স্কুলের তালা ভেঙে ফ্যান চুরি করল ছাত্ররা
jugantor
স্কুলের তালা ভেঙে ফ্যান চুরি করল ছাত্ররা

  সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:২৯:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

সাতকানিয়া উপজেলার ধর্মপুরে করোনা পরিস্থিতিতে স্কুলের তালা ভেঙে ১২টি ফ্যান চুরির ঘটনায় ৭ কিশোরকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। শনিবার সকালে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।

পুলিশ হেফাজতে থাকা ৭ কিশোর হলো- ধর্মপুর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুরুচ্ছফার ছেলে সাজ্জাদ হোসেন (১৬), একই এলাকার মঞ্জুর আলমের ছেলে মো. ইব্রাহিম জাবেদ (১৫), আলাউদ্দিনের ছেলে মো. সুজাত চৌধুরী (১৫), রফিক আহম্মদের ছেলে মো. হাসান (১৬), আবু তাহেরের ছেলে মো.শাওয়াল হোসেন রাফি (১৬), কামাল উদ্দিনের ছেলে মো.জোবাইদুল্লাহ চৌধুরী সাইমন (১৬) ও আব্দুর ছফুরের ছেলে মো. সাকিব (১৮)।

এদের মধ্যে হাসান পেশায় রাজমিস্ত্রি এবং বাকিরা আলী আহমদ প্রাণহরি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম এবং অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সরকারি সিদ্ধান্ত এলে গত ২৬ আগস্ট দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা স্কুল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ সেরে বিকাল ৪টার দিকে সব কক্ষে তালা লাগিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন ধর্মপুর কালাগাজী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শামসুন্নাহার বেগম। ৭ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ে ফিরে তিনি দেখেন তিনটি কক্ষের তালা ভেঙে প্রতিটি কক্ষ থেকে চারটি করে মোট ১২টি সিলিং ফ্যান চুরি গেছে। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে সাতকানিয়া থানায় একটি মামলা করেন।

শনিবার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৭ কিশোরকে হেফাজতে নিয়ে চোরাই ফ্যানগুলো প্রধান শিক্ষিকার মারফতে শনাক্ত করে।

সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ধর্মপুরের একটি প্রাইমারি স্কুলে ফ্যান চুরির ঘটনায় ৭ কিশোরকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তারা বর্তমানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার হেফাজতে আছে। পরে নিয়মানুযায়ী তাদের চট্টগ্রাম শিশু আদালতে তোলা হবে।

স্কুলের তালা ভেঙে ফ্যান চুরি করল ছাত্ররা

 সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সাতকানিয়া উপজেলার ধর্মপুরে করোনা পরিস্থিতিতে স্কুলের তালা ভেঙে ১২টি ফ্যান চুরির ঘটনায় ৭ কিশোরকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। শনিবার  সকালে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।

পুলিশ হেফাজতে থাকা ৭ কিশোর হলো- ধর্মপুর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুরুচ্ছফার ছেলে সাজ্জাদ হোসেন (১৬), একই এলাকার মঞ্জুর আলমের ছেলে মো. ইব্রাহিম জাবেদ (১৫), আলাউদ্দিনের ছেলে মো. সুজাত চৌধুরী (১৫), রফিক আহম্মদের ছেলে মো. হাসান (১৬), আবু তাহেরের ছেলে মো.শাওয়াল হোসেন রাফি (১৬), কামাল উদ্দিনের ছেলে মো.জোবাইদুল্লাহ চৌধুরী সাইমন (১৬) ও আব্দুর ছফুরের ছেলে মো. সাকিব (১৮)। 

এদের মধ্যে হাসান পেশায় রাজমিস্ত্রি এবং বাকিরা আলী আহমদ প্রাণহরি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম এবং অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সরকারি সিদ্ধান্ত এলে গত ২৬ আগস্ট দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা স্কুল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ সেরে বিকাল ৪টার দিকে সব কক্ষে তালা লাগিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন ধর্মপুর কালাগাজী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শামসুন্নাহার বেগম। ৭ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ে ফিরে তিনি দেখেন তিনটি কক্ষের তালা ভেঙে প্রতিটি কক্ষ থেকে চারটি করে মোট ১২টি সিলিং ফ্যান চুরি গেছে। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে সাতকানিয়া থানায় একটি মামলা করেন। 

শনিবার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৭ কিশোরকে হেফাজতে নিয়ে চোরাই ফ্যানগুলো প্রধান শিক্ষিকার মারফতে শনাক্ত করে। 

সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ধর্মপুরের একটি প্রাইমারি স্কুলে ফ্যান চুরির ঘটনায় ৭ কিশোরকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তারা বর্তমানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার হেফাজতে আছে। পরে নিয়মানুযায়ী তাদের চট্টগ্রাম শিশু আদালতে তোলা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন