ্যালয়ে স্বত:স্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল।

বগুড়ার সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাবেদ আকতার জানান, জেলার ১২ উপজেলায় মোট এক হাজার ৩৩০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এবার সারিয়াকান্দি উপজেলায় ২৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করেছিল। তবে রোববার সকল প্রতিষ্ঠানে পাঠদান হয়েছে। কোথাও কোনো সমস্যা হয়নি। শিক্ষক, অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটি সবার সার্বিক সহযোগিতায় শিক্ষার্থী উপস্থিতি ছিল প্রায় ৮০ শতাংশ।

ব্যান্ড বাজিয়ে ছাত্রীদের বরণ, উপস্থিতি ৮০ শতাংশ

 বগুড়া ব্যুরো 
১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টানা ১৭ মাস ২৪ দিন পর শিক্ষার্থীদের পাদচারণায় প্রাণ ফিরেছে বগুড়ার বিদ্যালয়গুলোতে। বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ব্যান্ড বাজিয়ে ও ফুল দিয়ে শিক্ষার্থীদের বরণ করা হয়েছে। প্রথম দিনে জেলার স্কুলগুলোতে ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল বলে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে।

বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কাউট দলের সদস্যরা ব্যান্ড বাজিয়ে ও ফুল দিয়ে শিক্ষার্থীদের বরণ করেছে। প্রধান ফটকে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও শরীরে তাপমাত্রা পরীক্ষা করে ঢুকতে দেওয়া হয়। সকাল পৌনে ৮টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর শিক্ষকরা পাঠদান শুরু করেন।

টানা ১৭ মাস ২৪ দিন পর শিক্ষার্থীদের বরণ করতে এ প্রতিষ্ঠানে নানা আয়োজন ছিল। প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খাতুন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে দেন। এ সময় ব্যান্ড দলের সদস্যরা ব্যান্ড বাজিয়ে ও স্কাউটরা করতালি দিয়ে তাদের স্বাগত জানায়।

দুটি ক্লাস শেষে বিদ্যালয় মাঠে সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন- জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হযরত আলী, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মাহবুব মোর্শেদ, প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খাতুন প্রমুখ।

প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খাতুন জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ছাত্রীদের পাঠদানের সকল প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থী অসুস্থ থাকলে তার জন্য আইসোলেশন কক্ষও প্রস্তুত করা হয়।

বগুড়া জিলা স্কুলে সকাল সাড়ে ৭টায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পাঠদান শুরু হয়। প্রবেশ গেটে হ্যান্ড স্যানিটাইজার স্প্রে ও তাপমাত্রা পরিমাপের পর সব শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। প্রধান শিক্ষক শ্যামপদ মুস্তফী শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হযরত আলী জানান, এ জেলায় তালিকাভুক্ত মোট ৮৬২টি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩৯টি, কলেজ ৮২টি, স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২৮টি এবং মাদ্রাসা ৩১৩টি। এর বাহিরেও বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। সব প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মনে পাঠদান নিশ্চিত করতে ১৯ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব নির্দেশনা মানার জন্য তদারকি চলছে। শিক্ষার্থী উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অধিকাংশ বিদ্যালয়ে স্বত:স্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল।

বগুড়ার সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাবেদ আকতার জানান, জেলার ১২ উপজেলায় মোট এক হাজার ৩৩০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এবার সারিয়াকান্দি উপজেলায় ২৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করেছিল। তবে রোববার সকল প্রতিষ্ঠানে পাঠদান হয়েছে। কোথাও কোনো সমস্যা হয়নি। শিক্ষক, অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটি সবার সার্বিক সহযোগিতায় শিক্ষার্থী উপস্থিতি ছিল প্রায় ৮০ শতাংশ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন