কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের কার্যক্রম
jugantor
কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের কার্যক্রম

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:২১:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

অর্থনৈতিক দিক থেকে কক্সবাজার একটি অপার সম্ভাবনার জায়গা। আগামী চার-পাঁচ বছরে কক্সবাজারকে ঘিরে যে সমস্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে তা নিয়ে কক্সবাজারের ব্যবসায়িক মহলকে এখন থেকেই চিন্তা করতে হবে। অচিরেই কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের কার্যক্রম।

কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের অ্যাডিশনাল ইন্সপেক্টর জেনারেল মো. শফিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

রোববার সকালে চেম্বার অব কমার্স সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, কক্সবাজারের জন্য নতুন হলেও ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ কার্যক্রম চলছে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উৎপাদন থেকে শুরু করে বিপণন পর্যন্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিভিন্ন বিরোধ নিষ্পত্তিতে সহযোগিতা করা।

তিনি বলেন, কক্সবাজারে বর্তমান এবং আগামীতে মহেশখালী, মাতারবাড়ি, সাবরাংয়ে যে সমস্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে তার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অচিরেই ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের অফিস স্থাপন করা হবে।

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৩ এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সুলাইমান, সহকারী পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন।

সভায় বক্তব্য রাখেন- শ্রিম্প হ্যাচারি অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালনা পরিষদের সদস্য সাহেদ আলী এবং মোহাম্মদ আলমগীর, ট্যুর অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন কক্সবাজার (টুয়াক) সভাপতি রেজাউল করিম, মেরিন ড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন- চেম্বার পরিচালক এমদাদুল হক, নুরুজ্জামান, আজমল হুদা, সাধারণ সদস্য উদয় শংকর পাল মিঠু, প্রকল্প সমন্বয়কারী অশোক সরকার।

সভায় ব্যবসায়ীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন আবু সেন্টার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি সনজিদ দত্ত, পাস্তা ক্লাব পরিচালক অনিক বাপ্পি।

শ্রিম্প হ্যাচারি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা বলেন, চিংড়ি পোনাগুলো খুবই সংবেদনশীল এবং এই সেক্টর এ কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে। সঠিক সময়ে পণ্য পরিবহনসহ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর আরও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কলাতলি এবং সোনারপাড়ায় একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের ফাঁড়ি প্রয়োজন।

চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরী বলেন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশিংয়ের মহতী উদ্যোগ নিরাপদ বিনিয়োগের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে ই-কমার্স একটি উদীয়মান দ্রুত অগ্রসরমান সেক্টর। একে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশিংয়ের আওতায় আনা গেলে ভোক্তা এবং উদ্যোক্তাদের মাঝে বিশ্বাসের জায়গাটা আরও সুদৃঢ় হবে।

কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের কার্যক্রম

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

অর্থনৈতিক দিক থেকে কক্সবাজার একটি অপার সম্ভাবনার জায়গা। আগামী চার-পাঁচ বছরে কক্সবাজারকে ঘিরে যে সমস্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে তা নিয়ে কক্সবাজারের ব্যবসায়িক মহলকে এখন থেকেই চিন্তা করতে হবে। অচিরেই কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের কার্যক্রম।

কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের অ্যাডিশনাল ইন্সপেক্টর জেনারেল মো. শফিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

রোববার সকালে চেম্বার অব কমার্স সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, কক্সবাজারের জন্য নতুন হলেও ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ কার্যক্রম চলছে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উৎপাদন থেকে শুরু করে বিপণন পর্যন্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিভিন্ন বিরোধ নিষ্পত্তিতে সহযোগিতা করা।

তিনি বলেন, কক্সবাজারে বর্তমান এবং আগামীতে মহেশখালী, মাতারবাড়ি, সাবরাংয়ে যে সমস্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে তার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অচিরেই ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের অফিস স্থাপন করা হবে।

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৩ এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সুলাইমান, সহকারী পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন।

সভায় বক্তব্য রাখেন- শ্রিম্প হ্যাচারি অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালনা পরিষদের সদস্য সাহেদ আলী এবং মোহাম্মদ আলমগীর, ট্যুর অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন কক্সবাজার (টুয়াক) সভাপতি রেজাউল করিম, মেরিন ড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন- চেম্বার পরিচালক এমদাদুল হক, নুরুজ্জামান, আজমল  হুদা, সাধারণ সদস্য উদয় শংকর পাল মিঠু, প্রকল্প সমন্বয়কারী অশোক সরকার।

সভায় ব্যবসায়ীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন আবু সেন্টার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি সনজিদ দত্ত, পাস্তা ক্লাব পরিচালক অনিক বাপ্পি।

শ্রিম্প হ্যাচারি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা বলেন, চিংড়ি পোনাগুলো খুবই সংবেদনশীল এবং এই সেক্টর এ কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে। সঠিক সময়ে পণ্য পরিবহনসহ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর আরও  নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কলাতলি এবং সোনারপাড়ায় একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের ফাঁড়ি প্রয়োজন।

চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরী বলেন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশিংয়ের মহতী উদ্যোগ নিরাপদ বিনিয়োগের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে ই-কমার্স একটি উদীয়মান দ্রুত অগ্রসরমান সেক্টর। একে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশিংয়ের আওতায় আনা গেলে ভোক্তা এবং উদ্যোক্তাদের মাঝে বিশ্বাসের জায়গাটা আরও  সুদৃঢ় হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন