ভোট শুরুর এক ঘণ্টার মাথায় ৫ চেয়ারম্যান প্রার্থীর বর্জনের ঘোষণা
jugantor
ভোট শুরুর এক ঘণ্টার মাথায় ৫ চেয়ারম্যান প্রার্থীর বর্জনের ঘোষণা

  নোয়াখালী ও হাতিয়া প্রতিনিধি  

২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৪১:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোট বর্জন

ভোটকেন্দ্রের সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকায় অস্ত্রধারী অবাধ বিচরণ ও হুমকি-ধমকির অভিযোগ এনে নোয়াখালীর হাতিয়া নৌকা প্রতীকের দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ভোটবর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন পাঁচ চেয়ারম্যান প্রার্থী।

সোমবার সকাল ৮টায় ভোট শুরুর এক ঘণ্টার মাথায় সকাল ৯টার মধ্যে ওই চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ভোটবর্জনের ঘোষণা দেন।

নির্বাচনবর্জনকারী প্রার্থীরা হলেন— উপজেলার ৯নং বুড়িরচর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী (নৌকা) জিয়া আলী মোবারক কল্লোল, ১০নং জাহাজ মারা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী (নৌকা) এটিএম সিরাজ উদ্দিন, ৫নং চরঈশ্বর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল হালিম আজাদ (আনারস), ৮নং সোনাদিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী (মোটরসাইকেল) নুরুল ইসলাম মালয়েশিয়া, ১১ নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী (মোটরসাইকেল) মো. মেহেরাজ উদ্দিন।

ভুক্তভোগী একাধিক চেয়ারম্যান প্রার্থীর অভিযোগ, এখানে নৌকা প্রতীক পেলে কিছু হবে না। হতে হবে সাবেক এমপি ও হাতিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ আলীর আর্শীবাদ পুষ্ট। আরও অভিযোগ রয়েছে— এ উপজেলায় ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেয়েও মোহাম্মদ আলীর আশীর্বাদ না পাওয়ায় নির্বাচনের দিন নির্বাচন বর্জন করতে বাধ্য হয়েছে দুই নৌকা প্রতীকের প্রার্থী।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক এমপি ও হাতিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, এটা স্থানীয় নির্বাচন; আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন দাবি করেছি, তাই প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে। যারা অবৈধ পন্থায় জিততে চেয়েছিল তাদের আশা প্রশাসন ভণ্ডুল করে দেওয়ায় তারা মাঠ ছেড়ে চলে গেছে।

তিনি বলেন, যারা নাচতে জানে না তাদের জন্য উঠান বাঁকা। আমরা চেয়েছি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। আমরা যে কোনো অবস্থায় চেয়েছি নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক শান্তিপূর্ণ হোক। এ কালচারটা আমরা ঠিক রাখতে চাই।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাকির হোসেন জানান, অফিসিয়ালি এটি আমি জানি না। এ মুহূর্তে ভোটগ্রহণ চলছে। অফিসিয়ালি ভোটবর্জনের কোনো সুযোগ দেখি না। আইনগত কোনো বিধান নেই।

অপরদিকে নোয়াখালীর কবিরহাট পৌরসভা নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ না থাকা, প্রতিপক্ষ প্রার্থীর হুমকির অভিযোগে ভোটের আগের দিন দুই কাউন্সিলর প্রার্থী ভোটবর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। তারা হলেন— ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ (ডালিম) ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মো. হানিফ (পাঞ্জাবি)।

গত রোববার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে ভোটবর্জনের এ ঘোষণা দেন তারা।

ভোট শুরুর এক ঘণ্টার মাথায় ৫ চেয়ারম্যান প্রার্থীর বর্জনের ঘোষণা

 নোয়াখালী ও হাতিয়া প্রতিনিধি 
২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৪১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ভোট বর্জন
ফাইল ছবি

ভোটকেন্দ্রের সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকায় অস্ত্রধারী অবাধ বিচরণ ও হুমকি-ধমকির অভিযোগ এনে নোয়াখালীর হাতিয়া নৌকা প্রতীকের দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ভোটবর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন পাঁচ চেয়ারম্যান প্রার্থী।

সোমবার সকাল ৮টায় ভোট শুরুর এক ঘণ্টার মাথায় সকাল ৯টার মধ্যে ওই চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ভোটবর্জনের ঘোষণা দেন।

নির্বাচনবর্জনকারী প্রার্থীরা হলেন— উপজেলার ৯নং বুড়িরচর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী (নৌকা) জিয়া আলী মোবারক কল্লোল, ১০নং জাহাজ মারা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী (নৌকা) এটিএম সিরাজ উদ্দিন, ৫নং চরঈশ্বর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল হালিম আজাদ (আনারস), ৮নং সোনাদিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী (মোটরসাইকেল) নুরুল ইসলাম মালয়েশিয়া, ১১ নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী (মোটরসাইকেল) মো. মেহেরাজ উদ্দিন।

ভুক্তভোগী একাধিক চেয়ারম্যান প্রার্থীর অভিযোগ, এখানে নৌকা প্রতীক পেলে কিছু হবে না। হতে হবে সাবেক এমপি ও হাতিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ আলীর আর্শীবাদ পুষ্ট। আরও অভিযোগ রয়েছে— এ উপজেলায় ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেয়েও মোহাম্মদ আলীর আশীর্বাদ না পাওয়ায় নির্বাচনের দিন নির্বাচন বর্জন করতে বাধ্য হয়েছে দুই নৌকা প্রতীকের প্রার্থী।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক এমপি ও হাতিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, এটা স্থানীয় নির্বাচন; আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন দাবি করেছি, তাই প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে। যারা অবৈধ পন্থায় জিততে চেয়েছিল তাদের আশা প্রশাসন ভণ্ডুল করে দেওয়ায় তারা মাঠ ছেড়ে চলে গেছে।

তিনি বলেন, যারা নাচতে জানে না তাদের জন্য উঠান বাঁকা। আমরা চেয়েছি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। আমরা যে কোনো অবস্থায় চেয়েছি নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক শান্তিপূর্ণ হোক। এ কালচারটা আমরা ঠিক রাখতে চাই।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাকির হোসেন জানান, অফিসিয়ালি এটি আমি জানি না। এ মুহূর্তে ভোটগ্রহণ চলছে। অফিসিয়ালি ভোটবর্জনের কোনো সুযোগ দেখি না। আইনগত কোনো বিধান নেই।

অপরদিকে নোয়াখালীর কবিরহাট পৌরসভা নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ না থাকা, প্রতিপক্ষ প্রার্থীর হুমকির অভিযোগে ভোটের আগের দিন দুই কাউন্সিলর প্রার্থী ভোটবর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। তারা হলেন— ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ (ডালিম) ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মো. হানিফ (পাঞ্জাবি)। 

গত রোববার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে ভোটবর্জনের এ ঘোষণা দেন তারা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন