ভাতিজিকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করে প্রাণ হারালেন চাচা
jugantor
ভাতিজিকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করে প্রাণ হারালেন চাচা

  বগুড়া ব্যুরো  

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:০২:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ায় ভাতিজিকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদের জেরে বখাটের ছুরিকাঘাতে আহত বাসচালক হাসান সরকার (৫০) মারা গেছেন। শনিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তার মৃত্যু হয়।

নিহত পরিবহণ শ্রমিক হাসান সরকার বগুড়া সদরের পালশা সরকারপাড়ার মৃত সামছু সরকারের ছেলে।

পুলিশ স্থানীয়রা জানান, বাসচালক হাসান সরকারের স্বামী পরিত্যক্তা ভাতিজি একটি মোবাইল ফোন কোম্পানির শোরুমে চাকরি করতেন। স্থানীয় এক হিন্দু যুবকের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই প্রেমিক তাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের কিছু ছবি ধারণ করে একই এলাকার মৃত ঝন্টু সরকারের ছেলে রূপম সরকারকে দেন।

রূপম সরকার ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ওই মেয়েকে কুপ্রস্তাব দেন। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ছবিগুলো তিনি বিভিন্ন জনের কাছে পাঠান। এই ছবিগুলো কর্মস্থলে গেলে তার চাকরি চলে যায়।

এ ঘটনায় চাচা হাসান সরকার পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের কাছে অভিযোগ দেন। কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম কয়েকদিন আগে তাদের আইনের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন।

থানা সূত্রে জানা যায়, এসব নিয়ে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের ভবেরবাজার এলাকায় একটি ফিলিং স্টেশনের সামনে রূপম সরকারের সঙ্গে হাসান সরকারের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে রূপম সরকার, তার স্ত্রী খুশি বেগমসহ কয়েকজন হাসান সরকারকেধারাল অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। হাসানের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান।

এলাকার লোকজন রক্তাক্ত হাসানকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে শুক্রবার তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকাল ৯ টার দিকে তিনি মারা যান।

এ বিষয়ে উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আবদুর রশিদ জানান, আত্মগোপনকারী আসামি রূপম ও অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

বগুড়া পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম বলেন, রূপম সরকার বখাটে। সে এক মেয়ের আপত্তিকরছবি সংগ্রহ করে তাকে কুপ্রস্তাব দেয়। এ বিষয়ে তিনি অভিযোগ পেলে তাদের আইনের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দিয়েছিলেন।

ভাতিজিকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করে প্রাণ হারালেন চাচা

 বগুড়া ব্যুরো 
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ায় ভাতিজিকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদের জেরে বখাটের ছুরিকাঘাতে আহত বাসচালক হাসান সরকার (৫০) মারা গেছেন। শনিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তার মৃত্যু হয়।

নিহত পরিবহণ শ্রমিক হাসান সরকার বগুড়া সদরের পালশা সরকারপাড়ার মৃত সামছু সরকারের ছেলে।

পুলিশ স্থানীয়রা জানান, বাসচালক হাসান সরকারের স্বামী পরিত্যক্তা ভাতিজি একটি মোবাইল ফোন কোম্পানির শোরুমে চাকরি করতেন। স্থানীয় এক হিন্দু যুবকের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই প্রেমিক তাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের কিছু ছবি ধারণ করে একই এলাকার মৃত ঝন্টু সরকারের ছেলে রূপম সরকারকে দেন। 

রূপম সরকার ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ওই মেয়েকে কুপ্রস্তাব দেন। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ছবিগুলো তিনি বিভিন্ন জনের কাছে পাঠান। এই ছবিগুলো কর্মস্থলে গেলে তার চাকরি চলে যায়।

এ ঘটনায় চাচা হাসান সরকার পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের কাছে অভিযোগ দেন। কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম কয়েকদিন আগে তাদের আইনের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন।

থানা সূত্রে জানা যায়, এসব নিয়ে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের ভবেরবাজার এলাকায় একটি ফিলিং স্টেশনের সামনে রূপম সরকারের সঙ্গে হাসান সরকারের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে রূপম সরকার, তার স্ত্রী খুশি বেগমসহ কয়েকজন হাসান সরকারকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। হাসানের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। 

এলাকার লোকজন রক্তাক্ত হাসানকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে শুক্রবার তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকাল ৯ টার দিকে তিনি মারা যান।

এ বিষয়ে উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আবদুর রশিদ জানান, আত্মগোপনকারী আসামি রূপম ও অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

বগুড়া পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম বলেন, রূপম সরকার বখাটে। সে এক মেয়ের আপত্তিকর ছবি সংগ্রহ করে তাকে কুপ্রস্তাব দেয়। এ বিষয়ে তিনি অভিযোগ পেলে তাদের আইনের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দিয়েছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন