বরগুনায় আসামির প্রক্সি দেওয়ার মামলায় দুই বছর কারাদণ্ড
jugantor
বরগুনায় আসামির প্রক্সি দেওয়ার মামলায় দুই বছর কারাদণ্ড

  যুগান্তর প্রতিবেদন,বরগুনা  

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৩১:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

আদালতে মূল আসামির পরিবর্তে অন্য আসামিপ্রক্সি দিতে আসা মামলায় বরগুনায় মো. আল আমীন রুবেল নামের একজনকে দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

বৃহস্পতিবার বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাহিদ হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আল আমিন রুবেল বরগুনা জেলার পাথরঘাটা এলাকার মো. দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। রায় ঘোষনার সময় আসামী আদালতে উপস্থিত ছিল।

জানা যায়, বরগুনা জেলার পাথরঘাটা থানার চার্জশীট ভুক্ত আসামিছিল সুজন। ২০১৭ সালের ৮ আগস্ট আসামী মো. আল আমিন নিজের আসল পরিচয় গোপন রেখে আসামী সুজনের পরিচয় প্রদান করে ওই দিন সকাল ১০ টায় আদালতে হাজির হয়ে জামিন চায়। ওই সময় তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

পরে আল আমীনের আইনজীবী আবদুল ওয়াসী মতিন আসামির প্রক্সি দেয়ার বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক হাছানুজ্জামান আসামীর জাতীয় পরিচয়পত্র পরীক্ষা করে প্রক্সি দেওয়ার ঘটনা প্রাথমিকভাবে সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় আসামী আল আমীন রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করেন।

বরগুনা সদর থানার উপপরিদর্শক মো. মোতালেব জোমাদ্দার বাদী হয়ে আসামিআল আমীন রুবেলের বিরুদ্ধে দন্ডবিধি আইনে ৪১৯ ধারায় মামলা দায়ের করেন।

বরগুনা থানার উপপরিদর্শক সামসুন নাহার আসামিআল আমীন রুবেলের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

বিচারিক আদালত ৮ জনের মধ্যে ৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষনা করেন।
রায় ঘোষনার পরে আসামীর আইনজীবী আহসান হাবিব স্বপন বলেন, আমরা আদালতের কাছে ক্ষমা চেয়েছি। সাক্ষ্যদের জেরা করেছি। তারপরও সাজা দিয়েছে আদালত। আমরা উচ্চ আদালতে আপীল দায়ের করব।

বরগুনায় আসামির প্রক্সি দেওয়ার মামলায় দুই বছর কারাদণ্ড

 যুগান্তর প্রতিবেদন,বরগুনা 
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৩১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আদালতে মূল আসামির পরিবর্তে অন্য আসামি প্রক্সি দিতে আসা মামলায় বরগুনায় মো. আল আমীন রুবেল নামের একজনকে দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। 

বৃহস্পতিবার বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাহিদ হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আল আমিন রুবেল বরগুনা জেলার পাথরঘাটা এলাকার মো. দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। রায় ঘোষনার সময় আসামী আদালতে উপস্থিত ছিল।

জানা যায়, বরগুনা জেলার পাথরঘাটা থানার চার্জশীট ভুক্ত আসামি ছিল সুজন। ২০১৭ সালের ৮ আগস্ট আসামী মো. আল আমিন নিজের আসল পরিচয় গোপন রেখে আসামী সুজনের পরিচয় প্রদান করে ওই দিন সকাল ১০ টায় আদালতে হাজির হয়ে জামিন চায়। ওই সময় তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। 

পরে আল আমীনের আইনজীবী আবদুল ওয়াসী মতিন আসামির প্রক্সি দেয়ার বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক হাছানুজ্জামান আসামীর জাতীয় পরিচয়পত্র পরীক্ষা করে প্রক্সি দেওয়ার ঘটনা প্রাথমিকভাবে সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় আসামী আল আমীন রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করেন। 

বরগুনা সদর থানার উপপরিদর্শক মো. মোতালেব জোমাদ্দার বাদী হয়ে আসামি আল আমীন রুবেলের বিরুদ্ধে দন্ডবিধি আইনে ৪১৯ ধারায় মামলা দায়ের করেন। 

বরগুনা থানার উপপরিদর্শক সামসুন নাহার আসামি আল আমীন রুবেলের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। 

বিচারিক আদালত ৮ জনের মধ্যে ৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষনা করেন। 
রায় ঘোষনার পরে আসামীর আইনজীবী আহসান হাবিব স্বপন বলেন, আমরা আদালতের কাছে ক্ষমা চেয়েছি। সাক্ষ্যদের জেরা করেছি। তারপরও সাজা দিয়েছে আদালত। আমরা উচ্চ আদালতে আপীল দায়ের করব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন