যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশে দৃষ্টি ফিরে পেল ইয়াসিন
jugantor
যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশে দৃষ্টি ফিরে পেল ইয়াসিন

  গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৩৪:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

রঙিন এ পৃথিবী দেখতে পাচ্ছেন ইয়াসিন। কৃতজ্ঞতা জানাতে সোমবার ময়মনসিংহের গৌরীপুর যুগান্তর স্বজন সমাবেশ কার্যালয়ে আসেন ইয়াসিন। সঙ্গে ছিলেন তার বাবা-মা।

দৈনিক যুগান্তরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তার বাবা আবুল বাসার বলেন, আপনারা না লেখলে আমার সন্তান কানা হয়ে যেত, সেই লেখা দেখে সুমন সাহেবের দয়া হয়। ইয়াসিন ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বোকাইনগর ইউনিয়নের ইয়ারপুর গ্রামের আবুল বাসারের পুত্র।

দৈনিক যুগান্তরের প্রিন্ট সংস্করণে ২ মার্চ প্রকাশিত হয় ‘দেড় লাখ টাকা হলে দৃষ্টি ফিরে পাবে ইয়াসিন’ প্রতিবেদনটি। ওই দিনই যমুনা গ্রুপে চাকরি করেন একজন মহতী মানুষ এই প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলেন। ওই দিন বিকালে মুঠোফোনে ইয়াসিনের বাবা আবুল বাসারের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা শেষে অপারেশনের পুরো খরচ তিনি বহন করেন।

বাংলাদেশ আই হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. ফারহাত জাহান ইয়াসিনের চোখের কর্ণিয়া সংস্থাপন করেন।

তিনি বলেন, চোখটা ছিদ্র হয়ে গিয়েছিল। অত্যন্ত জটিল অপারেশন। তাকে আরও তিন থেকে চার বছর পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে। তিনি এ সময় দেশের সব মানুষকে স্বেচ্ছায় কর্ণিয়া দানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মৃত্যুর পর দানকৃত চোখ আরেকটি মানুষের অন্ধত্ব দূর করে। তাই রক্তের ন্যায় প্রত্যেককে কর্ণিয়া দানেও এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

দৈনিক যুগান্তরকে কৃতজ্ঞতা জানাতে গিয়ে ইয়াসিনের মা ফাতেমা আক্তার আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। দুই চোখের জল বারবার আঁচলে মুছেন তিনি।

আবুল বাসার বলেন, ছেলের চোখ দেখে মানুষ ভয় পেত। চোখের মাংসপিণ্ড বাহিরে বেরিয়ে এসেছিল, অনিশ্চয়তা আর অস্থিরতায় দিন কাটছিল। দৈনিক যুগান্তরের এ সংবাদ আমার ছেলের অন্ধত্ব দূর করে দিয়েছে। এখন প্রতি মাসে শুধু ওষুধের খরচ ও ঢাকার যাতায়ত খরচ আমার খুব প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, গত ঈদুল ফিতরের দিন খেলতে গিয়ে কঞ্চির আঘাত লাগে ইয়াসিনের চোখে। কঞ্চির আঘাতে নষ্ট হয়ে যায় তার বাঁ-চোখের কর্ণিয়া।

যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশে দৃষ্টি ফিরে পেল ইয়াসিন

 গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রঙিন এ পৃথিবী দেখতে পাচ্ছেন ইয়াসিন। কৃতজ্ঞতা জানাতে সোমবার ময়মনসিংহের গৌরীপুর যুগান্তর স্বজন সমাবেশ কার্যালয়ে আসেন ইয়াসিন। সঙ্গে ছিলেন তার বাবা-মা। 

দৈনিক যুগান্তরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তার বাবা আবুল বাসার বলেন, আপনারা না লেখলে আমার সন্তান কানা হয়ে যেত, সেই লেখা দেখে সুমন সাহেবের দয়া হয়। ইয়াসিন ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বোকাইনগর ইউনিয়নের ইয়ারপুর গ্রামের আবুল বাসারের পুত্র।

দৈনিক যুগান্তরের প্রিন্ট সংস্করণে ২ মার্চ প্রকাশিত হয় ‘দেড় লাখ টাকা হলে দৃষ্টি ফিরে পাবে ইয়াসিন’ প্রতিবেদনটি। ওই দিনই যমুনা গ্রুপে চাকরি করেন একজন মহতী মানুষ এই প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলেন। ওই দিন বিকালে মুঠোফোনে ইয়াসিনের বাবা আবুল বাসারের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা শেষে অপারেশনের পুরো খরচ তিনি বহন করেন। 

বাংলাদেশ আই হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. ফারহাত জাহান ইয়াসিনের চোখের কর্ণিয়া সংস্থাপন করেন। 

তিনি বলেন, চোখটা ছিদ্র হয়ে গিয়েছিল। অত্যন্ত জটিল অপারেশন। তাকে আরও তিন থেকে চার বছর পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে। তিনি এ সময় দেশের সব মানুষকে স্বেচ্ছায় কর্ণিয়া দানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মৃত্যুর পর দানকৃত চোখ আরেকটি মানুষের অন্ধত্ব দূর করে। তাই রক্তের ন্যায় প্রত্যেককে কর্ণিয়া দানেও এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

দৈনিক যুগান্তরকে কৃতজ্ঞতা জানাতে গিয়ে ইয়াসিনের মা ফাতেমা আক্তার আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। দুই চোখের জল বারবার আঁচলে মুছেন তিনি। 

আবুল বাসার বলেন, ছেলের চোখ দেখে মানুষ ভয় পেত। চোখের মাংসপিণ্ড বাহিরে বেরিয়ে এসেছিল, অনিশ্চয়তা আর অস্থিরতায় দিন কাটছিল। দৈনিক যুগান্তরের এ সংবাদ আমার ছেলের অন্ধত্ব দূর করে দিয়েছে। এখন প্রতি মাসে শুধু ওষুধের খরচ ও ঢাকার যাতায়ত খরচ আমার খুব প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, গত ঈদুল ফিতরের দিন খেলতে গিয়ে কঞ্চির আঘাত লাগে ইয়াসিনের চোখে। কঞ্চির আঘাতে নষ্ট হয়ে যায় তার বাঁ-চোখের কর্ণিয়া।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন