ধর্ষণে প্রতিবন্ধী কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা, ‘গর্ভপাতে’ মৃত্যু
jugantor
ধর্ষণে প্রতিবন্ধী কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা, ‘গর্ভপাতে’ মৃত্যু

  ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:২৩:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জেরভৈরবে অন্তঃসত্ত্বা কল্পনা (১৫) (বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী) নামে এক কিশোরীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে ময়মনসিংহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভুক্তভোগী কল্পনার মৃত্যু ঘটে।

গর্ভপাতের সময় সে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে মারা যায় বলে জানা গেছে। রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

ওই কিশোরী পৌর শহরের আমলাপাড়া এলাকার মোশারফ মিয়ার কন্যা।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, আমলাপাড়া গ্রামের মোশারফ মিয়ার মেয়ে কল্পনা একই এলাকার ছগির মিয়ার বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতো। অভিযুক্ত আশিক মিয়াও তার মা-ভাইদের নিয়ে এ বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকতো। আসা যাওয়ার সুবাদে আশিক ও কল্পনার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। তারপর তাদের মাঝে গড়ে উঠে শারীরিক সম্পর্ক।

গত ২০২০ সালের ৫ ডিসেম্বর রাত ৮টার দিকে আশিক মিয়া বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরী কল্পনাকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় শারীরিকভাবে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যায়। বিভিন্ন পরীক্ষা শেষে কল্পনা অন্তঃসত্ত্বার প্রমাণ মিলে। পরে বিষয়টি আশিকের পরিবারকে জানান কল্পনার বাবা।

আশিকের পরিবার ঘটনার পর থেকে কিশোরীর পরিবারকে বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি দেখাতে থাকে। বিচার না পেয়ে ভুক্তভোগী কল্পনা বাদী হয়ে ভৈরব থানায় নারী ও শিশু দমন নির্যাতন আইনে মামলা করে।

অভিযুক্ত করা হয় আশিক (১৯), তার বড়ভাই নূরুল আমিন (২৫) ও মা আসমা বেগমকে (৪৫)। মামলা দায়েরের পর পুলিশ ২নং আসামিকে গ্রেফতার করে কিশোরগঞ্জ জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

এ ঘটনায় মামলার ২০ দিন পার না হতেই আবারো অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় ময়মনসিংহ সদর হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোরে কল্পনা হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে অভিযুক্ত আশিকের পরিবারের লোকজন বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে ভৈরব থানার ওসি মো.শাহিন জানান, কিছুদিন পূর্বে থানায় ধর্ষণের অভিযোগে এক নারী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছিল। এ মামলায় অভিযুক্ত একজন আসামিকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

তিনি বলেন, পরে জানতে পারি ভিকটিম গর্ভপাতের সময় মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে মারা যায়। তার গর্ভের বাচ্চার ডিএনএ পরীক্ষা করার জন্য কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেই রিপোর্টে জানা যাবে অভিযুক্ত আশিক দোষী কিনা।

ধর্ষণে প্রতিবন্ধী কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা, ‘গর্ভপাতে’ মৃত্যু

 ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে অন্তঃসত্ত্বা কল্পনা (১৫) (বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী) নামে এক কিশোরীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে ময়মনসিংহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভুক্তভোগী কল্পনার মৃত্যু ঘটে।

গর্ভপাতের সময় সে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে মারা যায় বলে জানা গেছে। রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। 

ওই কিশোরী পৌর শহরের আমলাপাড়া এলাকার মোশারফ মিয়ার কন্যা। 

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, আমলাপাড়া গ্রামের মোশারফ মিয়ার মেয়ে কল্পনা একই এলাকার ছগির মিয়ার বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতো। অভিযুক্ত আশিক মিয়াও তার মা-ভাইদের নিয়ে এ বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকতো। আসা যাওয়ার সুবাদে আশিক ও কল্পনার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। তারপর তাদের মাঝে গড়ে উঠে শারীরিক সম্পর্ক।

গত ২০২০ সালের ৫ ডিসেম্বর রাত ৮টার দিকে আশিক মিয়া বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরী কল্পনাকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় শারীরিকভাবে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যায়। বিভিন্ন পরীক্ষা শেষে কল্পনা অন্তঃসত্ত্বার প্রমাণ মিলে। পরে বিষয়টি আশিকের পরিবারকে জানান কল্পনার বাবা।

আশিকের পরিবার ঘটনার পর থেকে কিশোরীর পরিবারকে বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি দেখাতে থাকে। বিচার না পেয়ে ভুক্তভোগী কল্পনা বাদী হয়ে ভৈরব থানায় নারী ও শিশু দমন নির্যাতন আইনে মামলা করে।

অভিযুক্ত করা হয় আশিক (১৯), তার বড়ভাই নূরুল আমিন (২৫) ও মা আসমা বেগমকে (৪৫)। মামলা দায়েরের পর পুলিশ ২নং আসামিকে গ্রেফতার করে কিশোরগঞ্জ জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

এ ঘটনায় মামলার ২০ দিন পার না হতেই আবারো অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় ময়মনসিংহ সদর হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোরে কল্পনা হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে অভিযুক্ত আশিকের পরিবারের লোকজন বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে বলে জানা যায়। 

এ বিষয়ে ভৈরব থানার ওসি মো.শাহিন জানান, কিছুদিন পূর্বে থানায় ধর্ষণের অভিযোগে এক নারী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছিল। এ মামলায় অভিযুক্ত একজন আসামিকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

তিনি বলেন, পরে জানতে পারি ভিকটিম গর্ভপাতের সময় মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে মারা যায়। তার গর্ভের বাচ্চার ডিএনএ পরীক্ষা করার জন্য কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেই রিপোর্টে জানা যাবে অভিযুক্ত আশিক দোষী কিনা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন