কেন্দ্রে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ভোটগ্রহণ স্থগিত
jugantor
কেন্দ্রে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ভোটগ্রহণ স্থগিত

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  

২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:৩৬:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

সমর্থকদের মধ্যে দিনভর ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ভোটদানে বাধা দেওয়ার ঘটনায় সাতক্ষীরার তালা ও কলারোয়া উপজেলার বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

রোববার রাতে ব্যালট কেটে বাক্সে ঢোকানোর অভিযোগে স্থগিত করা হয় কলারোয়ার কেড়াগাছি ইউনিয়নের কেড়াগাছি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ।

সোমবার সকালে কলারোয়ার ইউএনও জুবায়ের হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, ভোট কারচুপির অভিযোগে ওই কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে।

কেড়াগাছি ইউনিয়নের হঠাৎগঞ্জ ও পশ্চিম বোয়ালিয়া কেন্দ্রে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা ভোট দিতে বাধাগ্রস্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, তার সমর্থক ভোটাররা রামকৃষ্ণপুর, বেইলিসহ তিনটি কেন্দ্রে ঢুকতে পারেননি।

অপরদিকে একই ইউনিয়নের কয়েকটি কেন্দ্রে সদস্য পদপ্রার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

রোববার রাতে এই ইউনিয়নে সংঘর্ষের জেরে আহত হওয়া মেম্বার পদপ্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুল ইসলাম ভোটবর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

অন্যদিকে কলারোয়ার কয়লা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিক মোল্লা ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচনবর্জন করেছেন।

এদিকে তালা উপজেলার খলিষখালী ইউনিয়নের হাজরাপাড়া কেন্দ্র দখলের অভিযোগ ওঠে আওয়ামী লীগদলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা নিয়ন্ত্রণে নেয়।

একই উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নে ভোটগ্রহণকালে কেন্দ্রের বাইরে দুটি বোমা বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছে বলে জানা গেলেও প্রশাসন তা অস্বীকার করেছে।

সোমবার সকাল থেকে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে ভোটগ্রহণ বিঘ্নিত হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটকেন্দ্রগুলো ভোটারদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। চলতে থাকে ভোটগ্রহণ। কেন্দ্রগুলোতে নারী ভোটারের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।

কেন্দ্রে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ভোটগ্রহণ স্থগিত

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 
২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া
ফাইল ছবি

সমর্থকদের মধ্যে দিনভর ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ভোটদানে বাধা দেওয়ার ঘটনায় সাতক্ষীরার তালা ও কলারোয়া উপজেলার বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল। 

রোববার রাতে ব্যালট কেটে বাক্সে ঢোকানোর অভিযোগে স্থগিত করা হয় কলারোয়ার কেড়াগাছি ইউনিয়নের কেড়াগাছি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ।  

সোমবার সকালে কলারোয়ার ইউএনও জুবায়ের হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, ভোট কারচুপির অভিযোগে ওই কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। 

কেড়াগাছি ইউনিয়নের হঠাৎগঞ্জ ও পশ্চিম বোয়ালিয়া কেন্দ্রে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা ভোট দিতে বাধাগ্রস্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, তার সমর্থক ভোটাররা রামকৃষ্ণপুর, বেইলিসহ তিনটি কেন্দ্রে ঢুকতে পারেননি। 

অপরদিকে একই ইউনিয়নের কয়েকটি কেন্দ্রে সদস্য পদপ্রার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। 

রোববার রাতে এই ইউনিয়নে সংঘর্ষের জেরে আহত হওয়া মেম্বার পদপ্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুল ইসলাম ভোটবর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।  

অন্যদিকে কলারোয়ার কয়লা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিক মোল্লা ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচনবর্জন করেছেন। 

এদিকে তালা উপজেলার খলিষখালী ইউনিয়নের হাজরাপাড়া কেন্দ্র দখলের অভিযোগ ওঠে আওয়ামী লীগদলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা নিয়ন্ত্রণে নেয়। 

একই উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নে ভোটগ্রহণকালে কেন্দ্রের বাইরে দুটি বোমা বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছে বলে জানা গেলেও প্রশাসন তা অস্বীকার করেছে। 

সোমবার সকাল থেকে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে ভোটগ্রহণ বিঘ্নিত হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটকেন্দ্রগুলো ভোটারদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। চলতে থাকে ভোটগ্রহণ। কেন্দ্রগুলোতে নারী ভোটারের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন