পুলিশ কনস্টেবলের রহস্যজনক মৃত্যু
jugantor
পুলিশ কনস্টেবলের রহস্যজনক মৃত্যু

  ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:৪৯:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মোহাম্মদ ওবায়দুল নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

রোববার দুপুরে ফতুল্লার ভুইগড় মাহমুদপুর এলাকায় নিজবাড়ি থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

কনস্টেবল মোহাম্মদ ওবায়দুল ভুইগড় মাহমুদপুর এলাকার আলী হোসেনের ছেলে। নিজ বাড়িতেই স্ত্রী সানিয়া ও একমাত্র মেয়ে স্নেহাকে (৬) নিয়ে বসবাস করতেন মোহাম্মদ ওবায়দুল। মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রটেকশন বিভাগে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ জানায়, নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। নাক দিয়ে কফের মতো বের হতে দেখা গেছে। তবে ওবায়দুল ও সানিয়ার মধ্যে বিয়ের পর থেকে কলহ ছিল। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ প্রাথমিক কোনো ধারণা করতে না পারায় ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠিয়েছে।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। তাদের বাড়িটি দোতলা। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে দোতলা ফ্ল্যাটেই বসবাস করতেন ওবায়দুল। রাতে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে এক রুমেই ঘুমিয়ে ছিলেন। সকালে স্ত্রী ঘুম থেকে উঠে ওবায়দুলের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে আশপাশের লোকজন ডাকেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে।

পুলিশ কনস্টেবলের রহস্যজনক মৃত্যু

 ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মোহাম্মদ ওবায়দুল নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। 

রোববার দুপুরে ফতুল্লার ভুইগড় মাহমুদপুর এলাকায় নিজবাড়ি থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

কনস্টেবল মোহাম্মদ ওবায়দুল ভুইগড় মাহমুদপুর এলাকার আলী হোসেনের ছেলে। নিজ বাড়িতেই স্ত্রী সানিয়া ও একমাত্র মেয়ে স্নেহাকে (৬) নিয়ে বসবাস করতেন মোহাম্মদ ওবায়দুল। মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রটেকশন বিভাগে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ জানায়, নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। নাক দিয়ে কফের মতো বের হতে দেখা গেছে। তবে ওবায়দুল ও সানিয়ার মধ্যে বিয়ের পর থেকে কলহ ছিল। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ প্রাথমিক কোনো ধারণা করতে না পারায় ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠিয়েছে।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। তাদের বাড়িটি দোতলা। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে দোতলা ফ্ল্যাটেই বসবাস করতেন ওবায়দুল। রাতে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে এক রুমেই ঘুমিয়ে ছিলেন। সকালে স্ত্রী ঘুম থেকে উঠে ওবায়দুলের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে আশপাশের লোকজন ডাকেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন