পুলিশ চলে যাওয়ার পরই হামলা
jugantor
পুলিশ চলে যাওয়ার পরই হামলা

  মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি  

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৩৫:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

কবিরাজ

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি হামলার ঘটনা তদন্তে করে পুলিশ চলে যাবার পর ইউনুস ফকির (৪০) নামে এক কবিরাজের ওপর হামলা চালিয়েছে স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার উত্তর মিঠাখালী (রাস্তার পাড়) গুচ্ছ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ইউনুস ফকির ওই গ্রামের সালাম ফকিরের ছেলে। তিনি কবিরাজি ওষুধ বিক্রেতা।

শুক্রবার দুপুরে মঠবাড়িয়া হাসপাতাল বেডে আহত ইউনুস আলী জানান, শিশুদের খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী মৃত. আজাহার আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেনের (৪০) সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। স্থানীয় শালিসে তাকে (ইউনুস ফকির) ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি ইতোমধ্যে ৮ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন।

ভুক্তভোগী জানান, বাকি ৪ হাজার টাকা পরিশোধ করতে দেরি হওয়ায় সম্প্রতি তার পরিবারের সদস্যদের মারধরসহ খুন-জখমের হুমকি দেয় প্রতিপক্ষ ইসমাইল হোসেন ও তার লোকজন। এ ঘটনায় তার স্ত্রী নুপুর বেগম মঠবাড়িয়া থানায় ইসমাইলসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার এএসআই জাহিদুল ইসলাম ঘটনাটি তদন্তে আসেন। তদন্ত করে যাবার পর ক্ষিপ্ত হয়ে ইসমাইল হোসেন ও তার নিকট আত্মীয় সজল সুমন (২৫) ও বাবু (২২) ইউনুস ফকির ফকিরকে এলোপাতাড়ি কিলঘুষি ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। তার স্ত্রী তাকে বাঁচাতে গেলে তাকেও বেদম মারধর করা হয়। হামলাকারীরা তাদের প্রাণে মেরে ফেলারও হুমিকে দেয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এ ব্যাপারে এসআই জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমি চলে আসার পর কবিরাজ ইউনুস ফকিরকে মারধর করার সংবাদ পেয়ে পুনরায় ঘটনাস্থলে যাই এবং পরিস্থিতি শান্ত করি। ইউনুস আলীকে বিষয়টি থানার লিখিতভাবে জানানোর জন্য পরামর্শ দেই।

মঠবাড়িয়া থানার ওসি মুহা. নূরুল ইসলাম বাদল বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ চলে যাওয়ার পরই হামলা

 মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি 
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কবিরাজ
কবিরাজ ইউনুস ফকির। ছবি: যুগান্তর

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি হামলার ঘটনা তদন্তে করে পুলিশ চলে যাবার পর ইউনুস ফকির (৪০) নামে এক কবিরাজের ওপর হামলা চালিয়েছে স্থানীয়রা। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার উত্তর মিঠাখালী (রাস্তার পাড়) গুচ্ছ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

ইউনুস ফকির ওই গ্রামের সালাম ফকিরের ছেলে। তিনি কবিরাজি ওষুধ বিক্রেতা।

শুক্রবার দুপুরে মঠবাড়িয়া হাসপাতাল বেডে আহত ইউনুস আলী জানান, শিশুদের খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী মৃত. আজাহার আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেনের (৪০) সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। স্থানীয় শালিসে তাকে (ইউনুস ফকির) ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি ইতোমধ্যে ৮ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন।

ভুক্তভোগী জানান, বাকি ৪ হাজার টাকা পরিশোধ করতে দেরি হওয়ায় সম্প্রতি তার পরিবারের সদস্যদের মারধরসহ খুন-জখমের হুমকি দেয় প্রতিপক্ষ ইসমাইল হোসেন ও তার লোকজন। এ ঘটনায় তার স্ত্রী নুপুর বেগম মঠবাড়িয়া থানায় ইসমাইলসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। 

অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার এএসআই জাহিদুল ইসলাম ঘটনাটি তদন্তে আসেন। তদন্ত করে যাবার পর ক্ষিপ্ত হয়ে ইসমাইল হোসেন ও তার নিকট আত্মীয় সজল সুমন (২৫) ও বাবু (২২) ইউনুস ফকির ফকিরকে এলোপাতাড়ি কিলঘুষি ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। তার স্ত্রী তাকে বাঁচাতে গেলে তাকেও বেদম মারধর করা হয়। হামলাকারীরা তাদের প্রাণে মেরে ফেলারও হুমিকে দেয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এ ব্যাপারে এসআই জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমি চলে আসার পর কবিরাজ ইউনুস ফকিরকে মারধর করার সংবাদ পেয়ে পুনরায় ঘটনাস্থলে যাই এবং পরিস্থিতি শান্ত করি। ইউনুস আলীকে বিষয়টি থানার লিখিতভাবে জানানোর জন্য পরামর্শ দেই।

মঠবাড়িয়া থানার ওসি মুহা. নূরুল ইসলাম বাদল বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন