বাড়িতে ডেকে নিয়ে বিধবাকে ‘হত্যা’
jugantor
বাড়িতে ডেকে নিয়ে বিধবাকে ‘হত্যা’

  বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি  

২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:১১:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোরের বড়াইগ্রামে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে জাম্বিয়া বেওয়া (৪৩) নামে এক বিধবাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী লইমুদ্দিনের বিরুদ্ধে। সোমবার উপজেলার গড়মাটি গ্রামের লইমুদ্দিনের বাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

জাম্বিয়া বেওয়া পাবনার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামের মৃত আফসার আলীর স্ত্রী। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত লইমুদ্দিন সপরিবারে পলাতক রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি বড়াইগ্রামের গড়মাটি গ্রামে বাবা কোরবান প্রামাণিকের বাড়িতে বসবাস করতেন। তিনি ধানের চাতালসহ বাড়ি বাড়ি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তিনি জমানো বেশ কিছু টাকা প্রতিবেশী মৃত তাহের মোল্লার ছেলে লইমুদ্দিনকে সুদের ওপর দেন। এছাড়া বেসরকারি সংস্থা থেকেও ৫০ হাজার টাকা ঋণ তুলে তিনি লইমুদ্দিনকে দেন।

সম্প্রতি এসব টাকার কিস্তি দেওয়া নিয়ে লইমুদ্দিনের সঙ্গে জাম্বিয়া বেগমের বিরোধ বাধে। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য রোববার সন্ধ্যায় লইমুদ্দিন জাম্বিয়াকে তার বাড়িতে ডেকে নেয়। পরে রাতে তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি।

পরে সোমবার লইমুদ্দিন মোবাইল করে স্থানীয় একজন জনপ্রতিনিধিকে জানান যে, জাম্বিয়া তার তামাকের ঘরে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

নিহতের ভাতিজা মাহবুব হোসেন জানান, আমার ফুফুর প্রায় ৫ লাখ টাকা লইমুদ্দিনের কাছে ছিল। এটা আত্মসাতের জন্যই সে আমার ফুফুকে হত্যা করে বাড়ির একটি ঘরে লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করেছে। আমরা থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

বড়াইগ্রাম থানার ওসি নজরুল ইসলাম মৃধা জানান, এটা হত্যা না আত্মহত্যা সে ব্যাপারে তদন্ত চলছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাড়িতে ডেকে নিয়ে বিধবাকে ‘হত্যা’

 বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি 
২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোরের বড়াইগ্রামে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে জাম্বিয়া বেওয়া (৪৩) নামে এক বিধবাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী লইমুদ্দিনের বিরুদ্ধে। সোমবার উপজেলার গড়মাটি গ্রামের লইমুদ্দিনের বাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

জাম্বিয়া বেওয়া পাবনার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামের মৃত আফসার আলীর স্ত্রী। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত লইমুদ্দিন সপরিবারে পলাতক রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি বড়াইগ্রামের গড়মাটি গ্রামে বাবা কোরবান প্রামাণিকের বাড়িতে বসবাস করতেন। তিনি ধানের চাতালসহ বাড়ি বাড়ি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তিনি জমানো বেশ কিছু টাকা প্রতিবেশী মৃত তাহের মোল্লার ছেলে লইমুদ্দিনকে সুদের ওপর দেন। এছাড়া বেসরকারি সংস্থা থেকেও ৫০ হাজার টাকা ঋণ তুলে তিনি লইমুদ্দিনকে দেন।

সম্প্রতি এসব টাকার কিস্তি দেওয়া নিয়ে লইমুদ্দিনের সঙ্গে জাম্বিয়া বেগমের বিরোধ বাধে। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য রোববার সন্ধ্যায় লইমুদ্দিন জাম্বিয়াকে তার বাড়িতে ডেকে নেয়। পরে রাতে তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি।

পরে সোমবার লইমুদ্দিন মোবাইল করে স্থানীয় একজন জনপ্রতিনিধিকে জানান যে, জাম্বিয়া তার তামাকের ঘরে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

নিহতের ভাতিজা মাহবুব হোসেন জানান, আমার ফুফুর প্রায় ৫ লাখ টাকা লইমুদ্দিনের কাছে ছিল। এটা আত্মসাতের জন্যই সে আমার ফুফুকে হত্যা করে বাড়ির একটি ঘরে লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করেছে। আমরা থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

বড়াইগ্রাম থানার ওসি নজরুল ইসলাম মৃধা জানান, এটা হত্যা না আত্মহত্যা সে ব্যাপারে তদন্ত চলছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন