বাইরে থেকে ঘরে এসেই ফাঁস দিলেন বাবুল
jugantor
বাইরে থেকে ঘরে এসেই ফাঁস দিলেন বাবুল

  ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি  

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:২৯:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রতিদিন কাজের উদ্দেশ্যে সকাল ৮টার দিকে বের হন বাবুল মিয়া। ফিরে আসেন সন্ধ্যায়। বৃহস্পতিবার বাবুল মিয়া ঘর থেকে বের হন সকাল ৬টায়। কিন্তু ঠিক এক ঘণ্টা পর ফিরে আসেন। এসেই সবার অলক্ষ্যে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

যদিও দুই দিন আগে তার পরিবারের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। যার জন্য তিনি বিচারপ্রার্থী ছিলেন। স্থানীয়দের ধারণা বিচার না পাওয়ায় মনের কষ্টে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন তিনি। ঘটনাটি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার।

জানা গেছে, উপজেলার ১৪নং ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের মধ্যপোঁয়া গ্রামের মৃত মুখলেছুর রহমানের ছেলে বাবুল মিয়া (৪৫) পেশায় একজন নির্মাণ শ্রমিক।

বাবুল মিয়া বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে নাস্তা করে বাড়ির বাহিরে গিয়ে আবার এক ঘণ্টা পর ৭টার দিকে বাড়িতে ফিরে এসে নিজে ঘরে ঢুকে পড়েন। এ সময় তার স্ত্রী ও মেয়েরাসহ বাড়ির অন্য কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিছুক্ষণ পর ঘরের মধ্যে ঢুকে আড়ার সঙ্গে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায় বড় মেয়ে মাধ্যমিক স্কুলে পড়ুয়া রিমা আক্তার। সে তার বাবার লাশটি ছোট বোনের সহায়তায় মাটিতে নামায়। এ সময় তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেন।

জানা গেছে, গত দুই দিন পূর্বে বাবুল মিয়ার সঙ্গে তার বাড়ির অন্য সদস্যদের ঝগড়া হয়। এ নিয়ে বাবুল মিয়াকে তার স্ত্রী মেয়ের সামনেই মারধর করা হয়। এ ব্যাপারে বুধবার বাবুল মিয়া ফরিদগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এছাড়া স্থানীয়ভাবেও বিষয়টি নিয়ে বিচারের দাবিতে বিভিন্নজনের দ্বারস্থ হন।

বাবুল মিয়ার মেয়ে রিমা আক্তার জানান, তার বাবা প্রতিদিন কাজের উদ্দেশ্যে সকাল ৮টার দিকে বের হলেও বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে নাস্তা করে বাড়ির বাহিরে গিয়ে আবার এক ঘণ্টা পর ৭টার দিকে বাড়িতে ফিরে এসে নিজে ঘরে ঢুকে পড়েন। এরপর তাকে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলতে দেখে সে।

তবে সকালে বাবুল মিয়া বাড়ির বাহিরে যাওয়ার পর তার সঙ্গে এমন কী ঘটেছিল- সে দ্রুত বাড়িতে ফিরে আত্মহননের পথ বেঁছে নেয়, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মোস্তফা কামাল জানান, বাবুল মিয়ার সঙ্গে নাকি তাদের বাড়ির কোনো পরিবারের সদস্যের মারামারি হয়েছে, এ বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে এসে এ তথ্য জানতে পেরেছি। তবে কোনোপক্ষই আমার কাছে বিচারের জন্য যায়নি।

ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শহীদ হোসেন জানান, মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

বাইরে থেকে ঘরে এসেই ফাঁস দিলেন বাবুল

 ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি 
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রতিদিন কাজের উদ্দেশ্যে সকাল ৮টার দিকে বের হন বাবুল মিয়া। ফিরে আসেন সন্ধ্যায়। বৃহস্পতিবার বাবুল মিয়া ঘর থেকে বের হন সকাল ৬টায়। কিন্তু ঠিক এক ঘণ্টা পর ফিরে আসেন। এসেই সবার অলক্ষ্যে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

যদিও দুই দিন আগে তার পরিবারের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। যার জন্য তিনি বিচারপ্রার্থী ছিলেন। স্থানীয়দের ধারণা বিচার না পাওয়ায় মনের কষ্টে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন তিনি। ঘটনাটি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার।

জানা গেছে, উপজেলার ১৪নং ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের মধ্যপোঁয়া গ্রামের মৃত মুখলেছুর রহমানের ছেলে বাবুল মিয়া (৪৫) পেশায় একজন নির্মাণ শ্রমিক।

বাবুল মিয়া বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে নাস্তা করে বাড়ির বাহিরে গিয়ে আবার এক ঘণ্টা পর ৭টার দিকে বাড়িতে ফিরে এসে নিজে ঘরে ঢুকে পড়েন। এ সময় তার স্ত্রী ও মেয়েরাসহ বাড়ির অন্য কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিছুক্ষণ পর ঘরের মধ্যে ঢুকে আড়ার সঙ্গে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায় বড় মেয়ে মাধ্যমিক স্কুলে পড়ুয়া রিমা আক্তার। সে তার বাবার লাশটি ছোট বোনের সহায়তায় মাটিতে নামায়। এ সময় তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেন।

জানা গেছে, গত দুই দিন পূর্বে বাবুল মিয়ার সঙ্গে তার বাড়ির অন্য সদস্যদের ঝগড়া হয়। এ নিয়ে বাবুল মিয়াকে তার স্ত্রী মেয়ের সামনেই মারধর করা হয়। এ ব্যাপারে বুধবার বাবুল মিয়া ফরিদগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এছাড়া স্থানীয়ভাবেও বিষয়টি নিয়ে বিচারের দাবিতে বিভিন্নজনের দ্বারস্থ হন।

বাবুল মিয়ার মেয়ে রিমা আক্তার জানান, তার বাবা প্রতিদিন কাজের উদ্দেশ্যে সকাল ৮টার দিকে বের হলেও বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে নাস্তা করে বাড়ির বাহিরে গিয়ে আবার এক ঘণ্টা পর ৭টার দিকে বাড়িতে ফিরে এসে নিজে ঘরে ঢুকে পড়েন। এরপর তাকে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলতে দেখে সে।

তবে সকালে বাবুল মিয়া বাড়ির বাহিরে যাওয়ার পর তার সঙ্গে এমন কী ঘটেছিল- সে দ্রুত বাড়িতে ফিরে আত্মহননের পথ বেঁছে নেয়, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মোস্তফা কামাল জানান, বাবুল মিয়ার সঙ্গে নাকি তাদের বাড়ির কোনো পরিবারের সদস্যের মারামারি হয়েছে, এ বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে এসে এ তথ্য জানতে পেরেছি। তবে কোনোপক্ষই আমার কাছে বিচারের জন্য যায়নি।

ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শহীদ হোসেন জানান, মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন