৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলো ২০ কেজির বাগাড়
jugantor
৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলো ২০ কেজির বাগাড়

  ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:৪৮:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

বাগাড় মাছ

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় মৎস্য আড়তে বিশালাকারের একটি বাগাড় মাছ দেখা গেছে। মাছটির ওজন ২০ কেজি। ১৭ ভাগায় মাছটি ৭৫০ টাকা কেজি দরে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

রোববার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ জেলার আজমেরীগঞ্জের পাহাড়পুর এলাকার ধনুনদী থেকে মাছটি ওই জেলেরা ধরেছেন। পরে পাইকাররা তাদের কাছ থেকে কিনে বিক্রির জন্য ভৈরবের পলতাকান্দা সেবা মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন। বিশাল আকৃতির বাগাড় মাছটি দেখতে মৎস্য আড়তে উৎসুক জনতা ভিড় করছেন।

জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ জেলার আজমেরীগঞ্জের পাহাড়পুর এলাকা থেকে পাইকাররা বিক্রির জন্য ভৈরবের পলতাকান্দা সেবা মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন। পরে মৎস্য আড়ত থেকে স্থানীয় মাছ বিক্রেতা মো. ফারুক মিয়া ২০ কেজির ওজনের মাছটি বিক্রির জন্য কিনে নেন।

তবে মাছ বাজারে ওই বিশাল আকারের মাছটি বিক্রির জন্য তেমন কোনো গ্রাহক পাওয়া যায়নি। পরে রাত ৮টায় মাছটি কেটে ১৭ ভাগ করে স্থানীয়দের কাছে বিক্রি করেন। মাছটি প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। ২০ কেজি ওজনের মাছটি ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে জানা যায়।

পাইকারি মাছ বিক্রেতা মো. ফারুক জানান, ২০ কেজি ওজনের বাগাড় মাছটি বিক্রির জন্য কোনো কাস্টমার পাওয়া যাচ্ছিল না। সে জন্য মাছটি ১৭ ভাগা করে স্থানীয় ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করেছি। প্রতিটি ভাগা ৭৫০ টাকা করে বিক্রি করা হয়েছে।

এ ছাড়া মাছটির মাথা ও লেজ আলাদাভাবে বিক্রি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ১৫ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

পাহাড়পুর এলাকার পাইকারি মাছ বিক্রেতা ও নৌকার মাঝি আলমাস মিয়া বলেন, মেঘনা নদীতে প্রতিনিয়তই বিভিন্ন রকমের বড় মাছ জেলেদের জালে ধরা পড়ে। সেসব জেলেদের কাছ থেকে মাছ ক্রয় করে ভৈরবের মৎস্য আড়তে নিয়ে আসি।

৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলো ২০ কেজির বাগাড়

 ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাগাড় মাছ
ছবি: যুগান্তর

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় মৎস্য আড়তে বিশালাকারের একটি বাগাড় মাছ দেখা গেছে। মাছটির ওজন ২০ কেজি। ১৭ ভাগায় মাছটি ৭৫০ টাকা কেজি দরে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। 

রোববার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ জেলার আজমেরীগঞ্জের পাহাড়পুর এলাকার ধনুনদী থেকে মাছটি ওই জেলেরা ধরেছেন। পরে পাইকাররা তাদের কাছ থেকে কিনে বিক্রির জন্য ভৈরবের পলতাকান্দা সেবা মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন। বিশাল আকৃতির বাগাড় মাছটি দেখতে মৎস্য আড়তে উৎসুক জনতা ভিড় করছেন।  

জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ জেলার আজমেরীগঞ্জের পাহাড়পুর এলাকা থেকে পাইকাররা বিক্রির জন্য ভৈরবের পলতাকান্দা সেবা মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন। পরে মৎস্য আড়ত থেকে স্থানীয় মাছ বিক্রেতা মো. ফারুক মিয়া ২০ কেজির ওজনের মাছটি বিক্রির জন্য কিনে নেন। 

তবে মাছ বাজারে ওই বিশাল আকারের মাছটি বিক্রির জন্য তেমন কোনো গ্রাহক পাওয়া যায়নি। পরে রাত ৮টায় মাছটি কেটে ১৭ ভাগ করে স্থানীয়দের কাছে বিক্রি করেন। মাছটি প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। ২০ কেজি ওজনের মাছটি ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে জানা যায়। 

পাইকারি মাছ বিক্রেতা মো. ফারুক জানান, ২০ কেজি ওজনের বাগাড় মাছটি বিক্রির জন্য কোনো কাস্টমার পাওয়া যাচ্ছিল না। সে জন্য মাছটি ১৭ ভাগা করে স্থানীয় ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করেছি। প্রতিটি ভাগা ৭৫০ টাকা করে বিক্রি করা হয়েছে। 

এ ছাড়া মাছটির মাথা ও লেজ আলাদাভাবে বিক্রি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ১৫ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি করা হয়েছে বলে তিনি জানান। 

পাহাড়পুর এলাকার পাইকারি মাছ বিক্রেতা ও নৌকার মাঝি আলমাস মিয়া বলেন, মেঘনা নদীতে প্রতিনিয়তই বিভিন্ন রকমের বড় মাছ জেলেদের জালে ধরা পড়ে। সেসব জেলেদের কাছ থেকে মাছ ক্রয় করে ভৈরবের মৎস্য আড়তে নিয়ে আসি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন