মাদ্রাসা শিক্ষক এখন মুদি দোকানি
jugantor
মাদ্রাসা শিক্ষক এখন মুদি দোকানি

  কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি  

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৫৪:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

মাদ্রাসা শিক্ষক

চাকরি এমপিওভুক্ত হওয়ার আশায় বিনা বেতনে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন ২০ বছর ধরে। এর মধ্যে দেড় বছরের বেশি করোনার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় স্ত্রী, সন্তান ও পরিজন নিয়ে না খেয়ে দুর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছিলেনকামরুজ্জামান।

কামরুজ্জামান চাঁদপুরের কচুয়া পৌরসভার কোয়া-চাঁদপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক। প্রতিষ্ঠার সময় থেকে মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে যোগদান করে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু সরকার পালাবদল হলেও মাদ্রাসাটি আজও এমপিওভুক্ত হয়নি। বেতন ভাতা না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে নিজ গ্রামে কোয়া-চাঁদপুর বাজারে মুদি দোকান শুরু করেছেন তিনি।

কামরুজ্জামান জানান, আত্মীয় ও বন্ধু-বান্ধবের পরামর্শে ১১মাস আগে নিজ গ্রামের বাড়ির পাশে মুদি দোকান দেন তিনি। বর্তমানে ওই মুদি দোকানের আয় দিয়ে স্ত্রী, ৩ ছেলে ও বৃদ্ধ মায়ের মুখে আহার জোগাচ্ছেন।

কামরুজ্জামান বলেন, একদিকে করোনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা, অপর দিকে মাদ্রাসাটি ননএমপিও যার কারণে বেতন ভাতাদি না থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে না খেয়ে কষ্টে জীবন কাটাচ্ছি। কোনো উপায়ন্তর না পেয়ে নিজের কিছু আর্থিক সম্বল দিয়ে কোয়া-চাঁদপুর বাজারে একটি মুদি দোকান দিয়েছি। এখনো আর্থিক সংকট কাটাতে পারছি না। করোনার শুরুতে একবার প্রণোদনা পেলেও আর কোনো কিছু পাইনি।

কামরুজ্জামানের মতো মাদ্রাসাটির১৬জন শিক্ষক, কর্মচারী সীমাহীন কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। মাদ্রাসাটি এমপিওভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেনশিক্ষক ও এলাকাবাসী।

মাদ্রাসা শিক্ষক এখন মুদি দোকানি

 কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি 
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মাদ্রাসা শিক্ষক
নিজ দোকানে কচুয়ার কোয়া-চাঁদপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক কারুজ্জামান। ছবি: যুগান্তর

চাকরি এমপিওভুক্ত হওয়ার আশায় বিনা বেতনে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন ২০ বছর ধরে। এর মধ্যে দেড় বছরের বেশি করোনার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় স্ত্রী, সন্তান ও পরিজন নিয়ে না খেয়ে দুর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছিলেন কামরুজ্জামান। 

কামরুজ্জামান চাঁদপুরের কচুয়া পৌরসভার কোয়া-চাঁদপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক। প্রতিষ্ঠার সময় থেকে মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে যোগদান করে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু সরকার পালাবদল হলেও মাদ্রাসাটি আজও এমপিওভুক্ত হয়নি। বেতন ভাতা না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে নিজ গ্রামে কোয়া-চাঁদপুর বাজারে মুদি দোকান শুরু করেছেন তিনি।

কামরুজ্জামান জানান, আত্মীয় ও বন্ধু-বান্ধবের পরামর্শে ১১মাস আগে নিজ গ্রামের বাড়ির পাশে মুদি দোকান দেন তিনি। বর্তমানে ওই মুদি দোকানের আয় দিয়ে স্ত্রী, ৩ ছেলে ও বৃদ্ধ মায়ের মুখে আহার জোগাচ্ছেন। 

কামরুজ্জামান বলেন, একদিকে করোনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা, অপর দিকে মাদ্রাসাটি ননএমপিও যার কারণে বেতন ভাতাদি না থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে না খেয়ে কষ্টে জীবন কাটাচ্ছি। কোনো উপায়ন্তর না পেয়ে নিজের কিছু আর্থিক সম্বল দিয়ে কোয়া-চাঁদপুর বাজারে একটি মুদি দোকান দিয়েছি। এখনো আর্থিক সংকট কাটাতে পারছি না। করোনার শুরুতে একবার প্রণোদনা পেলেও আর কোনো কিছু পাইনি। 

কামরুজ্জামানের মতো মাদ্রাসাটির ১৬জন শিক্ষক, কর্মচারী সীমাহীন কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। মাদ্রাসাটি এমপিওভুক্ত  করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক ও এলাকাবাসী। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন