নির্মাণের ৬ মাসেই নদীতে বিলীন হচ্ছে সড়ক!
jugantor
নির্মাণের ৬ মাসেই নদীতে বিলীন হচ্ছে সড়ক!

  দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:১৯:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর দুমকিতে নির্মাণের ৬ মাসেই নদীতে ভেঙে যাচ্ছে এলজিইডির পাকা সড়ক! দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া না হলে পুরোটা ভেঙে বিচ্ছিন্ন হতে পারে ওই এলাকার সড়ক যোগাযোগ।

সরেজমিন পরিদর্শনে উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের কচাবুনিয়া নদীর পশ্চিমপাড় নেছারিয়া মাদ্রাসা থেকে পুকুরজানা বাজার সড়কের মাঝামাঝি অন্তত ৬০ মিটার পাকা রাস্তার প্রায় অর্ধেকাংশ নদীতে ভেঙে পড়েছে। বাকি অর্ধেকাংশেও ফাটল ধরেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর তীরে পাইলিং বা সাপোর্টিং না থাকায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নতুন সড়কটি মাত্র ছয় মাসেই ভেঙে পড়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল বারেক হাওলাদার বলেন, ঠিকাদার যেনতেনভাবে তড়িঘড়ি রাস্তার কার্পেটিং কাজ শেষ করলেও অনেক কাজ ফেলে রেখেছে। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার, যথাযথ পরিমাপ ঠিক না রাখাসহ নানা অনিয়মের আশ্রয় নেওয়ায় কাজের গুণগতমান ঠিক নেই। তাছাড়া নদীর তীরে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পাইল-সাপোর্ট না থাকায় জোয়ারের স্রোতে নিচের মাটি সরে যাওয়ায় সড়ক ভেঙে যাচ্ছে। একই বক্তব্য দক্ষিণ পাঙ্গাশিয়া গ্রামের অনেকের।

পাঙ্গাশিয়া তেতুলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিসেস পিয়ারা বেগম জানান, নদীতে ভেঙে পড়া রাস্তা দিয়ে স্কুলের বেশির ভাগ ছাত্রছাত্রীদের নিয়মিত আসতে যেতে হয়। আমাদের এসব শিশু শিক্ষার্থীদের নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় থাকতে হচ্ছে। সড়ক যোগাযোগ রক্ষায় ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, উপজেলা প্রকৌশলীকে ত্বরিত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব মেরামত কাজ শুরু করা হবে।

এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা প্রকৌশলী মো. আজিজুর রহমান বলেন, সড়কের ভাঙন মেরামতে প্রাথমিকভাবে ৩ লাখ টাকার (প্রাক্কলন) প্রকল্প হাতে নিয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে কাজ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই কাজ শুরু করার কথা রয়েছ। ইউপি চেয়ারম্যান কাজে গড়িমসি করলে আমরাই রাস্তাটি মেরামত করে দেব।

নির্মাণের ৬ মাসেই নদীতে বিলীন হচ্ছে সড়ক!

 দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর দুমকিতে নির্মাণের ৬ মাসেই নদীতে ভেঙে যাচ্ছে এলজিইডির পাকা সড়ক! দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া না হলে পুরোটা ভেঙে বিচ্ছিন্ন হতে পারে ওই এলাকার সড়ক যোগাযোগ।

সরেজমিন পরিদর্শনে উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের কচাবুনিয়া নদীর পশ্চিমপাড় নেছারিয়া মাদ্রাসা থেকে পুকুরজানা বাজার সড়কের মাঝামাঝি অন্তত ৬০ মিটার পাকা রাস্তার প্রায় অর্ধেকাংশ নদীতে ভেঙে পড়েছে। বাকি অর্ধেকাংশেও ফাটল ধরেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর তীরে পাইলিং বা সাপোর্টিং না থাকায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নতুন সড়কটি মাত্র ছয় মাসেই ভেঙে পড়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল বারেক হাওলাদার বলেন, ঠিকাদার যেনতেনভাবে তড়িঘড়ি রাস্তার কার্পেটিং কাজ শেষ করলেও অনেক কাজ ফেলে রেখেছে। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার, যথাযথ পরিমাপ ঠিক না রাখাসহ নানা অনিয়মের আশ্রয় নেওয়ায় কাজের গুণগতমান ঠিক নেই। তাছাড়া নদীর তীরে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পাইল-সাপোর্ট না থাকায় জোয়ারের স্রোতে নিচের মাটি সরে যাওয়ায় সড়ক ভেঙে যাচ্ছে। একই বক্তব্য দক্ষিণ পাঙ্গাশিয়া গ্রামের অনেকের।

পাঙ্গাশিয়া তেতুলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিসেস পিয়ারা বেগম জানান, নদীতে ভেঙে পড়া রাস্তা দিয়ে স্কুলের বেশির ভাগ ছাত্রছাত্রীদের নিয়মিত আসতে যেতে হয়। আমাদের এসব শিশু শিক্ষার্থীদের নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় থাকতে হচ্ছে। সড়ক যোগাযোগ রক্ষায় ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, উপজেলা প্রকৌশলীকে ত্বরিত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব মেরামত কাজ শুরু করা হবে।

এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা প্রকৌশলী মো. আজিজুর রহমান বলেন, সড়কের ভাঙন মেরামতে প্রাথমিকভাবে ৩ লাখ টাকার (প্রাক্কলন) প্রকল্প হাতে নিয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে কাজ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই কাজ শুরু করার কথা রয়েছ। ইউপি চেয়ারম্যান কাজে গড়িমসি করলে আমরাই রাস্তাটি মেরামত করে দেব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন