প্রেমে ব্যর্থ হয়ে অ্যাসিডে ছাত্রী হত্যা, অপুর আমৃত্যু যাবজ্জীবন
jugantor
প্রেমে ব্যর্থ হয়ে অ্যাসিডে ছাত্রী হত্যা, অপুর আমৃত্যু যাবজ্জীবন

  ভোলা প্রতিনিধি  

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০৮:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলায় প্রেমে ব্যর্থ হয়ে অ্যাসিড নিক্ষেপে সদ্য এসএসসি পাশ করা ছাত্রী তানজিম আক্তার মালাকে হত্যা ও ছোটবোন মারজিয়াকে দগ্ধ করার অপরাধে মহব্বত হাওলাদারকে (অপু) আমৃত্যু যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থ দণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার বিকালে চাঞ্চল্যকর ওই মামলার রায় দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ নুরুল আলম মোহাম্মদ নিপু।

মামলার আদেশ ও বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৮ সালের ১৪ মে রাত ২টা ১০ মিনিটের দিকে মহব্বত হাওলাদার অপু অ্যাসিড নিক্ষেপ করলে মালা ও তার বোন মারজিয়ার গলা-মুখসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ দগ্ধ হয়। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় মালা।

এদিকে আসামি মহব্বত হাওলাদার ঘটনা স্বীকার করে আদালতকে জানায়, আব্দুল মান্নান মিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১৮ সালে এসএসসি পাশ করা মালার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে তাকে পাশ কাটিয়ে অন্য ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করায় ক্ষিপ্ত হয়ে সে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে।

এদিকে রায়ে বিচারক উল্লেখ করেন, যেহেতু আসামি ছাত্র। তাই মৃত্যুদণ্ডাদেশ না দিয়ে মালা হত্যার জন্য আসামিকে আমৃত্যু যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ ও ৭৫ হাজার টাকা অর্থ দণ্ডাদেশ দেয়া হয়। অপরদিকে চরম যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকা মারজিয়ার গলা, বামপাশ, মাথা, ঘাড়, পা দগ্ধ হয়েছে- এজন্য আসামিকে সর্বোচ্চ সাজা ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

আসামি মহব্বত হাওলাদারের বাড়ি জেলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বালিয়া গ্রামে। তার পিতার নাম মানিক হাওলাদার। সে ভোলা সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল।

প্রেমে ব্যর্থ হয়ে অ্যাসিডে ছাত্রী হত্যা, অপুর আমৃত্যু যাবজ্জীবন

 ভোলা প্রতিনিধি 
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলায় প্রেমে ব্যর্থ হয়ে অ্যাসিড নিক্ষেপে সদ্য এসএসসি পাশ করা ছাত্রী তানজিম আক্তার মালাকে হত্যা ও ছোটবোন মারজিয়াকে দগ্ধ করার অপরাধে মহব্বত হাওলাদারকে (অপু) আমৃত্যু যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থ দণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার বিকালে চাঞ্চল্যকর ওই মামলার রায় দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ নুরুল আলম মোহাম্মদ নিপু।

মামলার আদেশ ও বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৮ সালের ১৪ মে রাত ২টা ১০ মিনিটের দিকে মহব্বত হাওলাদার অপু অ্যাসিড নিক্ষেপ করলে মালা ও তার বোন মারজিয়ার গলা-মুখসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ দগ্ধ হয়। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় মালা।

এদিকে আসামি মহব্বত হাওলাদার ঘটনা স্বীকার করে আদালতকে জানায়, আব্দুল মান্নান মিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১৮ সালে এসএসসি পাশ করা মালার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে তাকে পাশ কাটিয়ে অন্য ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করায় ক্ষিপ্ত হয়ে সে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে।

এদিকে রায়ে বিচারক উল্লেখ করেন, যেহেতু আসামি ছাত্র। তাই মৃত্যুদণ্ডাদেশ না দিয়ে মালা হত্যার জন্য আসামিকে আমৃত্যু যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ ও ৭৫ হাজার টাকা অর্থ দণ্ডাদেশ দেয়া হয়। অপরদিকে চরম যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকা মারজিয়ার গলা, বামপাশ, মাথা, ঘাড়, পা দগ্ধ হয়েছে- এজন্য আসামিকে সর্বোচ্চ সাজা ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

আসামি মহব্বত হাওলাদারের বাড়ি জেলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বালিয়া গ্রামে। তার পিতার নাম মানিক হাওলাদার। সে ভোলা সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন