কাদাপানি মাড়িয়ে গাছ তলায় ক্লাস
jugantor
কাদাপানি মাড়িয়ে গাছ তলায় ক্লাস

  বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি  

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:০৩:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

গাছতলায় মাটিতে মাদুর বিছিয়ে ক্লাস

করোনায় ৫৪৪ দিন বন্ধ রাখার পর রোববার প্রথম শ্রেণি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ দিন পর স্কুলে গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের গাছ তলায় ক্লাস করতে হচ্ছে।

সূত্র জানায়, গত বছর রাজশাহীর বাঘায় পদ্মার চরে লক্ষীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে যায়। তারপর স্কুলটি অন্যস্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। চলতি বছর পদ্মায় পানি বৃদ্ধির কারণে বিদ্যালয়টির শ্রেণী কক্ষে পানি প্রবেশ করে।

মঙ্গলবার সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের গাছতলায় মাটিতে মাদুর বিছিয়ে ক্লাস করতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে লক্ষীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবর রহমান বলেন, উপজেলার পদ্মার মধ্যে চকরাজাপুর ইউনিয়নের ৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এরমধ্যে আমার বিদ্যালয়টি নিয়ে খুবই কষ্টে আছি। ভাঙনের পর শুরু হলো করোনা। তার পর আবার পদ্মার পানি বৃদ্ধি। পানি কমে গেলেও কাদায় পরিপূর্ণ শ্রেণীকক্ষ। তাই দীর্ঘদিন পরে স্কুল খুললেও শ্রেণীকক্ষে ক্লাস নেওয়া সম্ভব হয়নি। বাধ্য হয়ে গাছ তলায় ক্লাস নিতে হয়েছে।

চকরাজাপুরের আরেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুজিবুর রহমান বলেন, পদ্মার পানি বৃদ্ধির পর স্কুল খোলার একদিন আগে পানি নেমে যায়। তারপরও জমে থাকা কাদাপানি সরিয়ে ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

উপজেলার সহকারী শিক্ষা অফিসার দিলরুবা ইয়াসমিন বলেন, পদ্মার চরে ৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে চৌমাদিয়া ও ফতেপুর পলাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চারিদিকে পানি। তাই কোমলমতি শিশুদের ঝুঁকি না নিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে বলা হয়েছে।

কাদাপানি মাড়িয়ে গাছ তলায় ক্লাস

 বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি 
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
গাছতলায় মাটিতে মাদুর বিছিয়ে ক্লাস
গাছতলায় মাটিতে মাদুর বিছিয়ে ক্লাস করছে কোমলমতি শিশুরা। ছবি: যুগান্তর

করোনায় ৫৪৪ দিন বন্ধ রাখার পর রোববার প্রথম শ্রেণি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ দিন পর স্কুলে গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের গাছ তলায় ক্লাস করতে হচ্ছে।

সূত্র জানায়, গত বছর রাজশাহীর বাঘায় পদ্মার চরে লক্ষীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে যায়। তারপর স্কুলটি অন্যস্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। চলতি বছর পদ্মায় পানি বৃদ্ধির কারণে বিদ্যালয়টির শ্রেণী কক্ষে পানি প্রবেশ করে।

মঙ্গলবার সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের গাছতলায় মাটিতে মাদুর বিছিয়ে ক্লাস করতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে লক্ষীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবর রহমান বলেন, উপজেলার পদ্মার মধ্যে চকরাজাপুর ইউনিয়নের ৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এরমধ্যে আমার বিদ্যালয়টি নিয়ে খুবই কষ্টে আছি। ভাঙনের পর শুরু হলো করোনা। তার পর আবার পদ্মার পানি বৃদ্ধি। পানি কমে গেলেও কাদায় পরিপূর্ণ শ্রেণীকক্ষ। তাই দীর্ঘদিন পরে স্কুল খুললেও শ্রেণীকক্ষে ক্লাস নেওয়া সম্ভব হয়নি। বাধ্য হয়ে গাছ তলায় ক্লাস নিতে হয়েছে।

চকরাজাপুরের আরেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুজিবুর রহমান বলেন, পদ্মার পানি বৃদ্ধির পর স্কুল খোলার একদিন আগে পানি নেমে যায়। তারপরও জমে থাকা কাদাপানি সরিয়ে ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

উপজেলার সহকারী শিক্ষা অফিসার দিলরুবা ইয়াসমিন বলেন, পদ্মার চরে ৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে চৌমাদিয়া ও ফতেপুর পলাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চারিদিকে পানি। তাই কোমলমতি শিশুদের ঝুঁকি না নিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে বলা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন