যুবককে হাতুড়ি পেটা, ২৪ ঘণ্টায়ও জ্ঞান ফেরেনি
jugantor
যুবককে হাতুড়ি পেটা, ২৪ ঘণ্টায়ও জ্ঞান ফেরেনি

  গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:০৭:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

মারধর হামলা

মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়ার ইসমানির চর এলাকায় এক যুবককে হাতুড়ি পেটা করে হাত, পায়ের গিরাসহ সমস্ত শরীর থেঁতলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার যুবক সাজিদুল ইসলাম মীম (২২)। তিনি ইসমানিরচরের আব্দুল সাত্তারের ছেলে।

হামলায় প্রধান অভিযুক্ত সংগ্রাম মোল্লা এলাকার মৃত বাসেত মোল্লার ছেলে।

সূত্র জানায়, হামলার শিকার সাজিদুল ইসলাম মীমকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে পঙ্গু হাসপাতাল ও পরে সেখান থেকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। এখনো তার জ্ঞান ফেরেনি।

এদিকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি।

সূত্র জানায়, সাজিদুল ইসলাম মীম অতীতে একটিহত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন। ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের সঙ্গে সম্প্রতিতার অজ্ঞাত বিষয় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

এর জেরে বুধবার সংগ্রাম মোল্লার নেতৃত্বে ৮-১০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল সাজিদুল ইসলাম মীমকে ডেকে নিয়ে স্কুলের একটি কক্ষে আটকিয়ে হাতুড়ি পেটা করেন।

হামলার শিকার মীমের বড় ভাই তসলিম বলেন, মীমকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে। মারধরে তার একটি হাত ও পায়ের হাঁটুর বাটি ভেঙে গেছে। সংগ্রাম মোল্লার (৩০) নেতৃত্বে এই হামলা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সংগ্রাম মোল্লার বক্তব্য জানতেতার মোবাইল ফোনে একাধিকবারকল করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রইছ উদ্দিন বলেন, ঘটনা জেনেছি এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এখনো লিখিত অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুবককে হাতুড়ি পেটা, ২৪ ঘণ্টায়ও জ্ঞান ফেরেনি

 গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মারধর হামলা
সাজিদুল ইসলাম মীম

মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়ার ইসমানির চর এলাকায় এক যুবককে হাতুড়ি পেটা করে হাত, পায়ের গিরাসহ সমস্ত শরীর থেঁতলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার যুবক সাজিদুল ইসলাম মীম (২২)। তিনি ইসমানিরচরের আব্দুল সাত্তারের ছেলে।

হামলায় প্রধান অভিযুক্ত সংগ্রাম মোল্লা এলাকার মৃত বাসেত মোল্লার ছেলে।

সূত্র জানায়, হামলার শিকার সাজিদুল ইসলাম মীমকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে পঙ্গু হাসপাতাল ও পরে সেখান থেকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। এখনো তার জ্ঞান ফেরেনি।

এদিকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি।

সূত্র জানায়, সাজিদুল ইসলাম মীম অতীতে একটি হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন। ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের সঙ্গে সম্প্রতি তার অজ্ঞাত বিষয় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

এর জেরে বুধবার সংগ্রাম মোল্লার নেতৃত্বে ৮-১০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল সাজিদুল ইসলাম মীমকে ডেকে নিয়ে স্কুলের একটি কক্ষে আটকিয়ে হাতুড়ি পেটা করেন।

হামলার শিকার মীমের বড় ভাই তসলিম বলেন, মীমকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে। মারধরে তার একটি হাত ও পায়ের হাঁটুর বাটি ভেঙে গেছে। সংগ্রাম মোল্লার (৩০) নেতৃত্বে এই হামলা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সংগ্রাম মোল্লার বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। 

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রইছ উদ্দিন বলেন, ঘটনা জেনেছি এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এখনো লিখিত অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন