কিশোরীকে জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তি, নারী গ্রেফতার
jugantor
কিশোরীকে জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তি, নারী গ্রেফতার

  দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:৪২:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে এক কিশোরীকে আটকে রেখে জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তি করানোর অভিযোগে ফাতেমা খাতুন (৪৩) নামে এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পৌরসভার দক্ষিণপাড়া মুজিবনগর আবাসন এলাকা থেকে কিশোরীসহ তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার ফাতেমা পৌরসভার চরমোক্তারপাড়া এলাকার আবুল কাশেমের স্ত্রী।

থানার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মাদারীপুরের রাজৈর থানার ওই কিশোরী এক বছর আগে বাবার সঙ্গে অভিমান করে চাকরি করার উদ্দেশ্যে তার বান্ধবী মিতু আক্তারের কাছে ঢাকায় চলে আসে। গত ১ সেপ্টেম্বর তাকে দুর্গাপুরে মোটা অঙ্কের বেতনে বাসাবাড়িতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে তার আত্মীয় ফাতেমার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় মিতু।

কিশোরী জানায়, এই বাসায় এসে জানতে পারি- বিভিন্ন এলাকা থেকে সহজ-সরল কিশোরী ও কলেজপড়ুয়া গরিব ছাত্রীদের এনে পতিতাবৃত্তি করিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়। এ বাসায় আসার পর থেকে ফাতেমা বিভিন্ন সময় তার বাড়ির গোপন কক্ষে পতিতাবৃত্তি করানোর জন্য জোর করলে আমি এতে রাজি না হলে প্রায়ই আমাকে মারপিট করতো। মারপিট ও নানা হুমকির মুখে অসুস্থ হয়ে একপর্যায়ে বাধ্য হই পতিতাবৃত্তিতে।

তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার বিকালে আমাকে পতিতাবৃত্তি করতে বললে কৌশলে দক্ষিণপাড়া আবাসন এলাকায় পালিয়ে গিয়ে ওই এলাকার বাসিন্দাদের বিষয়টি খুলে বলি। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে আবাসন এলাকায় ফাতেমা হাজির হলে এলাকাবাসীর সহায়তায় ফাতেমাকে আটক করে পুলিশ।

এ নিয়ে ওসি শাহনুর এ আলম যুগান্তরকে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত পুলিশ পাঠিয়ে ওই কিশোরীসহ ফাতেমাকে আটক করে মানবপাচার আইনে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর সুপারিশ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে তার বোনের হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়টি খতিয়ে দেখে এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা- এ বিষয়ে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কিশোরীকে জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তি, নারী গ্রেফতার

 দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে এক কিশোরীকে আটকে রেখে জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তি করানোর অভিযোগে ফাতেমা খাতুন (৪৩) নামে এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পৌরসভার দক্ষিণপাড়া মুজিবনগর আবাসন এলাকা থেকে কিশোরীসহ তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার ফাতেমা পৌরসভার চরমোক্তারপাড়া এলাকার আবুল কাশেমের স্ত্রী। 

থানার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মাদারীপুরের রাজৈর থানার ওই কিশোরী এক বছর আগে বাবার সঙ্গে অভিমান করে চাকরি করার উদ্দেশ্যে তার বান্ধবী মিতু আক্তারের কাছে ঢাকায় চলে আসে। গত ১ সেপ্টেম্বর তাকে দুর্গাপুরে মোটা অঙ্কের বেতনে বাসাবাড়িতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে তার আত্মীয় ফাতেমার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় মিতু।

কিশোরী জানায়, এই বাসায় এসে জানতে পারি- বিভিন্ন এলাকা থেকে সহজ-সরল কিশোরী ও কলেজপড়ুয়া গরিব ছাত্রীদের এনে পতিতাবৃত্তি করিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়। এ বাসায় আসার পর থেকে ফাতেমা বিভিন্ন সময় তার বাড়ির গোপন কক্ষে পতিতাবৃত্তি করানোর জন্য জোর করলে আমি এতে রাজি না হলে প্রায়ই আমাকে মারপিট করতো। মারপিট ও নানা হুমকির মুখে অসুস্থ হয়ে একপর্যায়ে বাধ্য হই পতিতাবৃত্তিতে।

তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার বিকালে আমাকে পতিতাবৃত্তি করতে বললে কৌশলে দক্ষিণপাড়া আবাসন এলাকায় পালিয়ে গিয়ে ওই এলাকার বাসিন্দাদের বিষয়টি খুলে বলি। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে আবাসন এলাকায় ফাতেমা হাজির হলে এলাকাবাসীর সহায়তায় ফাতেমাকে আটক করে পুলিশ।  

এ নিয়ে ওসি শাহনুর এ আলম যুগান্তরকে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত পুলিশ পাঠিয়ে ওই কিশোরীসহ ফাতেমাকে আটক করে মানবপাচার আইনে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর সুপারিশ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে তার বোনের হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়টি খতিয়ে দেখে এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা- এ বিষয়ে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন