খুতবার আজান নিয়ে মুসল্লিদের সংঘর্ষ, নিহত ১
jugantor
খুতবার আজান নিয়ে মুসল্লিদের সংঘর্ষ, নিহত ১

  মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:২৪:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগরে জুমার খুতবার আজান দেওয়াকে কেন্দ্র করে মুসল্লিদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছুরিকাঘাতে আবু হানিফ (৩৮) নামে এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার উপজেলার বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের কুড়াখাল গ্রামের বাইতুন নূর জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ৭ জন। আহতদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। আহতরা হলেন একই এলাকার মোতালেব খানের ছেলে ইমন খান (২৪) ও গফুর সরকারের ছেলে আবুল খায়ের (৪৮)। এ সময় আহত হন ইব্রাহীম, বায়েজীদ, হাবিব খান।

নিহত আবু হানিফ কুড়াখাল গ্রামের মৃত আবদু খানের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের কুড়াখাল গ্রামে বাইতুন নূর জামে মসজিদে বয়ান শেষে মুয়াজ্জিন খুতবার আজান দিতে দাঁড়ালে মুসল্লিদের মধ্যে সুন্নি ও রেজভি দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে যায়। এ সময় রেজভি ভক্তরা দাবি করেন মসজিদের বাহিরে খুতবার আজান দিতে হবে। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

এ সময় রেজভি গ্রুপের কুড়াখাল গ্রামের সাত্তার খানের ছেলে আবুল কালাম (২৮) ওরফে ডিজে কালাম, একই গ্রামের মৃত সালাম ভূঁইয়ার ছেলে বাঙ্গরা বাজার থানা যুবলীগের সদস্য শাহীন ভূঁইয়াসহ (৩৩) আরও ৫ জন সুন্নি মুসল্লিদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় অন্তত ৭ জন আহত হন।

এ সময় স্থানীয়রা হানিফ খান, ইমন খান ও আবুল খায়েরকে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক হানিফ খানকে মৃত ঘোষণা করেন। ইমন খান ও আবুল খায়েরের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়াতে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।

বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন পর‌্যান্ত একজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করতে পারছি আমরা। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খুতবার আজান নিয়ে মুসল্লিদের সংঘর্ষ, নিহত ১

 মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগরে জুমার খুতবার আজান দেওয়াকে কেন্দ্র করে মুসল্লিদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছুরিকাঘাতে আবু হানিফ (৩৮) নামে এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার উপজেলার বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের কুড়াখাল গ্রামের বাইতুন নূর জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ৭ জন। আহতদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। আহতরা হলেন একই এলাকার মোতালেব খানের ছেলে ইমন খান (২৪) ও গফুর সরকারের ছেলে আবুল খায়ের (৪৮)। এ সময় আহত  হন ইব্রাহীম, বায়েজীদ, হাবিব খান।

নিহত আবু হানিফ কুড়াখাল গ্রামের মৃত আবদু খানের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের কুড়াখাল গ্রামে বাইতুন নূর জামে মসজিদে বয়ান শেষে মুয়াজ্জিন খুতবার আজান দিতে দাঁড়ালে মুসল্লিদের মধ্যে সুন্নি ও রেজভি দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে যায়। এ সময় রেজভি ভক্তরা দাবি করেন মসজিদের বাহিরে খুতবার আজান দিতে হবে। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

এ সময় রেজভি গ্রুপের কুড়াখাল গ্রামের সাত্তার খানের ছেলে আবুল কালাম (২৮) ওরফে ডিজে কালাম, একই গ্রামের মৃত সালাম ভূঁইয়ার ছেলে বাঙ্গরা বাজার থানা যুবলীগের সদস্য শাহীন ভূঁইয়াসহ (৩৩) আরও ৫ জন সুন্নি মুসল্লিদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় অন্তত ৭ জন আহত হন।

এ সময় স্থানীয়রা হানিফ খান, ইমন খান ও আবুল খায়েরকে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক হানিফ খানকে মৃত ঘোষণা করেন। ইমন খান ও আবুল খায়েরের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়াতে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।

বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন পর‌্যান্ত একজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করতে পারছি আমরা। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত  ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন