'মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা ভারতের সঙ্গে একযোগে ঘোষণার প্রক্রিয়া চলছে'
jugantor
'মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা ভারতের সঙ্গে একযোগে ঘোষণার প্রক্রিয়া চলছে'

  কলাপাড়া ও কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:১১:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, মা ইলিশ রক্ষায় সমুদ্রে জেলেদের ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিয়ে আমরা প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। যাতে উভয় দেশ একই সময় নিষেধাজ্ঞার আওতায় জেলেদের নিয়ে আসা যায়। ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে এ সমস্যা আর থাকছে না। এর মধ্য দিয়ে দেশের সমুদ্র সীমায় অন্য দেশের জেলেদের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানো সম্ভব হবে।

এছাড়া ইলিশের অভয়াশ্রম ও উৎপাদন বাড়াতে বর্তমান সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশের যেসব প্রান্ত থেকে ইলিশ পাওয়া যায় সেখানে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের অর্থায়নে নির্মিত আলীপুর ও মহিপুরে দুটি মৎস্য অবতরণ ও বাজারজাত কেন্দ্র উদ্বোধনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা নিয়েছে। দেশের যে প্রান্তেই ইলিশ বাড়ানো যায় কিংবা বাচ্চা দিতে পারে সে বিষয়গুলোকে আমরা বিবেচনার ভিতরে রেখেছি। আমাদের টার্গেট হচ্ছে বাংলাদেশের কোনো জলাশয় অব্যবহৃত থাকবে না। আন্ধারমানিক নদীসহ যেসব নদীতে আগে ইলিশ ছিল কিন্তু এখন নেই- কেন নেই তা নিয়ে আমরা গবেষণা করছি।

তিনি বলেন, কোন কোন জায়গায় নদীর পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে, সেসব রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইলিশ যেখানে ডিম ছাড়ে সেই সময় বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা, নানা প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে ইলিশ তার স্থান পরিবর্তন করে। যেখানে ইলিশ এক সময় ছিল সেখানেই আবার যাতে ইলিশের উৎপাদন বাড়ানো যায় তার ব্যাপক পরিকল্পনা আমরা হাতে নিয়েছি। আশা করি অতীতের মতো এ অঞ্চলে আবার ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএফডিসির চেয়ারম্যান অতিরিক্ত সচিব কাজী হাসান আহমেদ, সচিব মুহাম্মদ হরুন-অর-রশীদ, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রকল্প পরিচালক জামাল হোসেন মজুমদার, বিএফডিসির পরিচালক (অর্থ) মঞ্জুর হাসান ভুইয়া, উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম রাকিবুল আহসান, কলাপাড়ার ইউএনও আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহম্মেদ আলী, কলাপাড়া পৌর মেয়র বিপুল চন্দ্র হাওলাদার, কুয়াকাটা পৌর মেয়র আনোয়ার হাওলাদার, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কলাপাড়ার ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম প্রমুখ।

'মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা ভারতের সঙ্গে একযোগে ঘোষণার প্রক্রিয়া চলছে'

 কলাপাড়া ও কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, মা ইলিশ রক্ষায় সমুদ্রে জেলেদের ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিয়ে আমরা প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। যাতে উভয় দেশ একই সময় নিষেধাজ্ঞার আওতায় জেলেদের নিয়ে আসা যায়। ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে এ সমস্যা আর থাকছে না। এর মধ্য দিয়ে দেশের সমুদ্র সীমায় অন্য দেশের জেলেদের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানো সম্ভব হবে।

এছাড়া ইলিশের অভয়াশ্রম ও উৎপাদন বাড়াতে বর্তমান সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশের যেসব প্রান্ত থেকে ইলিশ পাওয়া যায় সেখানে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের অর্থায়নে নির্মিত আলীপুর ও মহিপুরে দুটি মৎস্য অবতরণ ও বাজারজাত কেন্দ্র উদ্বোধনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। 

মন্ত্রী বলেন, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা নিয়েছে। দেশের যে প্রান্তেই ইলিশ বাড়ানো যায় কিংবা বাচ্চা দিতে পারে সে বিষয়গুলোকে আমরা বিবেচনার ভিতরে রেখেছি। আমাদের টার্গেট হচ্ছে বাংলাদেশের কোনো জলাশয় অব্যবহৃত থাকবে না। আন্ধারমানিক নদীসহ যেসব নদীতে আগে ইলিশ ছিল কিন্তু এখন নেই- কেন নেই তা নিয়ে আমরা গবেষণা করছি। 

তিনি বলেন, কোন কোন জায়গায় নদীর পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে, সেসব রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইলিশ যেখানে ডিম ছাড়ে সেই সময় বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা, নানা প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে ইলিশ তার স্থান পরিবর্তন করে। যেখানে ইলিশ এক সময় ছিল সেখানেই আবার যাতে ইলিশের উৎপাদন বাড়ানো যায় তার ব্যাপক পরিকল্পনা আমরা হাতে নিয়েছি। আশা করি অতীতের মতো এ অঞ্চলে আবার ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএফডিসির চেয়ারম্যান অতিরিক্ত সচিব কাজী হাসান আহমেদ, সচিব মুহাম্মদ হরুন-অর-রশীদ, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রকল্প পরিচালক জামাল হোসেন মজুমদার, বিএফডিসির পরিচালক (অর্থ) মঞ্জুর হাসান ভুইয়া, উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম রাকিবুল আহসান, কলাপাড়ার ইউএনও আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহম্মেদ আলী, কলাপাড়া পৌর মেয়র বিপুল চন্দ্র হাওলাদার, কুয়াকাটা পৌর মেয়র আনোয়ার হাওলাদার, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কলাপাড়ার ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন