সাভারে যুগান্তর প্রতিবেদকের ওপর হামলা, ৭ ঘণ্টা বসিয়ে রেখেও মামলা নেয়নি পুলিশ
jugantor
সাভারে যুগান্তর প্রতিবেদকের ওপর হামলা, ৭ ঘণ্টা বসিয়ে রেখেও মামলা নেয়নি পুলিশ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:২৬:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

হামলা

মহাসড়ক দখল করে অবৈধভাবে ফুটপাতে দোকান বসিয়ে চাঁদাবাজির সংবাদ সংগ্রহকালে হামলার শিকার হয়েছেন যুগান্তরের নিজস্ব প্রতিবেদক মতিউর রহমান ভান্ডারী। রোববার দুপুর ১২টার দিকে সাভারের নিউমার্কেটের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক আব্দুল খালেক মোল্লা নামে একজনকে আটক করলেও রহস্যজনক কারণে মামলা নিতে গড়িমসি করছে সাভার থানা পুলিশ। ভুক্তভোগীর অভিযোগ তাকে ৭ ঘণ্টা বসিয়ে রেখেও অবশেষে মামলা গ্রহণ করতে চাননি ওসি।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নিউমার্কেট শপিংমলের সামনে মহাসড়কের জমি দখল করে শতাধিক অস্থায়ী দোকান বসানো হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, এসব দোকান থেকে নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও ম্যানেজার তিনজন মিলে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায় করছেন। রোববার দুপুরে যুগান্তর প্রতিবেদক নিউমার্কেটের সামনে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনার ছবি তুলতে যান।

এ সময় নিউমার্কেট কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মার্কেটের সিকিউরিটি গার্ডসহ একদল দুর্বৃত্ত সাংবাদিক মতিউরের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে তারা সটকে পড়ে। খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আব্দুল খালেক নামে শপিংমলের এক নিরাপত্তাকর্মীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এদিকে খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা ভুক্তভোগী মতিউর রহমানকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসকরা জানান, হামলায় তার বাম কান মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক মতিউর রহমান জানান, ঘটনার পর সাভার মডেল থানা পুলিশ একজনকে আটক করলেও রহস্যজনক কারণে এ ঘটনায় মামলা নিতে গড়িমসি করছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ মামলা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও আমাকে প্রায় ৬-৭ ঘণ্টা বসিয়ে রেখে পরে মামলা নিতে চায়নি।

তবে এ বিষয়ে মার্কেট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য গেলে তাদের পাওয়া যায়নি। এমনকি তাদের মোবাইলও বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে সাভার থানার ওসি কাজী মাঈনুল ইসলাম লিখিত অভিযোগে থাকা মার্কেট কর্তৃপক্ষের নাম কেটে পুনরায় অভিযোগ দিলে মামলা নেওয়া হবে বলে জানান।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আব্দুল্লাহিল কাফি বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি, আমরা অভিযোগটি খতিয়ে দেখছি। মামলা নেওয়া হচ্ছে না তা নয়, অভিযোগে কিছু নাম রয়েছে- সেগুলো পর্যালোচনা করতেই খানিকটা সময় লাগছে।

সাভারে যুগান্তর প্রতিবেদকের ওপর হামলা, ৭ ঘণ্টা বসিয়ে রেখেও মামলা নেয়নি পুলিশ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
হামলা
মতিউর রহমান ভান্ডারী

মহাসড়ক দখল করে অবৈধভাবে ফুটপাতে দোকান বসিয়ে চাঁদাবাজির সংবাদ সংগ্রহকালে হামলার শিকার হয়েছেন যুগান্তরের নিজস্ব প্রতিবেদক মতিউর রহমান ভান্ডারী। রোববার দুপুর ১২টার দিকে সাভারের নিউমার্কেটের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। 

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক আব্দুল খালেক মোল্লা নামে একজনকে আটক করলেও রহস্যজনক কারণে মামলা নিতে গড়িমসি করছে সাভার থানা পুলিশ। ভুক্তভোগীর অভিযোগ তাকে ৭ ঘণ্টা বসিয়ে রেখেও অবশেষে মামলা গ্রহণ করতে চাননি ওসি।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নিউমার্কেট শপিংমলের সামনে মহাসড়কের জমি দখল করে শতাধিক অস্থায়ী দোকান বসানো হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, এসব দোকান থেকে নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও ম্যানেজার তিনজন মিলে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায় করছেন। রোববার দুপুরে যুগান্তর প্রতিবেদক নিউমার্কেটের সামনে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনার ছবি তুলতে যান। 

এ সময় নিউমার্কেট কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মার্কেটের সিকিউরিটি গার্ডসহ একদল দুর্বৃত্ত সাংবাদিক মতিউরের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে তারা সটকে পড়ে। খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আব্দুল খালেক নামে শপিংমলের এক নিরাপত্তাকর্মীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এদিকে খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা ভুক্তভোগী মতিউর রহমানকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসকরা জানান, হামলায় তার বাম কান মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক মতিউর রহমান জানান, ঘটনার পর সাভার মডেল থানা পুলিশ একজনকে আটক করলেও রহস্যজনক কারণে এ ঘটনায় মামলা নিতে গড়িমসি করছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ মামলা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও আমাকে প্রায় ৬-৭ ঘণ্টা বসিয়ে রেখে পরে মামলা নিতে চায়নি।

তবে এ বিষয়ে মার্কেট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য গেলে তাদের পাওয়া যায়নি। এমনকি তাদের মোবাইলও বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে সাভার থানার ওসি কাজী মাঈনুল ইসলাম লিখিত অভিযোগে থাকা মার্কেট কর্তৃপক্ষের নাম কেটে পুনরায় অভিযোগ দিলে মামলা নেওয়া হবে বলে জানান।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আব্দুল্লাহিল কাফি বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি, আমরা অভিযোগটি খতিয়ে দেখছি। মামলা নেওয়া হচ্ছে না তা নয়, অভিযোগে কিছু নাম রয়েছে- সেগুলো পর্যালোচনা করতেই খানিকটা সময় লাগছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন