গারো পল্লীতে ‘আমজনতার হোটেল’
jugantor
গারো পল্লীতে ‘আমজনতার হোটেল’

  শেরপুর প্রতিনিধি  

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:১৭:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরপুরে নৃ-জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত ৩টি উপজেলার গারো পল্লীতে দরিদ্রদের জন্য মানবিক সহায়তা ও ‘আমজনতার হোটেল’ চালু করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘পাশে আছি ইনিশিয়েটিভ’।

শনিবার দুপুরে ঝিনাইগাতীর বাকাকুড়া এলাকার থিওফিল মাস্টারের বাড়িতে এ আমজনতার হোটেল চালু করে রান্না করা ডিম ও সবজি-খিচুড়ি পরিবেশন করা হয়।

এছাড়া এদিন শ্রীবরদীর বালিজুড়ি খ্রিস্টানপাড়া এলাকার বনবিভাগের ফসল কেটে দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় গারো কৃষক পরিবার এবং নালিতাবাড়ীর নাকুগাঁও স্থলবন্দরের কর্মহীন কয়লা ও পাথর শ্রমিকসহ ৫০টি দরিদ্র পরিবারকে মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

এসব সহায়তার মধ্যে ছিল ৫ কেজি করে চাল, ২ কেজি করে আলু, ১ কেজি করে ডাল ও আধা লিটার সয়াবিন তেল। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘পাশে আছি ইনিশিয়েটিভ’ সমন্বয়ক সাইদুল ইসলাম আমজনতার হোটেল চালু এবং উপকারভোগীদের মাঝে মানবিক সহায়তা বিতরণ করেন।

এ সময় বাংলাদেশ গারো ছাত্র সংগঠন (বাগাছাস) কেন্দ্রীয় সংসদ ও বাংলাদেশ আদিবাসী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অলিক মৃ, বাগাছাস ঝিনাইগাতী শাখার সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শান্ত চিরান, সদস্য সুবির জেংচাম, শ্রীবরদী শাখার সদস্য সচিব শোভন দালবৎ, নালিতাবাড়ী শাখার সভাপতি সোহেল রেম, সাধারণ সম্পাদক বাধন চাম্বুগং প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

‘পাশে আছি ইনিশিয়েটিভ’ সমন্বয়ক সাইদুল ইসলাম জানান, পাহাড়ে বসবাসকারী কষ্টে থাকা মানুষ, অসহায় শ্রমিক, ক্ষতিগ্রস্ত আদিবাসী পরিবার, পিঁপড়ার ডিম সংগ্রহ করে সামান্য আয় দিয়ে যাদের কষ্টে দিন চালাতে হয়, তাদের জন্য ত্রাণ সহায়তাসহ বিনাপয়সায় নিয়মিত খাবারের জন্য আমজনতার হোটেল চালু করা হয়েছে। ঝিনাইগাতীর বাকাকুড়া গ্রামে সপ্তাহে ১ দিন রোববার ৫০ থেকে ১০০ জনকে দুপুরে একবেলা আমজনতার হোটেলে বিনামূল্যে রান্না করা পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ানো হবে।

জুমের ফসল কেটে দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিবন্ধী পয়মনি চিরানের চিকিৎসাসহ তার স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য দুটি ছাগল কিনে দেওয়ার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন ওই সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী সমন্বয়ক সাইদুল ইসলাম।

বাংলাদেশ গারো ছাত্র সংগঠন (বাগাছাস) কেন্দ্রীয় সংসদ ও বাংলাদেশ আদিবাসী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অলিক মৃ বলেন, ‘পাশে আছি ইনিশিয়েটিভ’ শেরপুরের পাহাড়ি বনাঞ্চলে বসবাসকারী ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় গারো পরিবারসহ নিন্মআয়ের শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়ানোয় আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমরা আশাকরি তাদের মানবিকতায় এ অঞ্চলের পাহাড়ি জনপদের মানুষ উপকৃত হবে।

গারো পল্লীতে ‘আমজনতার হোটেল’

 শেরপুর প্রতিনিধি 
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরপুরে নৃ-জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত ৩টি উপজেলার গারো পল্লীতে দরিদ্রদের জন্য মানবিক সহায়তা ও ‘আমজনতার হোটেল’ চালু করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘পাশে আছি ইনিশিয়েটিভ’।

শনিবার দুপুরে ঝিনাইগাতীর বাকাকুড়া এলাকার থিওফিল মাস্টারের বাড়িতে এ আমজনতার হোটেল চালু করে রান্না করা ডিম ও সবজি-খিচুড়ি পরিবেশন করা হয়।

এছাড়া এদিন শ্রীবরদীর বালিজুড়ি খ্রিস্টানপাড়া এলাকার বনবিভাগের ফসল কেটে দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় গারো কৃষক পরিবার এবং নালিতাবাড়ীর নাকুগাঁও স্থলবন্দরের কর্মহীন কয়লা ও পাথর শ্রমিকসহ ৫০টি দরিদ্র পরিবারকে মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

এসব সহায়তার মধ্যে ছিল ৫ কেজি করে চাল, ২ কেজি করে আলু, ১ কেজি করে ডাল ও আধা লিটার সয়াবিন তেল। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘পাশে আছি ইনিশিয়েটিভ’ সমন্বয়ক সাইদুল ইসলাম আমজনতার হোটেল চালু এবং উপকারভোগীদের মাঝে মানবিক সহায়তা বিতরণ করেন।

এ সময় বাংলাদেশ গারো ছাত্র সংগঠন (বাগাছাস) কেন্দ্রীয় সংসদ ও বাংলাদেশ আদিবাসী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অলিক মৃ, বাগাছাস ঝিনাইগাতী শাখার সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শান্ত চিরান, সদস্য সুবির জেংচাম, শ্রীবরদী শাখার সদস্য সচিব শোভন দালবৎ, নালিতাবাড়ী শাখার সভাপতি সোহেল রেম, সাধারণ সম্পাদক বাধন চাম্বুগং প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

‘পাশে আছি ইনিশিয়েটিভ’ সমন্বয়ক সাইদুল ইসলাম জানান, পাহাড়ে বসবাসকারী কষ্টে থাকা মানুষ, অসহায় শ্রমিক, ক্ষতিগ্রস্ত আদিবাসী পরিবার, পিঁপড়ার ডিম সংগ্রহ করে সামান্য আয় দিয়ে যাদের কষ্টে দিন চালাতে হয়, তাদের জন্য ত্রাণ সহায়তাসহ বিনাপয়সায় নিয়মিত খাবারের জন্য আমজনতার হোটেল চালু করা হয়েছে। ঝিনাইগাতীর বাকাকুড়া গ্রামে সপ্তাহে ১ দিন রোববার ৫০ থেকে ১০০ জনকে দুপুরে একবেলা আমজনতার হোটেলে বিনামূল্যে রান্না করা পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ানো হবে।

জুমের ফসল কেটে দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিবন্ধী পয়মনি চিরানের চিকিৎসাসহ তার স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য দুটি ছাগল কিনে দেওয়ার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন ওই সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী সমন্বয়ক সাইদুল ইসলাম।

বাংলাদেশ গারো ছাত্র সংগঠন (বাগাছাস) কেন্দ্রীয় সংসদ ও বাংলাদেশ আদিবাসী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অলিক মৃ বলেন, ‘পাশে আছি ইনিশিয়েটিভ’ শেরপুরের পাহাড়ি বনাঞ্চলে বসবাসকারী ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় গারো পরিবারসহ নিন্মআয়ের শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়ানোয় আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমরা আশাকরি তাদের মানবিকতায় এ অঞ্চলের পাহাড়ি জনপদের মানুষ উপকৃত হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন