‘গ্যাস ট্যাবলেট’ খেয়ে স্ত্রীকে জানিয়েও বাঁচতে পারলেন না তিনি
jugantor
‘গ্যাস ট্যাবলেট’ খেয়ে স্ত্রীকে জানিয়েও বাঁচতে পারলেন না তিনি

  বগুড়া ব্যুরো  

২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৩৭:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার আদমদীঘির দোকান কর্মচারী গোলাম মোস্তফা (৪২) গ্যাস ট্যাবলেট সেবনের পর মৃত্যু যন্ত্রণার কথা মোবাইল ফোনে স্ত্রী আসমা খাতুনকে অবহিত করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি।

রোববার মধ্যরাতে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। সোমবার সদর থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

সোমবার বিকাল পর্যন্ত কেউ তার মৃত্যুর সঠিক কারণ বলতে পারেননি। কেউ বলছেন, সংসারে অভাব, আবার কেউ বলছেন, নিজের পরকীয়া প্রেম নিয়ে দাম্পত্য কলহের জেরে তিনি আত্মহননের পথ বেছে নেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গোলাম মোস্তফা আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের ছোট আখিড়া গ্রামে মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে। তিনি ১৬ বছর দেশের বাহিরে ছিলেন। নানা কারণে তিনি আয়ের টাকা রাখতে পারেননি। সংসারে অভাব দেখা দিলে গত প্রায় দেড় বছর আগে সান্তাহারে সুভাসের খেলাঘর নামে একটি দোকানে কর্মচারীর কাজ নেন।

সংসারে স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। নানা কারণে স্ত্রী আসমার সঙ্গে তার মতবিরোধ দেখা দেয়। মাঝে মাঝে তাদের ঝগড়া হতো। রোববার সন্ধ্যায় মোস্তফা সান্তাহারের খাড়ির ব্রিজ কবরস্থানে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন।

যন্ত্রণা শুরু হলে মোবাইল ফোনে স্ত্রীকে জানান, তিনি গোরস্থানে বসে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়েছেন। এ সময় তাকে বাঁচানোর আকুতি জানানো হয়। ফোন পেয়েই স্ত্রী আসমা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

আদমদীঘি থানার এসআই সোলায়মান আলী জানান, দোকান কর্মচারী গোলাম মোস্তফার আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। লাশ মর্গে পাঠিয়ে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। দাফনের কাজ শেষ হলে এ ব্যাপারে তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

‘গ্যাস ট্যাবলেট’ খেয়ে স্ত্রীকে জানিয়েও বাঁচতে পারলেন না তিনি

 বগুড়া ব্যুরো 
২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার আদমদীঘির দোকান কর্মচারী গোলাম মোস্তফা (৪২) গ্যাস ট্যাবলেট সেবনের পর মৃত্যু যন্ত্রণার কথা মোবাইল ফোনে স্ত্রী আসমা খাতুনকে অবহিত করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি।

রোববার মধ্যরাতে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। সোমবার সদর থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

সোমবার বিকাল পর্যন্ত কেউ তার মৃত্যুর সঠিক কারণ বলতে পারেননি। কেউ বলছেন, সংসারে অভাব, আবার কেউ বলছেন, নিজের পরকীয়া প্রেম নিয়ে দাম্পত্য কলহের জেরে তিনি আত্মহননের পথ বেছে নেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গোলাম মোস্তফা আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের ছোট আখিড়া গ্রামে মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে। তিনি ১৬ বছর দেশের বাহিরে ছিলেন। নানা কারণে তিনি আয়ের টাকা রাখতে পারেননি। সংসারে অভাব দেখা দিলে গত প্রায় দেড় বছর আগে সান্তাহারে সুভাসের খেলাঘর নামে একটি দোকানে কর্মচারীর কাজ নেন।

সংসারে স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। নানা কারণে স্ত্রী আসমার সঙ্গে তার মতবিরোধ দেখা দেয়। মাঝে মাঝে তাদের ঝগড়া হতো। রোববার সন্ধ্যায় মোস্তফা সান্তাহারের খাড়ির ব্রিজ কবরস্থানে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন।

যন্ত্রণা শুরু হলে মোবাইল ফোনে স্ত্রীকে জানান, তিনি গোরস্থানে বসে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়েছেন। এ সময় তাকে বাঁচানোর আকুতি জানানো হয়। ফোন পেয়েই স্ত্রী আসমা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

আদমদীঘি থানার এসআই সোলায়মান আলী জানান, দোকান কর্মচারী গোলাম মোস্তফার আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। লাশ মর্গে পাঠিয়ে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। দাফনের কাজ শেষ হলে এ ব্যাপারে তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন