তিতাসের অটোচালকের গাছে বাঁধা মুখে টেপ লাগানো লাশ দাউদকান্দিতে
jugantor
তিতাসের অটোচালকের গাছে বাঁধা মুখে টেপ লাগানো লাশ দাউদকান্দিতে

  তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:২৫:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার তিতাসের অটোরিকশাচালক আশরাফুল আমিনের (১৬) হাত পিছমোড়া করে গাছের সঙ্গে বাঁধা ও মুখে টেপ লাগানো অবস্থায় দাউদকান্দির গৌরীপুর ইউনিয়নের দৈয়াপাড়া থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আশরাফুল আমিন তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের আল-আমিনের ছেলে। আশরাফুল তিতাস উপজেলার লালপুর নজরুল উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল। মহামারি করোনায় স্কুল বন্ধ থাকায় বাবার সঙ্গে অটোরিকশা চালিয়ে সংসারের হাল ধরেছিল সে।

নিহতের বাবা আল-আমিন বলেন, আমরা পিতাপুত্র দুজনেই গৌরীপুর বাজারে অটোরিকশা চালাই। বৃহস্পতিবার রাত ৭টা ৪০ মিনিটে গৌরীপুর বাজারে আমাকে দেখে আশরাফুল বলে বাবা আমার গাড়িতে চার্জ নাই, আমি বাড়ি চলে যাই। তখন আমি বলি ঠিক আছে গাড়ি গ্যারেজে চার্জে লাগিয়ে বাসায় চলে যাও। এই কথা বলে আমি যাত্রী নিয়ে লক্ষ্মীপুর চলে যাই।

তিনি বলেন, রাত ৯টার দিকে আমি শাহপুর নদীরপাড়ে সাদ্দামের গ্যারেজে গিয়ে দেখি আমার ছেলের গাড়ি নেই। গড়ি না থাকায় আমার মনে সন্দেহ হলে, তখন থেকেই তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে গৌরীপুর ফাঁড়ি পুলিশ ও তিতাস থানা পুলিশকে জানাই। তারা আমাকে বলে রাতে সম্ভব্য যায়গায় খোঁজ করে না পেলে সকালে আসবেন।

আল-আমিন বলেন, সকালে গৌরীপুর বাজারে এসে জানতে পারি দৈয়াপাড়া গাছের সঙ্গে বেঁধে এক ছেলেকে মেরে রাখছে। দৌড় ওখানে গিয়ে দেখি আমার ছেলে আশরাফুল।

গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সৈয়দ ফারুক আহম্মেদ বলেন, সকাল ৮টায় খবর পাই এক ছেলেকে হত্যা করে দৈয়াপাড়া আমগাছের সঙ্গে বেঁধে রেখেছে। সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে আশরাফুলের লাশ উদ্ধার করা হয়। অদূরে নিহতের অটোরিকশাটি পড়ে আছে। ধারণা করা হচ্ছে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

তিতাসের অটোচালকের গাছে বাঁধা মুখে টেপ লাগানো লাশ দাউদকান্দিতে

 তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:২৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার তিতাসের অটোরিকশাচালক আশরাফুল আমিনের (১৬) হাত পিছমোড়া করে গাছের সঙ্গে বাঁধা ও মুখে টেপ লাগানো অবস্থায় দাউদকান্দির গৌরীপুর ইউনিয়নের দৈয়াপাড়া থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আশরাফুল আমিন তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের আল-আমিনের ছেলে। আশরাফুল তিতাস উপজেলার লালপুর নজরুল উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল। মহামারি করোনায় স্কুল বন্ধ থাকায় বাবার সঙ্গে অটোরিকশা চালিয়ে সংসারের হাল ধরেছিল সে। 

নিহতের বাবা আল-আমিন বলেন, আমরা পিতাপুত্র দুজনেই গৌরীপুর বাজারে অটোরিকশা চালাই। বৃহস্পতিবার রাত ৭টা ৪০ মিনিটে গৌরীপুর বাজারে আমাকে দেখে আশরাফুল বলে বাবা আমার গাড়িতে চার্জ নাই, আমি বাড়ি চলে যাই। তখন আমি বলি ঠিক আছে গাড়ি গ্যারেজে চার্জে লাগিয়ে বাসায় চলে যাও। এই কথা বলে আমি যাত্রী নিয়ে লক্ষ্মীপুর চলে যাই।

তিনি বলেন, রাত ৯টার দিকে আমি শাহপুর নদীরপাড়ে সাদ্দামের গ্যারেজে গিয়ে দেখি আমার ছেলের গাড়ি নেই। গড়ি না থাকায় আমার মনে সন্দেহ হলে, তখন থেকেই তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে গৌরীপুর ফাঁড়ি পুলিশ ও তিতাস থানা পুলিশকে জানাই। তারা আমাকে বলে রাতে সম্ভব্য যায়গায় খোঁজ করে না পেলে সকালে আসবেন।

আল-আমিন বলেন, সকালে গৌরীপুর বাজারে এসে জানতে পারি দৈয়াপাড়া গাছের সঙ্গে বেঁধে এক ছেলেকে মেরে রাখছে। দৌড় ওখানে গিয়ে দেখি আমার ছেলে আশরাফুল।

গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সৈয়দ ফারুক আহম্মেদ বলেন, সকাল ৮টায় খবর পাই এক ছেলেকে হত্যা করে দৈয়াপাড়া আমগাছের সঙ্গে বেঁধে রেখেছে। সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে আশরাফুলের লাশ উদ্ধার করা হয়। অদূরে নিহতের অটোরিকশাটি পড়ে আছে। ধারণা করা হচ্ছে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন