সেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষককে শোকজ
jugantor
সেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষককে শোকজ

  সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি  

২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:১১:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোরের সিংড়া উপজেলার ১৩১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিনা খাতুনসহ ৩ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

সরকারি নির্দেশনা না মানায় যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর রোববার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশরাফ স্বাক্ষরিত শোকজ নোটিশে আগামী ৩ কর্ম-দিবসের মধ্যে লিখিতভাবে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

শোকজকৃত অন্য দুইজন শিক্ষক হলেন সহকারী শিক্ষক ওসমান গণী ও সাবিনা খাতুন।

উল্লেখ্য, ১৭ সেপ্টেম্বর যুগান্তরের ১৩ পৃষ্ঠায় ‘সিংড়ায় বিদ্যালয়ের মাঠে নির্মাণসামগ্রী, ক্লাস বন্ধ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

এদিকে প্রধান শিক্ষক রিনা খাতুন মোবাইল ফোনে বলেন, তার বড়মেয়ে অসুস্থ হওয়ায় এক ভাইকে দায়িত্ব দিয়ে স্কুল থেকে একটু আগেই চলে গেছেন। তবে অন্য শিক্ষকরা স্কুলে নেই কেন বা বন্ধ কেন- এসব বিষয়ে কোনো সঠিক উত্তর দিতে পারেননি তিনি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশরাফ শোকজের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ৩ কর্ম-দিবসের মধ্যে শোকজের উত্তর দিতে বলা হয়েছে। দায়িত্ব অবহেলার কারণে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও উপজেলার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টাইম মেইন-টেইনের জন্য চিঠি দেওয়া হচ্ছে।

সেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষককে শোকজ

 সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি 
২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোরের সিংড়া উপজেলার ১৩১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিনা খাতুনসহ ৩ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

সরকারি নির্দেশনা না মানায় যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর রোববার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশরাফ স্বাক্ষরিত শোকজ নোটিশে আগামী ৩ কর্ম-দিবসের মধ্যে লিখিতভাবে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

শোকজকৃত অন্য দুইজন শিক্ষক হলেন সহকারী শিক্ষক ওসমান গণী ও সাবিনা খাতুন।

উল্লেখ্য, ১৭ সেপ্টেম্বর যুগান্তরের ১৩ পৃষ্ঠায় ‘সিংড়ায় বিদ্যালয়ের মাঠে নির্মাণসামগ্রী, ক্লাস বন্ধ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

এদিকে প্রধান শিক্ষক রিনা খাতুন মোবাইল ফোনে বলেন, তার বড়মেয়ে অসুস্থ হওয়ায় এক ভাইকে দায়িত্ব দিয়ে স্কুল থেকে একটু আগেই চলে গেছেন। তবে অন্য শিক্ষকরা স্কুলে নেই কেন বা বন্ধ কেন- এসব বিষয়ে কোনো সঠিক উত্তর দিতে পারেননি তিনি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশরাফ শোকজের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ৩ কর্ম-দিবসের মধ্যে শোকজের উত্তর দিতে বলা হয়েছে। দায়িত্ব অবহেলার কারণে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও উপজেলার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টাইম মেইন-টেইনের জন্য চিঠি দেওয়া হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন